|
স্ত্রী বেশি আয় করে বলেই কি সংসারে দ্বন্দ্ব? সমাধান কী?
নতুন সময় ডেস্ক
|
![]() স্ত্রী বেশি আয় করে বলেই কি সংসারে দ্বন্দ্ব? সমাধান কী? বিশ্বব্যাপীই এখন কর্মক্ষেত্রে নারীর অগ্রযাত্রা দৃশ্যমান। ব্যাংক থেকে তথ্যপ্রযুক্তি, সবখানেই তাদের উপস্থিতি বাড়ছে। তবে এর সামাজিক প্রভাবও বাড়ছে।২০২৪ সালে দ্য ইকোনমিক জার্নালে প্রকাশিত এক গবেষণায় দেখা গেছে, স্বামীর চেয়ে স্ত্রী বেশি আয় করলে দম্পতিদের মানসিক স্বাস্থ্যে নেতিবাচক প্রভাব পড়ে। বিশেষ করে পুরুষদের মধ্যে চাপ, হতাশা ও আসক্তির ঝুঁকি ৮–১১ শতাংশ পর্যন্ত বেড়ে যায়। বাংলাদেশেও গবেষণায় দেখা যায়, সমাজে এখনো পুরুষকেই প্রধান “উপার্জনকারী” বা ব্রেডউইনার হিসেবে দেখা হয়। ফলে স্ত্রী বেশি আয় করলে অনেক পুরুষ পরিচয় সংকটে ভোগেন। একই সঙ্গে স্ত্রীও সামাজিক চাপের মুখে পড়েন যে তিনি পরিবারের প্রধান উপার্জনকারী হয়ে উঠেছেন। সমাধান কী হতে পারে? বিশেষজ্ঞরা বলছেন, সমাধান হতে হবে দুই দিক থেকে—ব্যক্তিগত মানসিক সহায়তা ও সামাজিক মানসিকতার পরিবর্তন। কগনিটিভ বিহেভিয়ারাল থেরাপি (সিবিটি): উদ্বেগ, আসক্তি ও বিষণ্নতা কমাতে কার্যকর। কাপল থেরাপি: দম্পতির মধ্যে যোগাযোগ ও বোঝাপড়া বাড়ায়। কমিউনিটি-ভিত্তিক জেন্ডার ডায়লগ: অর্থনৈতিক উন্নয়ন কর্মসূচির সঙ্গে লিঙ্গ বিষয়ক সচেতনতা যুক্ত করলে চাপ কমে। নীতিগত পদক্ষেপ: কর্মক্ষেত্রে সমান মজুরি ও নারীর নেতৃত্বকে স্বাভাবিকভাবে গ্রহণ করলে ধীরে ধীরে বদলাবে সামাজিক দৃষ্টিভঙ্গি। বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে করণীয় ১. কর্মক্ষেত্রে মানসিক স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করা। ২. কমিউনিটি-লেভেলে সচেতনতা বাড়ানো যে নারীর আয় বৃদ্ধি মানেই পরিবারের উন্নতি। ৩. নীতিগত সুরক্ষা ও সমমজুরি কার্যকর করা। আন্তর্জাতিক সমান মজুরি দিবসে সমাজবিজ্ঞানীরা বলছেন, নারীর অগ্রযাত্রাকে ইতিবাচক রাখতে হলে পরিবার ও সমাজ উভয় ক্ষেত্রেই মানসিকতার পরিবর্তন জরুরি। |
| পূর্ববর্তী সংবাদ | পরবর্তী সংবাদ |
রেজাউর রহমান ফাহিম বনানী থানা কমিউনিটি পুলিশিং কমিটির সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত
বনশ্রী সোসাইটি নির্বাচন: এগিয়ে বাতেন-দুলাল পরিষদ, যুগ্ম শিক্ষা ও ক্রীড়া সম্পাদক পদে রাশেদ আকন
বিদেশে কাজের নামে ভয়াবহ প্রতারণা: ৭ বছরে পতিতাবৃত্তি ও নির্যাতনের শিকার হয়ে ফিরলেন হাজার হাজার কর্মী
ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর জরিপ নিয়ে আঞ্চলিক কর্মশালা
