|
গ্রেপ্তারের কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই মুক্ত বায়রার ফখরুল!
নতুন সময় প্রতিবেদক
|
![]() গ্রেপ্তারের কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই মুক্ত বায়রার ফখরুল! থানা পুলিশ জানিয়েছে, গ্রেপ্তার পর তাকে বনানী থানায় হস্তান্তর করা হয় এবং পরবর্তীকালে আইনজীবীর জিম্মায় তাকে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে। তবে, বায়রার একাধিক সদস্য এবং সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা অভিযোগ করেছেন, মোটা অঙ্কের অর্থ ও প্রভাবশালী মহলের চাপ প্রয়োগের কারণে তাকে আদালতের মাধ্যমে প্রক্রিয়া না করে তড়িঘড়ি করে থানা থেকে মুক্তি দেওয়া হয়েছে। যদিও পুলিশ এই অভিযোগ কঠোরভাবে অস্বীকার করে বলছে, সমস্ত প্রক্রিয়া আইন মেনেই সম্পন্ন করা হয়েছে। পুলিশের একজন কর্মকর্তা নাম প্রকাশ না করার শর্তে জানান, ‘আইননুযায়ী তাকে থানা থেকে ছেড়ে দেওয়া হলেও, কিছুটা চাপ তো ছিলোই। তার আইনজীবীর জিম্মায় তাকে হস্তান্তর করা হয়।’জানা গেছে, বায়রার সাবেক নেতা ফখরুল ইসলাম এবং তার সহযোগী জসিম উদ্দিনের বিরুদ্ধে মানবপাচার ও অর্থ আত্মসাতের অভিযোগে মঙ্গলবার রাজধানীর বনানী থানায় মামলাটি দায়ের করা হয়। আরইউএল ইন্টারন্যাশনালের ম্যানেজিং পার্টনার মো. রুবেল হোসেন এই মামলাটি করেছেন, যেখানে প্রায় ৩ কোটি ২ লাখ ৫০ হাজার টাকা আত্মসাতের অভিযোগ আনা হয়েছে। এজহারে বাদী রুবেল হোসেন উল্লেখ করেন, ফখরুল ইসলাম ও জসিম উদ্দিন তাকে মালয়েশিয়ার নিউ ভিশন গ্রীন ল্যান্ড এসএনডি, চাই চাং ফুড ইন্ডাস্ট্রি এসএনডি-সহ ভালো ভালো কোম্পানিতে শ্রমিক পাঠানোর মিথ্যা আশ্বাস দেন। মৌখিক চুক্তি অনুযায়ী, ২০২৩ সালের ২৭ মে ৫৫ জন কর্মী মালয়েশিয়ায় প্রেরণের জন্য কর্মীপ্রতি ৫ লাখ ৫০ হাজার টাকা করে নগদ মোট ৩ কোটি ২ লাখ ৫০ হাজার টাকা তিনি আসামিদের হাতে তুলে দেন। এরপর আসামিরা মোট ২৮ জন কর্মীকে মালয়েশিয়ায় পাঠালেও, চুক্তি মোতাবেক কোম্পানিতে কাজ না দিয়ে তাদেরকে অন্য জায়গায় নিয়ে আটকে রাখে, ভয়ভীতি দেখিয়ে নির্যাতন করে এবং পুনরায় টাকা দাবি করে। বাদীর চাপের মুখে শ্রমিকদের ছেড়ে দিতে বাধ্য হলেও, আসামীরা কাজের ব্যবস্থা করে দিতে পারেনি। এজহারে আরও বলা হয়, বর্তমানে আসামিদের কাছে বাদীর পাঠানো ২৮ জন কর্মীর সমস্যা সমাধান বা তাদের দেশে ফেরত আনার খরচ বাবদ এবং অন্যদের জন্য জমা দেওয়া আরও ১ কোটি ৪৮ লাখ ৫০ হাজার টাকা পাওনা রয়েছে। আসামীরা সেই টাকা ফেরত না দিয়ে হুমকি-ধমকি দিচ্ছে। ফখরুল ইসলামের বিরুদ্ধে আগেও প্রতারণা ও মানবপাচার আইনে মামলা হয়েছিল এবং তিনি আইনের ফাঁকফোকর দিয়ে পার পেয়েছেন বলে জানা গেছে। এ বিষয়ে বনানী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রাসেল সরোয়ারের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাকে ফোনে পাওয়া যায়নি।
|
| পূর্ববর্তী সংবাদ | পরবর্তী সংবাদ |
