|
পেটে লাথি দিয়ে সন্তান নষ্টের অভিযোগ প্রিন্স মামুনের বিরুদ্ধে
নতুন সময় ডেস্ক
|
![]() পেটে লাথি দিয়ে সন্তান নষ্টের অভিযোগ প্রিন্স মামুনের বিরুদ্ধে সম্প্রতি বিভিন্ন সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে টিকটকার ঐশী ও মামুনের একাধিক ভিডিও। সেখানে দেখা যায়, অন্তঃরঙ্গ অবস্থায় সময় কাটাচ্ছেন তারা। শুধু তাই নয়, টিকটকার মামুনকে একাধিক মেয়ের সঙ্গে ঘুরতে দেখা যায় বলে দাবি করেছেন লায়লা। তার দাবি, মাদক সেবন করে একাধিক নারীর সঙ্গে শারীরিক সম্পর্কে জড়িয়েছেন মামুন। তবে এই অভিযোগ মেনে নিতে নারাজ মামুন। উল্টো তার দাবি, মাদকাসক্ত লায়লাও একাধিক পুরুষের সঙ্গে সম্পর্কে জড়িয়েছেন। রোবাবার (১১ মে) মধ্যরাতে ‘লিংক ভাইরাল হওয়ার পর মামুনকে নিয়ে এটাই লায়লার শেষ কথা’ শিরোনামে একটি ভিডিও পোস্ট করেছেন। যেখানে লায়লাকে বলতে শোনা গেছে , সব সময় আপনারা আমাকে খারাপ চোখে দেখেছেন। আপনারা মনে করেন আমিই ভিলেন। কিন্তু বলে রাখি একজন প্রাপ্ত বয়স্ক মানুষকে কখনও আটকে রাখা যায় না। কেন আমাকে খারাপ বানানো হয়? তিনি যোগ করেন, আমি মামুনকে নেশা করতে বাধা দেই, মদ না খাওয়ার জন্য বলি আর মেয়েদের সঙ্গে নষ্টামি করতে নিষেধ করি। এই তিন কারণে আমাকে খারাপ বানানো হয়েছে, হয় এবং আগামীতেও হবে! এই তিনটি কারণে ২০২৩ সালে আমাকে হত্যার উদ্দেশে হামলা করা হয়েছিল। আলোচিত এই টিকটক অভিনেত্রী ভিডিও বার্তায় দাবি করেছেন, প্রিন্স মামুন আমার পেটে লাথি দিয়ে বাচ্চা নষ্ট করেছে। তারপরও কোনো অভিযোগ করিনি। সে (মামুন) আমার কাছ থেকে অনেক গুলো টাকা নিয়েছে। তাছাড়া গাড়ি, বাড়ি কিনে দিতে হবে সেইজন্য গতকাল সকালে সে আমার বাসায় অনুপ্রবেশ করে গালিগালাজ করে। ওই ভিডিও বার্তায় নিজের ভালোবাসা কথাও জানান লায়লা। অভিনেত্রীর ভাষ্য, আমি তাকে অন্ধের মতো ভালোবাসতাম। অন্ধের মতো বিশ্বাস করতাম। ও যদি বলে এইটা ডাক দিক তাহলে আমি ধরে নিতাম এটাই ডান দিক। যদি বলে বাম দিক তাহলে বাম দিক। আল্লাহ ভালো জানে আমি মামুনকে কতটা ভালোবাসতাম। আমি তাকে ভালো রাখতে চেয়েছিলেন। |
| পূর্ববর্তী সংবাদ | পরবর্তী সংবাদ |
দেশ বদলায়, মানুষ বদলায়,তবুও বদলায় না ৮০-তে পা রাখা ছাহেরা বেগমের দুঃখভাগ্য
শফিকুল ইসলাম বেবুকে সদস্য সচিব করে কুড়িগ্রাম জেলা ক্রিড়া সংস্থার ৭ সদস্য বিশিষ্ট এডহক কমিটি গঠিত
শেরপুরে গণমাধ্যম সপ্তাহে ১৪ দফা দাবি বাস্তবায়নের দাবিতে র্যালি ও আলোচনা সভা
ফুলবাড়ীতে উন্নত ভুট্টা বীজে বাম্পার ফলন কৃষকের মুখে হাসি
