ই-পেপার সোমবার ১৪ নভেম্বর ২০২২
ই-পেপার |  সদস্য হোন |  পডকাস্ট |  গুগলী |  ডিসকাউন্ট শপ
সোমবার ২৭ এপ্রিল ২০২৬ ১৩ বৈশাখ ১৪৩৩
প্রার্থীদের সামনে পোস্টারের বিকল্প কী? নিয়ম না মানলে কী শাস্তি?
নতুন সময় প্রতিবেদক
প্রকাশ: Thursday, 18 December, 2025, 12:37 PM

প্রার্থীদের সামনে পোস্টারের বিকল্প কী? নিয়ম না মানলে কী শাস্তি?

প্রার্থীদের সামনে পোস্টারের বিকল্প কী? নিয়ম না মানলে কী শাস্তি?

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের প্রচারণায় পোস্টারে নিষেধাজ্ঞা ভাবিয়ে তুলেছে প্রার্থীদের। এতদিন ধরে চলে আসা প্রচারের প্রধান এ উপকরণের বিকল্প তাহলে কী?

সম্ভাব্য প্রার্থীদের সেই আলোচনার মধ্যে জানা যাচ্ছে এবার প্রচারে সাদা কালো রঙের ব্যানার, লিফলেট, হ্যান্ডবিল ও ফেস্টুন ব্যবহার করতে পারবেন। তবে এগুলো নির্ধারিত মাপের মধ্যে হতে হবে।

একই সঙ্গে রেক্সিন, পলিথিন, প্লাস্টিকের মত অপচনশীল উপাদানে কোনো প্রচারপত্র করা যাবে না। পরিবেশবান্ধব ব্যানার টানিয়ে রাখা যাবে, তিনটি লাউড স্পিকার ব্যবহার করতে পারবেন একজন প্রার্থী। বিলবোর্ড স্থাপনের ক্ষেত্রে পরিবেশের ক্ষতি বা জনসাধারণ ও জান চলাচলে বিঘ্ন ঘটার বিষয়টি মাথায় রাখার তাগিদ দেওয়া হয়েছে।

প্রার্থীর প্রচার দলের প্রচারের টুকিটাকি এসব বিষয় মাথায় রাখার পাশাপাশি আসনভিত্তিক ব্যয়সীমার মধ্যে নির্ধারিত খরচ সামলাতে হবে। আর প্রার্থীকে তাদের আয়ের উৎস দেখাতে হবে। তেমনি ভোটের ফল গেজেটে প্রকাশের এক মাসের মধ্যে ব্যয় বিবরণীও জমা দিতে হবে।

ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচন ও গণভোটের দিন ১২ ফেব্রুয়ারি রেখে তফসিল ঘোষণা করা হয়েছে। এতে প্রচারের সময়সীমাও ঠিক করে দেওয়া হয়েছে। ২২ জানুয়ারি থেকে ১০ ফেব্রুয়ারি সকাল সাড়ে ৭টা পর্যন্ত প্রচারণার সুযোগ রয়েছে।

তফসিলের পর প্রার্থীদের সম্ভাব্য নির্বাচনি ব্যয় মেটাতে তহবিলের সম্ভাব্য উৎসের বিবরণী দাখিল, প্রার্থীর নির্বাচনি ব্যয় ও ব্যয় সম্পর্কিত বাধা নিষেধ, লিফলেট বা হ্যান্ডবিল, পোস্টার, ব্যানার ও বিলবোর্ড ব্যবহারের বাধা নিষেধ তুলে ধরে পরিপত্র জারি করা হয়েছে।

পাশাপাশি সম্ভাব্য তহবিলের উৎস দাখিল না করার অপরাধে শান্তি এবং নিষিদ্ধ কার্যক্রম প্রতিরোধের জন্য ব্যবস্থা নেওয়ার বিষয়ে রিটার্নিং ও সহকারী রিটার্নিং অফিসারকে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

