ই-পেপার সোমবার ১৪ নভেম্বর ২০২২
ই-পেপার |  সদস্য হোন |  পডকাস্ট |  গুগলী |  ডিসকাউন্ট শপ
বুধবার ২১ জানুয়ারি ২০২৬ ৭ মাঘ ১৪৩২
নাব্যতা সংকটের কারণে কুড়িগ্রামের চিলমারী-রৌমারী ফেরি সার্ভিস আবারও বন্ধ
আহম্মেদুল কবির, কুড়িগ্রাম
প্রকাশ: Sunday, 11 January, 2026, 3:51 PM

নাব্যতা সংকটের কারণে কুড়িগ্রামের চিলমারী-রৌমারী ফেরি সার্ভিস আবারও বন্ধ

নাব্যতা সংকটের কারণে কুড়িগ্রামের চিলমারী-রৌমারী ফেরি সার্ভিস আবারও বন্ধ

নাব্যতা সংকটের কারণে কুড়িগ্রামের চিলমারী-রৌমারী ফেরি সার্ভিস আবারও বন্ধ হয়ে গেছে।বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌ-পরিবহন কর্পোরেশনের চিলমারী ঘাটের ব্যবস্থাপক (বাণিজ্য) প্রফুল্ল চৌহান আজ ১১ জানুয়ারি রবিবার এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, ‘নাব্য সংকটের কারণে ফেরি চলাচল বন্ধ রয়েছে। ডুবো চর ও খনন বন্ধ থাকায় হকের চর এলাকায় ফেরি চলাচলের মুখ সম্পূর্ণ বন্ধ হয়ে গেছে। বর্ষা মৌসুম ছাড়া ফেরি চালুর সম্ভাবনা নেই।’

উল্লেখ্য, উত্তরাঞ্চলের যোগাযোগ ব্যবস্থায় নতুন সম্ভাবনার দুয়ার খুলবে-এমন প্রত্যাশা নিয়ে ২০২৩ সালের ২০ সেপ্টেম্বর উদ্বোধন করা হয়েছিল চিলমারী-রৌমারী ফেরি সার্ভিস। কিন্তু সেই সম্ভাবনাময় নৌরুট এখন দুর্ভোগ, ক্ষতি ও অনিশ্চয়তার প্রতীক হয়ে দাঁড়িয়েছে। নাব্যতা সংকটের অজুহাতে গত বছরের ১৯ নভেম্বর থেকে ফেরি চলাচল বন্ধ থাকায় যাত্রী, চালক, কৃষক ও ব্যবসায়ীরা পড়েছেন চরম বিপাকে। ফেরি বন্ধ থাকায় কুড়িগ্রাম, লালমনিরহাট ও গাইবান্ধা জেলার মানুষ ও পণ্যবাহী যানবাহনকে বিকল্প পথে দীর্ঘ পথ ঘুরে যাতায়াত করতে হচ্ছে। এতে সময় দ্বিগুণের বেশি লাগছে, বাড়ছে পরিবহন খরচ। কৃষিপণ্য পরিবহন, হাটবাজারের সরবরাহ এবং জরুরি যাতায়াতে এর বিরূপ প্রভাব পড়ছে প্রতিনিয়ত। বিকল্প পথে নৌকা যোগে যাতায়ত করতে গিয়ে বিশেষ করে চিলমারী, রৌমারী ও রাজীবপুর এই ৩ উপজেলার মানুষজন শহরের সাথে যোগাযোগ করতে গিয়ে বিভিন্নভাবে হয়রানির স্বীকার হচ্ছে।

