ই-পেপার সোমবার ১৪ নভেম্বর ২০২২
ই-পেপার |  সদস্য হোন |  পডকাস্ট |  গুগলী |  ডিসকাউন্ট শপ
সোমবার ১৩ জুলাই ২০২৬ ২৮ আষাঢ় ১৪৩৩
কুড়িগ্রামের ফুলবাড়ীতে জ্ঞানের আলো ছড়াচ্ছে বঙ্গভাষা লেখক জাদুঘর ও পাঠাগার
আহম্মেদুল কবির, কুড়িগ্রামঃ
প্রকাশ: Sunday, 9 March, 2025, 2:35 PM

কুড়িগ্রামের ফুলবাড়ীতে জ্ঞানের আলো ছড়াচ্ছে বঙ্গভাষা লেখক  জাদুঘর ও পাঠাগার

কুড়িগ্রামের ফুলবাড়ীতে জ্ঞানের আলো ছড়াচ্ছে বঙ্গভাষা লেখক জাদুঘর ও পাঠাগার

কুড়িগ্রাম জেলা শহর থেকে প্রায় ২৫ কিঃ মিঃ দূরে ফুলবাড়ী উপজেলার উত্তর বড়ভীটা গ্রামের তৌহিদুল ইসলাম নামের একজন স্কুল শিক্ষকের ব্যক্তিগত উদ্যোগে গড়ে ওঠা বঙ্গভাষা লেখক  জাদুঘর ও পাঠাগার জ্ঞানের আলো ছড়াচ্ছে।

আজ ০৯ মার্চ রবিবার ফুলবাড়ী উপজেলার প্রত্যন্ত ওই গ্রাম ঘুরে জানা যায়, শুধু নিজ গ্রামেই নয় উক্ত বঙ্গভাষা লেখক জাদুঘর ও পাঠাগার পার্শ্ববর্তী অন্যগ্রাম গুলোতেও জ্ঞানের আলোয় করছে সমৃদ্ধ। 

এলাকাবাসী জানায়, উক্ত জাদুঘর ও পাঠাগারকে কেন্দ্র করে এলাকার শিশু কিশোর ও যুবসমাজের মাঝে জ্ঞান অন্বেষণে ব্যাপক সাড়া পড়েছে।
আগ্রহ সৃষ্টি হয়েছে বই পড়া এবং সাহিত্য সংস্কৃতির বিভিন্ন কর্মকান্ডে। দূরদূরান্ত থেকে সব শ্রেণির মানুষজন জাদুঘর ও পাঠাগারটি দেখার জন্য কেউবা বই পড়তে, কেউ বই নিয়ে যেতে প্রতিদিনই পাঠাগারটিতে ভীড় করছে। সাংস্কৃতি প্রেমি মানুষজনও পরিদর্শন করছে যথারীতি। 

জাদুঘর ও পাঠাগারটিতে রয়েছে প্রায়ত প্রায় দুইশত বরেন্য ব্যক্তির ছবি, জীবন বৃত্তান্ত ও তাঁদের লিখিত উল্লেখযোগ্য বইসহ প্রায় পাঁচ শতাধীক বইয়ের সমাহার। এছাড়া রয়েছে নতুন ও পুরাতন দুর্লোভ কিছু সংবাদপত্রের কালেকশন। যা জাদুঘর ও পাঠাগারকে করেছে আরও বেশি সমৃদ্ধ। প্রত্যন্ত গ্রামাঞ্চলের প্রাণ- প্রকৃতির ছায়ানীড়ে
প্রতিষ্ঠিত জাদুঘর ও পাঠাগারটির প্রতিষ্টাতা তৌহিদুল ইসলাম। গত ০৩ বছর পূর্বে  নিজ উদ্যোগে জাদুঘর ও পাঠাগারটি তিনি প্রতিষ্ঠিা করেছেন।

কেন তিনি এমন একটি জাদুঘর ও পাঠাগার প্রতিষ্ঠিত করতে আগ্রহী হলেন জানতে চাইলে তিনি বলেন,বঙলাভাষা ও সাহিত্যের ইতিহাস ও ঐতিহ্য ধরে রাখা এবং একই সাথে 
অতীতের সাথে বর্তমান এবং ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে পরিচয় করিয়ে দেয়ার দায় মনে করেই তিনি জাদুঘর ও পাঠাগারটি প্রতিষ্ঠিত করেছেন।

জাদুঘর ও পাঠাগারটিতে বই পড়তে আসা এলাকার যুবক সবুজ, নাঈম, রাসেল, মর্জিনা, আফরোজাসহ বেশ কয়েকজন বইপাঠক জানায়, আমাদের গ্রামে এমন একটি পাঠাগার খুব প্রয়োজন ছিলো। তারা ক্ষোভ প্রকাশ করে বলে রাজনীতিতে টেন্ডারবাজি ও চাঁদা উত্তোলনের শিক্ষা দেয়া হচ্ছে। তবে একটি পাঠাগার জ্ঞানের আলোয় আলোকিত হাবার শিক্ষা দেয়। আমরা জ্ঞানের আলোয় শিক্ষা অর্জন করার সুযোগ পাচ্ছি এজন্য আমরা আনন্দিত।

এলাকার সাবেক ওয়ার্ড কমিশনার, সাবেক স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যান, স্থানীয় মান্যবর ব্যক্তিবর্গ দাবি করে জানায়, দেশের প্রতিটি পাড়া-মহল্লায় সরকারি উদ্যোগে অনুরূপ একটি করে পাঠাগার জরুরি এবং বে- সরকারি উদ্যোগে প্রতিষ্ঠিত পাঠগার গুলিতে সরকারি পৃষ্ঠপোষকতা আরও বেশি মনোযোগি হওয়া দরকার। এদিকে আমাদের শিক্ষক তৌহিদুল ইসলামের জাদুঘর ও পাঠাগার আমাদের গ্রামটিকে একটি আদর্শ গ্রাম হিসেবে অগ্রগামী করায় আমরা গর্বিত। 

পূর্ববর্তী সংবাদপরবর্তী সংবাদ







  সর্বশেষ সংবাদ  
  সর্বাধিক পঠিত  
এই ক্যাটেগরির আরো সংবাদ
সম্পাদক : নাজমুল হক শ্যামল
দৈনিক নতুন সময়, গ্রীন ট্রেড পয়েন্ট, ৭ বীর উত্তম এ কে খন্দকার রোড, মহাখালী বা/এ, ঢাকা ১২১২।
ফোন: ৫৮৩১২৮৮৮, ০১৯৯৪ ৬৬৬০৮৯, ইমেইল: info@notunshomoy.com
সম্পাদক মন্ডলীর সভাপতি: এমদাদ আহমেদ | প্রকাশক : প্রবাসী মাল্টিমিডিয়া কমিউনিকেশন লি.-এর পক্ষে কাজী তোফায়েল আহম্মদ | কপিরাইট © দৈনিক নতুন সময় সর্বসত্ত্ব সংরক্ষিত | Developed By: i2soft
DMCA.com Protection Status