জানাতে হবে অর্থের উৎস

মনোনয়নপত্রের সঙ্গে নির্বাচনি ব্যয় নির্বাহের জন্য তহবিলের সম্ভাব্য উৎসের বিবরণী রিটার্নিং অফিসারের কাছে জমা দিতে হবে।

এ বিবরণীতে যা থাকতে হবে-

>> নিজ আয় হতে যে অর্থের সংস্থান করা হবে এবং এ আয়ের উৎস;

>> নিজ আত্মীয়-স্বজনের (স্বামী, স্ত্রী, পিতা, মাতা, পুত্র, কন্যা, ভাই এবং বোন) কাছ থেকে ঋণ গ্রহণ করা বা তাদের স্বেচ্ছায় প্রদত্ত দান বাবদ প্রাপ্য সম্ভাব্য অর্থ এবং তাদের আয়ের উৎস;

>> কোনো ব্যক্তির নিকট হতে ঋণ গ্রহণ করা বা স্বেচ্ছায় প্রদত্ত দান বাবদ প্রাপ্ত অর্থ:

>> কোনো প্রতিষ্ঠান, রাজনৈতিক দল অথবা অন্য কোনো সংস্থা হতে স্বেচ্ছা প্রদত্ত দান বাবদ প্রাপ্য সম্ভাব্য অর্থ:

>> অন্য কোনো উৎস্য হতে প্রাপ্য সম্ভাব্য অর্থ।

প্রার্থীর সম্পদ ও দায়

তহবিলের সম্ভাব্য উৎসের বিবরণীর সঙ্গে প্রার্থীকে তার সম্পদ ও দায় এর বিবরণী এবং তার বার্ষিক আয় ও ব্যয়ের বিবরণী নির্ধারিত ফরমে এ মনোনয়নপত্রের সঙ্গে সংযুক্ত করে দাখিল করতে হবে। একই সঙ্গে সবশেষ জমা দেওয়া আয়কর রিটার্নের অনুলিপিও সংযুক্ত করতে হবে।

>> বিবরণী এবং রিটার্নের অনুলিপি রেজিস্টার্ড ডাকযোগে নির্বাচন কমিশনেও পাঠাতে হবে।

>> এসব উৎস ব্যতিরেকে অন্য কোনো উৎস থেকে অর্থ প্রাপ্ত হলে সেক্ষেত্রে প্রার্থীকে নির্বাচনি রিটার্নের সঙ্গ পাওয়া সেসব অর্থ এবং যে উৎস থেকে অর্থ প্রাপ্ত হয়েছেন তা উল্লেখ করে একটি সম্পূরক বিবরণী একই পদ্ধতিতে জমা দিতে হবে।

ব্যয় কত?

কোনো প্রার্থীর নির্বাচনি ব্যয়ের পরিমাণ, ব্যক্তিগত খরচ, রাজনৈতিক দলের খরচ, অর্থ ব্যয়ের ধরন ও প্রক্রিয়া সম্পর্কে বিভিন্ন বিধান রয়েছে।

>> আরপিও নির্ধারিত অর্থের সীমার অতিরিক্ত কোনো অর্থ কোনো প্রার্থীর নির্বাচনি এজেন্ট ব্যতীত, অন্য কোনো ব্যক্তি কোনো নির্বাচনি ব্যয় নির্বাহ করিতে পারবেন না।

>> নির্বাচনি এজেন্টের মাধ্যমে লিখিতভাবে ক্ষমতাপ্রাপ্ত হইলে কোনো ব্যক্তি লিখিতভাবে নির্ধারিত সর্বোচ্চ পরিমাণ অর্থ মনোহারী সরঞ্জাম, ডাকমাশুল, টেলিগ্রাফ ও অন্যান্য খুচরা ব্যয় নির্বাহের জন্য ব্যয় করতে পারবেন।