বিআইডব্লিউটিএ চিলমারী ঘাটের লিপিবদ্ধ তথ্য অনুযায়ী, ২০২৩ সালের ২০ সেপ্টেম্বর ফেরি চালু হওয়ার পর ওই বছরের ডিসেম্বর পর্যন্ত ১০৪ দিনের মধ্যে চলেছে ৯৭ দিন। ২০২৪ সালে পুরো বছরে ফেরি চলেছে ২৪১ দিন। ২০২৫ সালে চলেছে মাত্র ৮০ দিন। উদ্বোধনের পর থেকে ২০২৬ সালের ৪ জানুয়ারি পর্যন্ত মোট ৮৩৮ দিনের মধ্যে ৪৩০ দিনই ফেরি বন্ধ ছিল। অর্থাৎ অর্ধেকের বেশি সময় ধরে অচল থেকেছে এই ফেরি সার্ভিস। এতে একদিকে যাত্রী ও পরিবহন খাত ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে, অন্যদিকে সরকার হারাচ্ছে রাজস্ব। লোকসানে পড়ছে বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌ-পরিবহন কর্পোরেশন (বিআইডব্লিউটিসি)। ব্রহ্মপুত্র নদের অতিরিক্ত সিলিটেশন, ডুবো চর এবং উজানের ভাঙনের কারণে দ্রুত নাব্য সংকট দেখা দেয়। উজান থেকে নেমে আসা পলিতে চর জেগে ওঠে, আবার বর্ষা এলেই নদীর গতিপথ বদলে যায়। ফলে বারবার ড্রেজিং করেও স্থায়ী সমাধান মিলছে না।

বিআইডব্লিউটিএ ড্রেজিং বিভাগের উপ-সহকারী প্রকৌশলী কামরুজ্জামান বলেন, ‘চিলমারী-রৌমারী ফেরিপথ প্রায় ২৬ কিলোমিটার দীর্ঘ, যা দেশের সবচেয়ে বড় ফেরিপথ। অতিরিক্ত সিলিটেশনের কারণে এখানে সারাবছর ড্রেজিং প্রয়োজন। কিন্তু স্থানীয়দের বাধার মুখে কয়েক মাস কাজ বন্ধ ছিল। বর্তমানে দুটি সরকারি ড্রেজার দিয়ে সীমিত পরিসরে খনন চলছে।

আহম্মেদুল কবির, কুড়িগ্রাম

নাব্যতা সংকটের কারণে কুড়িগ্রামের চিলমারী-রৌমারী ফেরি সার্ভিস আবারও বন্ধ হয়ে গেছে

বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌ-পরিবহন কর্পোরেশনের চিলমারী ঘাটের ব্যবস্থাপক (বাণিজ্য) প্রফুল্ল চৌহান আজ ১১ জানুয়ারি রবিবার এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, ‘নাব্য সংকটের কারণে ফেরি চলাচল বন্ধ রয়েছে। ডুবো চর ও খনন বন্ধ থাকায় হকের চর এলাকায় ফেরি চলাচলের মুখ সম্পূর্ণ বন্ধ হয়ে গেছে। বর্ষা মৌসুম ছাড়া ফেরি চালুর সম্ভাবনা নেই।’

উল্লেখ্য, উত্তরাঞ্চলের যোগাযোগ ব্যবস্থায় নতুন সম্ভাবনার দুয়ার খুলবে-এমন প্রত্যাশা নিয়ে ২০২৩ সালের ২০ সেপ্টেম্বর উদ্বোধন করা হয়েছিল চিলমারী-রৌমারী ফেরি সার্ভিস। কিন্তু সেই সম্ভাবনাময় নৌরুট এখন দুর্ভোগ, ক্ষতি ও অনিশ্চয়তার প্রতীক হয়ে দাঁড়িয়েছে। নাব্যতা সংকটের অজুহাতে গত বছরের ১৯ নভেম্বর থেকে ফেরি চলাচল বন্ধ থাকায় যাত্রী, চালক, কৃষক ও ব্যবসায়ীরা পড়েছেন চরম বিপাকে। ফেরি বন্ধ থাকায় কুড়িগ্রাম, লালমনিরহাট ও গাইবান্ধা জেলার মানুষ ও পণ্যবাহী যানবাহনকে বিকল্প পথে দীর্ঘ পথ ঘুরে যাতায়াত করতে হচ্ছে।

