|
সাদ্দাম হোসেন-নরিয়েগার পর তালিকায় মাদুরো
নতুন সময় ডেস্ক
|
![]() সাদ্দাম হোসেন-নরিয়েগার পর তালিকায় মাদুরো যুক্তরাষ্ট্রের দাবি অনুযায়ী, বড় পরিসরের অভিযানে মাদুরো ও তার স্ত্রীকে আটক করে দেশটির বাইরে সরিয়ে নেওয়া হয়েছে। যদিও এই তথ্য এখনও স্বাধীনভাবে নিশ্চিত হয়নি, তবুও ঘটনাটি আন্তর্জাতিক রাজনীতিতে ব্যাপক আলোড়ন তুলেছে। এর আগে, ২০০৩ সালে ইরাকে সামরিক অভিযান চালিয়ে সাদ্দাম হোসেনকে ক্ষমতাচ্যুত করে যুক্তরাষ্ট্র। আর একসময়ের মার্কিন গোয়েন্দা সংস্থা সিআইয়ের চর জেনারেল নরিয়েগার শাসনের (১৯৮৩-১৯৮৯) অবসান ঘটে দেশটিতে ১৯৮৯ সালে যুক্তরাষ্ট্রের অভিযানের পর। দুই ক্ষেত্রেই যুক্তরাষ্ট্র দুর্নীতি, মানবাধিকার লঙ্ঘন ও আন্তর্জাতিক অপরাধের অভিযোগ সামনে আনে। বিশ্লেষকদের মতে, মাদুরোর ক্ষেত্রেও একই ধরনের অভিযোগ—মাদক পাচার, গণতন্ত্র হরণ ও মানবাধিকার লঙ্ঘন—উত্থাপন করে অভিযান চালানোর দাবি করছে ওয়াশিংটন। তবে সমালোচকদের ভাষ্য, এসব ঘটনা লাতিন আমেরিকা ও মধ্যপ্রাচ্যে যুক্তরাষ্ট্রের দীর্ঘদিনের সরাসরি হস্তক্ষেপের ইতিহাসকেই আরও স্পষ্ট করে তুলছে। মাদুরোর অনুপস্থিতিতে এখন ভেনেজুয়েলার ক্ষমতা কার হাতে যাবে এবং দেশটি কোন পথে এগোবে—সেদিকেই তাকিয়ে আন্তর্জাতিক মহল। এমন পরিস্থিতিতে তিনজন প্রভাবশালী ব্যক্তির দিকে তাকিয়ে বিশ্লেষকরা। তারা হলেন—ভেনেজুয়েলার ভাইস প্রেসিডেন্ট ডেলসি রদ্রিগেজ, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী দিয়োসদাদো কাবেলো এবং প্রতিরক্ষামন্ত্রী ভ্লাদিমির প্যাডরিনো লোপেজ। হামলার কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই এই তিনজনই রাষ্ট্রীয় টেলিভিশনে উপস্থিত হন, যা নেতৃত্বে আসার ইঙ্গিত হিসেবেও দেখা হচ্ছে। প্যাডরিনো ও কাবেলোর সামরিক বাহিনীর ভেতরে শক্ত অবস্থান রয়েছে। সেনাবাহিনীর আনুগত্য কার দিকে যাবে, সেটাই নির্ধারণ করবে পরবর্তী ক্ষমতার ভারসাম্য। বিশেষজ্ঞদের মতে, সামরিক বাহিনীর ভূমিকা এখানে হবে সবচেয়ে 'গুরুত্বপূর্ণ'। অন্যদিকে, ডেলসি রদ্রিগেজের প্রভাব মূলত বেসামরিক প্রশাসন ও অর্থনীতিতে। তবে, সামরিক বাহিনীর ভেতরে তার সরাসরি প্রভাব তুলনামূলক কম। আরেকটি বড় অনিশ্চয়তা বিরোধী শিবিরকে ঘিরে। ২০২৪ সালের জুলাইয়ের নির্বাচনে জয় দাবি করা বিরোধী নেত্রী মারিয়া কোরিনা মাচাদোর নেতৃত্বাধীন জোট ইতোমধ্যেই প্রকৃত রাজনৈতিক পরিবর্তনের দাবি তুলেছে। কেবল মাদুরোর অপসারণেই তারা সন্তুষ্ট নাও হতে পারে। |
| পূর্ববর্তী সংবাদ | পরবর্তী সংবাদ |
