|
আওয়ামী লীগের লকডাউনের পাল্টায় অবস্থান কর্মসূচি জুলাই ঐক্যের
নতুন সময় প্রতিবেদক
|
![]() আওয়ামী লীগের লকডাউনের পাল্টায় অবস্থান কর্মসূচি জুলাই ঐক্যের মঙ্গলবার ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের মধুর ক্যান্টিনে সংবাদ সম্মেলন করে এ কর্মসূচি ঘোষণা করা হয়। ‘জুলাই ঐক্য’র মুখ্য সংগঠক মোসাদ্দেক ইবনে আলী মোহাম্মদ বলেন, প্রশাসনের ‘বিতর্কিত’ ভূমিকা ও চলমান ‘নৈরাজ্যের’ প্রতিবাদে আগামী ১৩ নভেম্বর দেশের গুরুত্বপূর্ণ স্থানে অবস্থান কর্মসূচি পালন করবেন তারা। এছাড়া শেখ হাসিনার মৃত্যুদণ্ড এবং ‘জুলাই সনদ’ বাস্তবায়নের দাবিতে বুধবার ঢাকা, চট্টগ্রাম, বরিশাল ও সিলেটে বিক্ষোভ মিছিল কর্মসূচি ঘোষণা করেন তিনি। জুলাই অভ্যুত্থান দমাতে মানবতাবিরোধী অপরাধের অভিযোগে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে শেখ হাসিনার বিচারের রায় ঘনিয়ে আসায় ১০ থেকে ১৩ নভেম্বর বিক্ষোভের কর্মসূচি দিয়েছে কার্যক্রম নিষিদ্ধ থাকা আওয়ামী লীগ। দলটি ১৩ নভেম্বর ‘ঢাকা লকডাউন’ কর্মসূচি দিয়েছে। মোসাদ্দেক বলেন, “আমাদের আজকে আলাপ করার কথা—জুলাই অভ্যুত্থানের একবছর পরে কতটুকু সংস্কার হল? অথচ এখনো আমাদেরকে খুনি, জঙ্গি সংগঠন আওয়ামী লীগকে নিয়ে আলোচনা করতে হচ্ছে। ১৪০০ মানুষের জীবন দিয়ে অন্তর্বর্তী সরকারকে দায়িত্ব এ কারণে ম্যান্ডেট দেয়া হয়েছিল তারা যেন আওয়ামী লীগের বিচার করবে। তার খুনি বাহিনীর বিচার করবে। “সেখানে অন্তর্বর্তীকালীন সরকার সুশীল হয়ে আওয়ামী লীগকে সুবিধা দিয়েছে। তার বিপ্লবের চেতনা থেকে চ্যুত হয়েছে। তারা কারো বিচার করে নাই, বরং তারা পালিয়ে যেতে সুযোগ করে দিয়েছে।” বিএনপির সমালোচনা করে মোসাদ্দেক বলেন, বিএনপি ২০২৩ সালে তাদের অসহযোগ আন্দোলন শুরু করেছিল। সেই আন্দোলনে তাদের কর্মীরা ও দেশের জনগণ কেউ নামে নাই। তারা গত বছরের ৫ অগাস্টের পরও তাদের সেই অসহযোগ আন্দোলন চালিয়ে গেছে। এ সরকার কোনো সংস্কার করে নাই। আর যা সংস্কারের সিদ্ধান্ত হয়েছে, তার ন্যূনতম ছিটেফোঁটাও বিএনপির মনে নাই। মোসাদ্দেক বলেন, জুলাই সনদ অবিলম্বে বাস্তবায়িত হতে হবে। আর তার ভিত্তিতে নির্বাচন হতে হবে। “জুলাই সনদ নিয়ে কোনো কম্প্রোমাইজের সুযোগ নাই। জুলাই সনদ গণভোটের মাধ্যমে বাস্তবায়িত হতে হবে।” |
| পূর্ববর্তী সংবাদ | পরবর্তী সংবাদ |