>> কোনো প্রার্থীর নির্বাচনি ব্যয় তাকে মনোনয়ন দেওয়া রাজনৈতিক দলের দেওয়া ব্যয়সহ ভোটার প্রতি ১০ টাকা হারে ব্যয় করতে পারবে।

>> আড়াই লাখ বা তার চেয়ে কম ভোটারের আসনে প্রার্থীর ব্যয় ২৫ লাখ টাকা আর আড়াই লাখের বেশি ভোটারেরর আসনের প্রার্থীরা ভোটার সংখ্যা অনুপাতে ব্যয়সীমা রয়েছে। নির্ধারিত ব্যয়ের বেশি করার সুযোগ নেই।

তফসিলের আগেই পোস্টার আর নির্বাচনি প্রচার সামগ্রী দেখা গেছে রাজধানী জুড়েই। তফসিলের ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে নির্বাচন কমিশন ভোটের প্রচার সামগ্রী সরাতে বললেও তা মানছেন না অনেক প্রার্থীই।

যে কাজে ব্যয়ে মানা

>> পোস্টার ছাপানো

>> কমিশন নির্ধারিত বা নির্দিষ্ট করা আকারের চেয়ে বড় আকারের অথবা একাধিক রঙের ব্যানার, লিফলেট, হ্যান্ডবিল ছাপানো;

>> ৪০০ বর্গফুট এর অধিক স্থান নিয়ে কোনো প্যান্ডেল স্থাপন;

>> কোনো নির্বাচনি এলাকায় একই সময়ে সাধারণ প্রচারে তিন অধিক মাইক্রোফোন বা লাউড স্পিকার ব্যবহার:

>> ভোটগ্রহণের দিনের তিন সপ্তাহের পূর্ববর্তী যেকোন সময়ে যেকোন উপায়ে কোনো প্রকার নির্বাচনি প্রচারণামূলক কার্যক্রম গ্রহণ;

>> কোনো নির্বাচনি এলাকার প্রতিটি ইউনিয়নে বা প্রতিটি পৌরসভা বা সিটি করপোরেশন এলাকার প্রতি ওয়ার্ডে একাধিক নির্বাচনি ক্যাম্প বা অফিস স্থাপন; অথবা নির্বাচনি এলাকায় একাধিক কেন্দ্রীয় নির্বাচনি ক্যাম্প বা অফিস স্থাপন;

>> ভোটারদের কোনো প্রকারের আপ্যায়ন করা;

>> শোভাযাত্রা বা মিছিলের জন্য স্থলযান বা জলযান যথা- ট্রাক, বাস, কার, ট্যাক্সি, মোটরসাইকেল ও স্পিডবোট ব্যবহার;

>> কোনো ভোটকেন্দ্রে বা ভোটকেন্দ্র হতে ভোটারদের আনা নেওয়ার জন্য কোনো ধরনের যানবাহন বা জলযান ভাড়া করা বা ব্যবহার করা;

>> বিদ্যুৎয়ের সাহায্যে যেকোন রকম আলোকসজ্জা করা;

>> নির্বাচন কমিশন নির্ধারিত আকারের চেয়ে বড় আকারের প্রতীক বা প্রতিকৃতি প্রদর্শন;

>> নির্বাচনি প্রচারাভিযানের উদ্দেশে কোনো কালি বা রং বা তুলি বা যেকোন কিছুর দ্বারা কোনো লেখা বা এ জাতীয় কোনো লেখা বা বিজ্ঞাপন ব্যবহার;

>> নির্বাচনি প্রচারণার ক্ষেত্রে প্রতীক হিসেবে জীবন্ত প্রাণি ব্যবহার;

>> ভোটগ্রহণের দিন নির্বাচনি ছাউনি স্থাপন।

কী ব্যবহার করা যাবে

প্রচারণায় কোনো নিবন্ধিত রাজনৈতিক দল কিংবা মনোনীত প্রার্থী বা স্বতন্ত্র প্রার্থী কিংবা তাহাদের পক্ষে অন্য কোনো ব্যক্তি নিম্নলিখিত কার্যক্রম করতে পারবেন না

