|
উচ্চপর্যায়ের সম্মেলনকে সামনে রেখে প্রত্যাবাসনের রোডম্যাপ চেয়ে রোহিঙ্গাদের সমাবেশ
রফিক মাহমুদ, উখিয়া
|
![]() উচ্চপর্যায়ের সম্মেলনকে সামনে রেখে প্রত্যাবাসনের রোডম্যাপ চেয়ে রোহিঙ্গাদের সমাবেশ শনিবার (২৭ সেপ্টেম্বর) সকালে পালংখালী ইউনিয়নের ১৩ নম্বর রোহিঙ্গা ক্যাম্পের খেলার মাঠে 'আওয়ার ফিউচার, আওয়ার ভয়েস—মেসেজ এহ্যাড অফ দ্য ইউএন কনফারেন্স অন রোহিঙ্গা' শিরোনামে রোহিঙ্গা সিভিল সোসাইটির উদ্যোগে এ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়। এতে বিভিন্ন ক্যাম্প থেকে আসা হাজারো রোহিঙ্গা অংশ নেন। ![]() উচ্চপর্যায়ের সম্মেলনকে সামনে রেখে প্রত্যাবাসনের রোডম্যাপ চেয়ে রোহিঙ্গাদের সমাবেশ রোহিঙ্গা নেতা মৌলভি সৈয়দ উল্লাহ বলেন, “আমরা আর শুধু প্রতিশ্রুতি শুনতে চাই না। আমাদের প্রকৃত চাওয়া হলো—নিরাপত্তা নিশ্চয়তার মধ্য দিয়ে নিজ দেশে ফেরার সুযোগ। আমরা নাগরিক অধিকার চাই, মর্যাদা নিয়ে বাঁচতে চাই।” মোহাম্মদ শোয়াইব বলেন, “রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনকে ঘিরে যে উদ্যোগ নেয়া হচ্ছে সেখানে আমাদের সরাসরি অংশগ্রহণ নিশ্চিত করতে হবে।” ![]() উচ্চপর্যায়ের সম্মেলনকে সামনে রেখে প্রত্যাবাসনের রোডম্যাপ চেয়ে রোহিঙ্গাদের সমাবেশ রোহিঙ্গা নেত্রী সাজেদা বেগম বলেন, “আমাদের সন্তানদের ভবিষ্যতের নিরাপত্তা চাই। মর্যাদা ছাড়া প্রত্যাবর্তন আমাদের জন্য গ্রহণযোগ্য নয়।” অধিকারকর্মী খিং মং বলেন, “আমাদের প্রজন্ম শিক্ষা ও কর্মসংস্থানের সুযোগ থেকে বঞ্চিত হচ্ছে। দ্রুত সমাধান না এলে সংকট ভয়াবহ হবে।” ![]() উচ্চপর্যায়ের সম্মেলনকে সামনে রেখে প্রত্যাবাসনের রোডম্যাপ চেয়ে রোহিঙ্গাদের সমাবেশ তিন দফা দাবি: সমাবেশ থেকে রোহিঙ্গা নেতারা তিনটি মূল দাবি উত্থাপন করেন— ১. পূর্বপুরুষের ভূমি আরাকানে প্রত্যাবাসনের জন্য সময়সীমাবদ্ধ পরিকল্পনা প্রণয়ন। ২. নিরাপদ ও মর্যাদাপূর্ণ প্রত্যাবর্তন নিশ্চিত করতে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের পূর্ণ কূটনৈতিক সমর্থন। ৩. মিয়ানমারের সেনাবাহিনী ও আরাকান আর্মীর গণহত্যার যথাযথ বিচার ও ন্যায়বিচারের নিশ্চয়তা। এর আগে শুক্রবার (২৬ সেপ্টেম্বর) জাতিসংঘের সাধারণ অধিবেশনে দেওয়া বক্তব্যে প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস বলেন, “রাখাইনে স্থিতিশীলতা আনতে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের যে কোনো যৌথ প্রচেষ্টায় সহযোগিতা দিতে বাংলাদেশ প্রস্তুত।” তিনি আশা প্রকাশ করেন, ৩০ সেপ্টেম্বরের উচ্চপর্যায়ের সম্মেলন বিশ্বব্যাপী দৃঢ় সংকল্প তৈরি করবে এবং রোহিঙ্গাদের জন্য বাস্তবসম্মত সহায়তা নিশ্চিত করবে, যেখানে তহবিল সংগ্রহ সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার পাবে। ২০১৭ সালের আগস্টে রাখাইনে ভয়াবহ গণহত্যার পর প্রায় সাড়ে ৭ লাখ রোহিঙ্গা বাংলাদেশে আশ্রয় নেয়। গত দুই বছরে আরও দেড় লাখ রোহিঙ্গা সীমান্ত অতিক্রম করেছে। বর্তমানে কক্সবাজারের উখিয়া-টেকনাফ ও ভাসানচরে ১৩ লাখের বেশি রোহিঙ্গা বসবাস করছে। তারা বছরের পর বছর ধরে ন্যায়বিচার, নিরাপদ ও সম্মানজনক প্রত্যাবাসনের দাবি জানিয়ে আসছে। |
| পূর্ববর্তী সংবাদ | পরবর্তী সংবাদ |
নাঙ্গলকোটে মধ্য বয়সী এক লম্পটের বিরুদ্ধে মাদ্রাসার শিশু শিক্ষার্থীকে বলাৎকারের অভিযোগ
আলফাডাঙ্গায় ২৮ জুন ভিটামিন এ প্লাস ক্যাম্পেইন: সফল করতে প্রস্তুতি সভা সম্পন্ন
স্মার্টফোন বিস্ফোরণে আতঙ্ক, টঙ্গীতে ভিভো ফোনে অল্পের জন্য রক্ষা পেল পরিবার
সেনাবাহিনীর উদ্যোগে পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম ও বর্জ্য ব্যবস্থাপনা বিষয়ে মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত
