|
বাগমারায় উকিলের দাপট দেখাতে গিয়ে গণধোলাইয়ের শিকার মুহুরী
নতুন সময় প্রতিনিধি
|
![]() বাগমারায় উকিলের দাপট দেখাতে গিয়ে গণধোলাইয়ের শিকার মুহুরী ঘটনাটি ঘটেছে বুধবার (১১ জুন) রাত সাড়ে ৯ টার দিকে উপজেলার ঝিকরা ইউনিয়নরে কালীগঞ্জ বাজারে। ঘটনার পর থেকেই এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। এলাকাবাসীর অভিযোগ, উপজেলার পিরোলী সেনোপাড়া গ্রামের সাজেদুর রহমান রাজশাহী জর্জ কোর্টের জনৈক উকিলের মহুরী হিসেবে কাজ করেন। তিনি উকিলের মহুরী হিসেবে কাজ করলেও এলাকায় দাপটের সাথে প্রভাব বিস্তার করে দ্বিতীয় উকিল হিসেবে। তার অত্যচারে অতিষ্ঠ এলাকার সাধারন লোকজন। তিনি চাঁদাবাজীসহ বিভিন্ন ধরনের অপকর্মের সাথে জড়িয়ে পড়েছেন। গত রোববার (৮ জুন) রাতে সাজেদুর রহমান বিনা কারনে কালীগঞ্জ বাজারের নাইটগার্ড বেলাল উদ্দীনকে মারধর করে এলাকায় প্রভাব বিস্তারের চেষ্টা করে। নাইটগার্ড বেলাল উদ্দীনকে মারধর করার বিষয়টি জানাজানি হলে এলাকাবাসীর মধ্যে ক্ষোভের সৃষ্টি হয়। তারা সাজেদুর রহমানকে নাইট গার্ড বেলাল উদ্দীনকে মারধরের ঘটনায় শায়েস্তা করতে একজোট হয়। এলাকাবাসীর মনোভাব বুঝতে পেরে মারামারির পর থেকেই সাজেদুর রহমান আর কালীগঞ্জ বাজারে আসেন না। তখন থেকে সাজেদুর রহমানকে শায়েস্তা করার জন্য নাইটগার্ড বেলাল উদ্দীনসহ এলাকার লোকজন খুঁজছে থাকে। গত বুধবার রাতে সাজেদুর রহমান কালীগঞ্জ বাজারে আসেন এবং উকিলের বড়াই দেখিয়ে মাস্তানী শুরু করেন। বিষয়টি এলাকার লোকজনের নজরে আসলে তারা সংঘবদ্ধ হয়ে সাজেদুর রহমানকে গণধোলাই দিতে শুরু করে। এক পর্যায়ে জনতার রোষানল থেকে বাঁচাতে দৌঁড়ে পালিয়ে যান। সেখান থেকে গিয়ে তিনি নিজেই বাদী হয়ে এলাকার ন্যমান্য ব্যক্তিসহ চার জনের বিরুদ্ধে থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দাখিল করেছেন। এ ব্যাপারে যোগাযোগ করা হলে বাগমারা থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) তৌহিদুল ইসলাম বলেন, কালীগঞ্জ বাজারের নাইট গার্ড বেলাল উদ্দীনকে মারধরের অভিযোগ রয়েছে সাজেদুর রহমানের বিরুদ্ধে। ওই ঘটনার জের ধরে এলাকার লোকজন বুধবার রাতে সংঘবদ্ধ হয়ে সাজেদুর রহমানকে মারধর করে। সেখান থেকে তিনি পালিয়ে রক্ষা পান। ওই ঘটনায় উভয় পক্ষই থানায় লিখিত অভিযোগ করেছেন। তদন্ত শেষে দুই পক্ষের বিরুদ্ধেই আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে বলে তিনি জানিয়েছেন।
|
| পূর্ববর্তী সংবাদ | পরবর্তী সংবাদ |
