|
চিলমারীতে ১০০ টাকার পেট্রোল দিতে ইউএনও’র নির্দেশ, বাইকারদের বিক্ষোভে সিদ্ধান্ত বদল
নতুন সময় প্রতিনিধি
|
![]() চিলমারীতে ১০০ টাকার পেট্রোল দিতে ইউএনও’র নির্দেশ, বাইকারদের বিক্ষোভে সিদ্ধান্ত বদল বুধবার (৮ এপ্রিল) সকাল ১০ টার দিকে ফিলিং স্টেশনে এ ঘটনাটি ঘটেছে। এরআগে গতকাল ইউএনও সরেজমিন পাম্প পরিদর্শন করে মৌখিকভাবে এ নির্দেশ দেন। জানা গেছে, প্রতিদিন ২০০ টাকা নির্ধারিত মুল্যের পেট্রোল দেয়া হত। এরই ধারাবাহিকতায় আজকে বাইকাররা তেল নিয়ে আসলে ইউএনওর নির্দেশনায় পাম্প সংশ্লিষ্টরা ১০০ টাকার তেল দেয়া শুরু করলে তেল না নিয়ে চালকরা হট্টগোল ও উত্তপ্ত বাকবিতণ্ডায় জড়িয়ে পরেন৷ পরে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে নিতে বাধ্য হয়ে ২০০ টাকার তেল বিক্রি শুরু করেন। পাম্প সূত্র ও সরেজমিন দেখা গেছে, বর্তমান যে পরিমান তেল বরাদ্দ পাওয়া যাচ্ছে৷ তা দিয়ে পরিস্থিতি সামাল দেয়া অস্বাভাবিক হয়ে পড়েছে। এর কারণ হিসেব উলিপুরের বড় একটা অংশ এবং সুন্দরগঞ্জ উপজেলার একটা অংশের চালকরা এই পাম্পে আসেন তেল নিতে ফলে যতটুকু তেল বরাদ্দ পাওয়া যায় তা সকল বাইকারদের মাঝে বিক্রি করা সম্ভব হয় না। ![]() চিলমারীতে ১০০ টাকার পেট্রোল দিতে ইউএনও’র নির্দেশ, বাইকারদের বিক্ষোভে সিদ্ধান্ত বদল পরিস্থিতি বেগতিক দেখে এবং বাইকারদের চাপের মুখে পাম্প কর্তৃপক্ষ ও স্থানীয় প্রশাসনের প্রতিনিধিরা আলোচনায় বসেন। দীর্ঘ সময় হট্টগোল চলার পর উপস্থিত সবার দাবির মুখে ১০০ টাকার বদলে সর্বোচ্চ ২০০ টাকার তেল দেওয়ার বিষয়ে সমঝোতা হয়। এই সিদ্ধান্তের পর পরিস্থিতি কিছুটা শান্ত হয় এবং পুনরায় তেল বিক্রি শুরু হয়। রহিম নামে এক বাইক চালক জানান, চিলমারীর পাম্পে প্রতিদিন তেল দেয়ায় উলিপুর থেকে এসে লাইনে দাঁড়িয়েছে। এখন যদি ১০০ টাকার তেল দেয়া হয় তাহলে উলিপুর যেতেই শেষ হবে। মেহেদি নামে আরেক চালক বলেন, গতকাল সন্ধ্যা থেকে দীর্ঘ লাইন হয়ে পড়ে, বিশেষ করে অন্য উপজেলার বাইকের সংখ্যা বেশি হওয়ার স্থানীয়রাও এখন তেল পাচ্ছে না। তেল বিক্রির মৌখিক নির্দেশনা দেয়া প্রসঙ্গে ইউএনও মাহমুদুল হাসান জানান, গতকাল ১০০ টাকার তেল দেয়া কথা বলা হয়েছিল। পরে আজকে আবার ২০০ টাকার তেল দেয়ার সিদ্ধান্ত দেয়া হয়। |
| পূর্ববর্তী সংবাদ | পরবর্তী সংবাদ |