>> কোন প্রকার পোস্টার ব্যবহার করা যাবে না;

>> অপচনশীল দ্রব্য (যেমন-রেক্সিন, পলিথিন, প্লাস্টিক তথা পরিবেশের জন্য ক্ষতিকর এরূপ কোন উপাদানে তৈরি কোন প্রচারপত্র, লিফলেট বা হ্যান্ডবিল, ফেস্টুন ও ব্যানার) ব্যবহার করা যাবে না;

>> কোনো প্রার্থী কিংবা তাহার পক্ষে অন্যকোন ব্যক্তি সংশ্লিষ্ট নির্বাচনি এলাকায় অবস্থিত কোনো দালান, দেওয়াল, গাছ, বেড়া, বিদ্যুৎ ও টেলিফোনের খুঁটি, সরকারি বা স্থানীয় কর্তৃপক্ষের স্থাপনা এবং বাস, ট্রাক, ট্রেন, স্টিমার, লঞ্চ, রিক্সা, অটোরিক্সা, লেগুনা, ট্যাক্সি, বেবিটেক্সি বা অন্য কোন যানবাহনে কোনো প্রকার লিফলেট বা হ্যান্ডবিল, ফেস্টুন সাঁটাতে পারবে না।

>> কোনো প্রার্থীর ফেস্টুন, ব্যানার, বিলবোর্ড ইত্যাদির উপর অন্য কোনো প্রার্থীর ফেস্টুন, ব্যানার, বিলবোর্ড টাঙ্গানো বা লাগানো যাবে না এবং এ ফেস্টুন, ব্যানার ও বিলবোর্ডের কোনো প্রকার ক্ষতিসাধন তথ্য বিকৃতি বা বিনষ্ট করা যাবে না:

>> ইলেকট্রনিক ও ডিজিটাল মাধ্যম ব্যতীত নির্বাচনি প্রচারণায় ব্যবহৃতব্য ব্যানার, লিফলেট বা হ্যান্ডবিল ও ফেস্টুন সাদা-কালো রঙের হবে। বিলবোর্ড অনধিক ১৬ × ৯ ফুট, ব্যানার আয়তনে অনধিক ১০ × ৪ ফুট, লিফলেট বা হ্যান্ডবিল আয়তনে অনধিক ৮.২৭ × ১১.৬৯ ইঞ্চি) এবং ফেস্টুন আয়তনে অনধিক ১৮ × ২৪ ইঞ্চি হবে।

>> ব্যানার, লিফলেট বা হ্যান্ডবিল ও ফেস্টুনে প্রতীক ও নিজের ছবি ব্যতীত অন্য কোনো ব্যক্তির ছবি বা প্রতীক ছাপাতে পারবে না;

>> কোনো প্রার্থী কোনো নিবন্ধিত রাজনৈতিক দলের মনোনীত হলে, সেইক্ষেত্রে তিনি কেবল তাহার বর্তমান দলীয় প্রধানের ছবি ব্যানার, লিফলেট বা হ্যান্ডবিল ও ফেস্টুনে ছাপাতে পারবেন। এ ছবি পোট্রেট আকারে হতে হবে এবং তা কোনো অনুষ্ঠান ও জনসভায় নেতৃত্বদান বা প্রার্থনারত অবস্থা বা ভঙ্গিমায় ছাপানো যাবে না;

>> নির্বাচনি প্রচারণায় ব্যবহৃতব্য সাধারণ ছবির আয়তন ৬০ × ৪৫ সেন্টিমিটারের বেশি হতে পারবে না;

>> কোনো প্রার্থীর নির্বাচনি প্রতীকের আকার দৈর্ঘ্য, প্রন্থ বা উচ্চতা ৩ মিটারের বেশি হতে পারবে না;

