ই-পেপার সোমবার ১৪ নভেম্বর ২০২২
ই-পেপার |  সদস্য হোন |  পডকাস্ট |  গুগলী |  ডিসকাউন্ট শপ
মঙ্গলবার ৯ জুন ২০২৬ ২৫ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
রাণীশংকৈলে কৃষকের হৃদয়ে জায়গা নিচ্ছে রাইসট্রান্সপ্লান্টার
মো: সবুজ ইসলাম,রাণীশংকৈল
প্রকাশ: Monday, 16 February, 2026, 6:51 PM

রাণীশংকৈলে কৃষকের হৃদয়ে জায়গা নিচ্ছে রাইসট্রান্সপ্লান্টার

রাণীশংকৈলে কৃষকের হৃদয়ে জায়গা নিচ্ছে রাইসট্রান্সপ্লান্টার

কৃষির উন্নয়নে যান্ত্রিকীকরণের কোনো বিকল্প নেই। আধুনিক যন্ত্রের ব্যবহার একদিকে যেমন সময় ও শ্রম সাশ্রয় করছে, অন্যদিকে উৎপাদন খরচ কমিয়ে কৃষকদের লাভের মুখ দেখাচ্ছে। ফলে এক ফসলি জমিতে বছরে একাধিকবার চাষাবাদও সম্ভব হচ্ছে।আর এর ফলে কৃষকের মনে জায়গা করে নিচ্ছে রাইস ট্রান্সপ্লান্টার নামক যন্ত্র।

চলতি মৌসুমে ঠাকুরগাঁওয়ের রাণীশংকৈল উপজেলার প্রায় ৪২৫ একর জমিতে যন্ত্রের মাধ্যমে ধান চাষাবাদ করা হচ্ছে। উপজেলা কৃষি অফিস সূত্রে জানা গেছে, রংপুর বিভাগ কৃষি ও গ্রামীণ উন্নয়ন প্রকল্পের আওতায় ২০২৫-২০২৬ অর্থবছর পর্যন্ত বরাদ্দ পাওয়া ৩৫টি রাইস ট্রান্সপ্লান্টার ও ৩৭টি রিপার বিভিন্ন কৃষক গ্রুপের মাঝে বিতরণ করা হয়েছে। এসব যন্ত্র দিয়েই এবার ব্যাপক পরিসরে আবাদ হচ্ছে।

হোসেনগাঁও ইউনিয়নের কৃষক রশিদুল নিজের জমিতে বীজতলা তৈরি থেকে শুরু করে রাইস ট্রান্সপ্লান্টারের মাধ্যমে চারা রোপণ করেছেন। তিনি জানান, শুধু রোপণ নয়, ধান কাটা ও ঘরে তোলা পর্যন্ত যন্ত্রের সহযোগিতা নেওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে তার।

রাণীশংকৈলে কৃষকের হৃদয়ে জায়গা নিচ্ছে রাইসট্রান্সপ্লান্টার

রাণীশংকৈলে কৃষকের হৃদয়ে জায়গা নিচ্ছে রাইসট্রান্সপ্লান্টার

কৃষি দপ্তর সূত্রে জানা যায়, আগে ১ বিঘা জমিতে ধান রোপণে খরচ হতো প্রায় ১৫'শত টাকা। এখন রাইস ট্রান্সপ্লান্টারের মাধ্যমে একই জমিতে খরচ হচ্ছে মাত্র ৮'শত টাকা। অর্থাৎ বিঘা প্রতি সাশ্রয় হচ্ছে ৭'শত টাকা। সে হিসেবে এবার কৃষকের সাশ্রয় হয়েছে প্রায় ৯ লক্ষ টাকা।একইভাবে রিপার যন্ত্র ব্যবহারে ধান কাটার ক্ষেত্রেও উল্লেখযোগ্য খরচ কমছে। শুধু তাই নয় তৈরি হচ্ছে নতুন নতুন কৃষি উদ্যোক্তাও।

উপজেলার কৃষি উদ্যোক্তা শামসুল জানান, ট্রে ও পলিথিনে বীজতলা তৈরি করে রাইস ট্রান্সপ্লান্টারের মাধ্যমে ধান রোপণ করছেন তিনি। এতে অল্প সময়ে বেশি জমিতে সমান দূরত্ব ও সমগভীরতায় চারা রোপণ সম্ভব হচ্ছে। ফলে উৎপাদনও বাড়ছে এবং আর্থিকভাবে লাভবান হওয়া সম্ভব বলে জানান তিনি। 

কৃষকদের মতে, যন্ত্রের সাহায্যে কম সময়ে অধিক জমিতে সুস্থ ও সবল চারা রোপণ করা যাচ্ছে। এতে সময়, শ্রম, অর্থ ও পানির সাশ্রয় হচ্ছে। পাশাপাশি জমির উর্বরতাও বৃদ্ধি পাচ্ছে।

রাণীশংকৈল উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ শহীদুল ইসলাম বলেন, শ্রমিক দিয়ে যে কাজ করতে সময় ও খরচ বেশি লাগতো, এখন যন্ত্রের মাধ্যমে তা কম সময়ে ও কম খরচে সম্ভব হচ্ছে। কৃষিকে বাণিজ্যিক ও আধুনিক করতে কৃষি বিভাগ সর্বদা কৃষকদের পাশে রয়েছে এবং প্রয়োজনীয় পরামর্শ ও সহায়তা প্রদান করছে।

পূর্ববর্তী সংবাদপরবর্তী সংবাদ







  সর্বশেষ সংবাদ  
  সর্বাধিক পঠিত  
এই ক্যাটেগরির আরো সংবাদ
সম্পাদক : নাজমুল হক শ্যামল
দৈনিক নতুন সময়, গ্রীন ট্রেড পয়েন্ট, ৭ বীর উত্তম এ কে খন্দকার রোড, মহাখালী বা/এ, ঢাকা ১২১২।
ফোন: ৫৮৩১২৮৮৮, ০১৯৯৪ ৬৬৬০৮৯, ইমেইল: info@notunshomoy.com
সম্পাদক মন্ডলীর সভাপতি: এমদাদ আহমেদ | প্রকাশক : প্রবাসী মাল্টিমিডিয়া কমিউনিকেশন লি.-এর পক্ষে কাজী তোফায়েল আহম্মদ | কপিরাইট © দৈনিক নতুন সময় সর্বসত্ত্ব সংরক্ষিত | Developed By: i2soft
DMCA.com Protection Status