|
ভোল পাল্টানোর চেষ্টা! কে এই ক্ষমতাধর লবিস্ট জামাল উদ্দিন?
নতুন সময় প্রতিনিধি
|
![]() ভোল পাল্টানোর চেষ্টা! কে এই ক্ষমতাধর লবিস্ট জামাল উদ্দিন? মো. জামাল উদ্দিন বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় উপ-কমিটির শিল্প ও বাণিজ্য বিষয়ক সদস্য ছিলেন। দলীয় সাংগঠনিক কর্মকাণ্ডে সক্রিয় থাকার পাশাপাশি তিনি নোয়াখালী-১ (চাটখিল-সোনাইমুড়ী) আসন থেকে সংসদ সদস্য পদপ্রার্থী হওয়ার প্রত্যাশীও ছিলেন। ২০২৪ সালে সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার চার দিনের চীন সফরে ১৯৬ জন সফরসঙ্গীর মধ্যে জামাল উদ্দিনের নাম ১৪১ নং ক্রমিকে অন্তর্ভুক্ত ছিল। জানা গেছে, সাবেক বেসরকারি শিল্প ও বিনিয়োগ উপদেষ্টা সালমান এফ রহমান এবং গৃহায়ণ ও গণপূর্ত মন্ত্রীর অত্যন্ত ঘনিষ্ঠ হিসেবে পরিচিত ছিলেন জামাল উদ্দিন। এই প্রভাবশালী মহলের আশীর্বাদে তিনি একটি শক্তিশালী সিন্ডিকেট গড়ে তোলেন। অভিযোগ রয়েছে, তার মালিকানাধীন প্রতিষ্ঠান 'এম জামাল এন্ড কোম্পানী লিমিটেড'-এর নামে প্রভাব খাটিয়ে গণপূর্ত অধিদপ্তরের বড় বড় সব প্রকল্প বাগিয়ে নিতেন তিনি। তার নিয়ন্ত্রণে থাকা উল্লেখযোগ্য প্রকল্পগুলোর মধ্যে রয়েছে: নোয়াখালী মেডিকেল কলেজ ও নোয়াখালী সদর হাসপাতাল, সুনামগঞ্জ বঙ্গবন্ধু মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতাল, বাংলাদেশ ফিল্ম আর্কাইভ ভবন ও জাতীয় সংসদ সচিবালয় আবাসন ও পুলিশ অফিসার্স মেস, মিরপুর পুলিশ কমপ্লেক্স এবং উত্তরা অ্যাপার্টমেন্ট প্রকল্প। আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর নিজের অস্তিত্ব রক্ষায় মো. জামাল উদ্দিন এখন ভোল পাল্টানোর চেষ্টা করছেন বলে জানা গেছে। বর্তমানে তিনি বিএনপি নেতাদের ঘনিষ্ঠ হওয়ার আপ্রাণ চেষ্টা চালাচ্ছেন এবং পুরাতন লবিস্টদের কাজে লাগিয়ে বর্তমান গৃহায়ণ ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ে তদবির ও টেন্ডার কার্যক্রম চালিয়ে যাওয়ার অপচেষ্টা করছেন। সচেতন মহলের ধারণা, তার ক্ষমতার অপব্যবহার এবং অবৈধ সম্পদ অর্জনের বিষয়ে সুষ্ঠু তদন্ত শুরু হলে আরও ভয়াবহ দুর্নীতির চিত্র বেরিয়ে আসবে।
|
| পূর্ববর্তী সংবাদ | পরবর্তী সংবাদ |
