|
কেন থাইরয়েডে নারীরা বেশি ভোগেন?
নতুন সময় ডেস্ক
|
![]() কেন থাইরয়েডে নারীরা বেশি ভোগেন? এর পেছনে কারণ কী? মূল কারণ হলো— হরমোনের তারতম্য। মহিলাদের শরীরে ইস্ট্রোজেন ও প্রোজেস্টেরনের মতো প্রজনন হরমোনের ওঠানামা সরাসরি থাইরয়েড গ্রন্থিকে প্রভাবিত করে। বিশেষ করে, ইস্ট্রোজেন হরমোনের মাত্রা বেড়ে গেলে থাইরয়েড হরমোনের কার্যকারিতা কমে যায়, যার ফলে থাইরয়েডের সমস্যার সূত্রপাত হয়। থাইরয়েড কিভাবে কাজ করে? গলার সামনের দিকে অবস্থিত থাইরয়েড গ্রন্থি থেকে নিঃসৃত টি-থ্রি ও টি-ফোর হরমোন শরীরের নানা গুরুত্বপূর্ণ প্রক্রিয়া নিয়ন্ত্রণ করে, যেমন— বিপাকক্রিয়া, শরীরের বৃদ্ধি ও গঠন, বুদ্ধির বিকাশ, হৃদস্পন্দন, ঋতুচক্র ও গর্ভধারণ। এই হরমোনগুলোর মাত্রা যদি খুব বেশি বেড়ে যায় বা খুব কমে যায়, তখনই থাইরয়েডের সমস্যা তৈরি হয়। যখন হরমোনের মাত্রা কমে যায়, তখন তাকে বলা হয় হাইপোথাইরয়েডিজম। আর যদি সময়মতো এর চিকিৎসা না হয়, তাহলে শরীরের সামগ্রিক হরমোনের ভারসাম্য নষ্ট হয়ে যায়, যার ফলে অন্য রোগেরও ঝুঁকি বেড়ে যায়। থাইরয়েডের প্রভাব কতটা ভয়াবহ হতে পারে? থাইরয়েড হরমোন শুধু বিপাক নয়, হৃদযন্ত্রের কার্যক্রমও প্রভাবিত করে। এই হরমোন ঠিক করে দেয়, হৃদস্পন্দনের গতি কতটা হবে। ফলে, থাইরয়েডের সমস্যার সঠিক চিকিৎসা না হলে হার্টের সমস্যাও দেখা দিতে পারে। কিভাবে নিয়ন্ত্রণে রাখা সম্ভব? থাইরয়েডের সমস্যা থাকলে জীবনযাত্রায় কিছু পরিবর্তন আনতে হয়। যেমন : সুষম খাদ্য গ্রহণনিয়মিত শরীরচর্চাযথাসময়ে ওষুধ গ্রহণমানসিক চাপ নিয়ন্ত্রণ থাইরয়েড হরমোনের ভারসাম্য ঠিক রাখতে হলে অবশ্যই নিয়মিত চিকিৎসকের পরামর্শ ও রক্তপরীক্ষা করা জরুরি। কারণ একবার ভারসাম্য হারালে, শরীরের সামগ্রিক সুস্থতাই বিঘ্নিত হতে পারে। |
| পূর্ববর্তী সংবাদ | পরবর্তী সংবাদ |