এতে সময় দ্বিগুণের বেশি লাগছে, বাড়ছে পরিবহন খরচ। কৃষিপণ্য পরিবহন, হাটবাজারের সরবরাহ এবং জরুরি যাতায়াতে এর বিরূপ প্রভাব পড়ছে প্রতিনিয়ত। বিকল্প পথে নৌকা যোগে যাতায়ত করতে গিয়ে বিশেষ করে চিলমারী, রৌমারী ও রাজীবপুর এই ৩ উপজেলার মানুষজন শহরের সাথে যোগাযোগ করতে গিয়ে বিভিন্নভাবে হয়রানির স্বীকার হচ্ছে।

বিআইডব্লিউটিএ চিলমারী ঘাটের লিপিবদ্ধ তথ্য অনুযায়ী, ২০২৩ সালের ২০ সেপ্টেম্বর ফেরি চালু হওয়ার পর ওই বছরের ডিসেম্বর পর্যন্ত ১০৪ দিনের মধ্যে চলেছে ৯৭ দিন। ২০২৪ সালে পুরো বছরে ফেরি চলেছে ২৪১ দিন। ২০২৫ সালে চলেছে মাত্র ৮০ দিন। উদ্বোধনের পর থেকে ২০২৬ সালের ৪ জানুয়ারি পর্যন্ত মোট ৮৩৮ দিনের মধ্যে ৪৩০ দিনই ফেরি বন্ধ ছিল। অর্থাৎ অর্ধেকের বেশি সময় ধরে অচল থেকেছে এই ফেরি সার্ভিস।

এতে একদিকে যাত্রী ও পরিবহন খাত ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে, অন্যদিকে সরকার হারাচ্ছে রাজস্ব। লোকসানে পড়ছে বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌ-পরিবহন কর্পোরেশন (বিআইডব্লিউটিসি)। ব্রহ্মপুত্র নদের অতিরিক্ত সিলিটেশন, ডুবো চর এবং উজানের ভাঙনের কারণে দ্রুত নাব্য সংকট দেখা দেয়। উজান থেকে নেমে আসা পলিতে চর জেগে ওঠে, আবার বর্ষা এলেই নদীর গতিপথ বদলে যায়। ফলে বারবার ড্রেজিং করেও স্থায়ী সমাধান মিলছে না।

বিআইডব্লিউটিএ ড্রেজিং বিভাগের উপ-সহকারী প্রকৌশলী কামরুজ্জামান বলেন, ‘চিলমারী-রৌমারী ফেরিপথ প্রায় ২৬ কিলোমিটার দীর্ঘ, যা দেশের সবচেয়ে বড় ফেরিপথ। অতিরিক্ত সিলিটেশনের কারণে এখানে সারাবছর ড্রেজিং প্রয়োজন। কিন্তু স্থানীয়দের বাধার মুখে কয়েক মাস কাজ বন্ধ ছিল। বর্তমানে দুটি সরকারি ড্রেজার দিয়ে সীমিত পরিসরে খনন চলছে।

পূর্ববর্তী সংবাদপরবর্তী সংবাদ







  সর্বশেষ সংবাদ  
  সর্বাধিক পঠিত  
এই ক্যাটেগরির আরো সংবাদ
সম্পাদক : নাজমুল হক শ্যামল
দৈনিক নতুন সময়, গ্রীন ট্রেড পয়েন্ট, ৭ বীর উত্তম এ কে খন্দকার রোড, মহাখালী বা/এ, ঢাকা ১২১২।
ফোন: ৫৮৩১২৮৮৮, ০১৯৯৪ ৬৬৬০৮৯, ইমেইল: info@notunshomoy.com
সম্পাদক মন্ডলীর সভাপতি: এমদাদ আহমেদ | প্রকাশক : প্রবাসী মাল্টিমিডিয়া কমিউনিকেশন লি.-এর পক্ষে কাজী তোফায়েল আহম্মদ | কপিরাইট © দৈনিক নতুন সময় সর্বসত্ত্ব সংরক্ষিত | Developed By: i2soft
DMCA.com Protection Status