>> মুদ্রণকারী প্রতিষ্ঠানের নাম, ঠিকানা ও মুদ্রণের তারিখবিহীন কোনো ব্যানার, লিফলেট বা হ্যান্ডবিল ও ফেস্টুন ব্যবহার করা যাবে না;

>> ব্যানার, লিফলেট বা হ্যান্ডবিল ও ফেস্টুনে পলিথিনের আবরণ এবং প্লান্টিক (পিভিসি) ব্যানার ব্যবহার করা যাবে না।

নিয়ম না মানলে কী হবে

আরপিও মেনে প্রার্থীর জমা দেওয়া বিবরণী বা সম্পূরক বিবরণীতে দেওয়া উৎসের বাইরে অন্য কোনো উৎস থেকে নির্বাচনি ব্যয় করা শাস্তিযোগ্য অপরাধ।

>> নির্বাচনি এজেন্ট ব্যতীত অন্য কারও মাধ্যমে অর্থ খরচ, নির্বাচনি ব্যয়ের জন্য নির্ধারিত সীমা অতিক্রম ইত্যাদি বিধান লংঘন করলে শাস্তিযোগ্য অপরাধ সংগঠিত হবে।

>> কোন বিধান লংঘনপূর্বক ব্যবহৃত কোনো অর্থ সংশ্লিষ্ট প্রার্থী নির্ধারিত পরিমাণের অধিক নির্বাচনি খরচ বলে গণ্য হবে এবং আরপিও এর লংঘন বলে গণ্য হবে।

>> নির্বাচনি ব্যয় নির্বাহের জন্য সম্ভাব্য উৎসের বিবরণী মনোনয়নপত্রের সঙ্গে দাখিল না করলে অথবা নির্বাচনি ব্যয়ের রিটার্ন ফলাফল প্রকাশের ৩০ দিনের মধ্যে না করলে বা এ সংক্রান্ত নিয়মাবলী পরিপালন না করলে শাস্তিযোগ্য অপরাধ হবে।

>> নির্বাচনি এজেন্ট ছাড়া অন্য কারও মাধ্যমে অর্থ খরচ করা, নির্বাচনি ব্যয়ের সীমা অতিক্রম বা কতিপয় নিষিদ্ধ কার্যক্রম গ্রহণ করলে অন্যূন দুই বছর ও অনধিক সাত বছরের কারাদণ্ড এবং অর্থ দণ্ডও হতে পারে।

>> নির্বাচনি ব্যয় নির্বাহের লক্ষ্যে সম্ভাব্য উৎসের বিবরণী ও ব্যয়ের রিটার্ন দাখিল না করলে অথবা এ সংক্রান্ত বিধি-বিধান পরিপালন না করলে দুর্নীতিমূলক অপরাধ বলে গণ্য হবে এবং এর জন্য অন্যূন দুই বছর ও অনধিক সাত বছরের কারাদণ্ড এবং অর্থ দন্ড হতে পারে।

পূর্ববর্তী সংবাদপরবর্তী সংবাদ







  সর্বশেষ সংবাদ  
  সর্বাধিক পঠিত  
এই ক্যাটেগরির আরো সংবাদ
সম্পাদক : নাজমুল হক শ্যামল
দৈনিক নতুন সময়, গ্রীন ট্রেড পয়েন্ট, ৭ বীর উত্তম এ কে খন্দকার রোড, মহাখালী বা/এ, ঢাকা ১২১২।
ফোন: ৫৮৩১২৮৮৮, ০১৯৯৪ ৬৬৬০৮৯, ইমেইল: info@notunshomoy.com
সম্পাদক মন্ডলীর সভাপতি: এমদাদ আহমেদ | প্রকাশক : প্রবাসী মাল্টিমিডিয়া কমিউনিকেশন লি.-এর পক্ষে কাজী তোফায়েল আহম্মদ | কপিরাইট © দৈনিক নতুন সময় সর্বসত্ত্ব সংরক্ষিত | Developed By: i2soft
DMCA.com Protection Status