চাঁপাইনবাবগঞ্জে শিবগঞ্জ উপজেলার চৌধুরী ইসমাইল সাজ্জাদ জোহাদ ওয়াকফ স্টেটের মোতাওয়াল্লী চৌধুরী কায়েম রেজা ও তার মেয়ে সাবেক এমপি জারা জাবীন মাহবুবের বিরুদ্ধে মিথ্যা তথ্য দিয়ে সংবাদ সম্মেলনের প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছে।
সোমবার দুপুরে চৌধুরী ইসমাইল সাজ্জাদ জোহাদ ওয়াকফ স্টেটের পক্ষে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন ওয়াকফ স্টেটের ম্যানেজার মোঃ সাইদুল ইসলাম রানা। এসময় লিখিত বক্তব্যে তিনি বলেন চৌধুরী ইসমাইল সাজ্জাদ জোহাদ ওয়াকফ স্টেটের, ১০১৪ সাল থেকে ২০১৯ সাল পর্যন্ত কেয়ারটেকার ছিলেন মোঃ আলফাজ উদ্দিন, তিনি কেয়ারটেকার থাকা অবস্থায়, বিভিন্ন অপরাধের দায়ে তাকে দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি দেন চৌধুরী কাইয়ুম রেজা, অব্যাহতি দিলেও তার কাছে কাইয়ুম রেজা চৌধুরীর সই করা বিভিন্ন স্টাম্প ও বিশ লক্ষ টাকার একটি চেক তার কাছে রয়ে যায়, সেই চেক জালিয়াতির মাধ্যমে, আলফাজ উদ্দিন বিশ লক্ষ টাকার চেকের বাম পাশে নয় সংখ্যা যোগ করে, ৯ কোটি বিশ লক্ষ টাকার করেন।
তিনি আরো বলেন, যে কুমিরাদহ বিল লিজ নেয়ার কথা বলছেন আলফাজ উদ্দিন সে বিল চৌধুরী কাইয়ুম রেজা কখনো লিজ প্রদান করেননি, আলফাজ উদ্দিনকে তার দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি দেওয়ার সময় যে স্টাম্প ছিল সেগুলো ব্যবহার করে মিথ্যা বানোয়াট লিজ তৈরি করে, সন্ত্রাসী বাহিনী দিয়ে জোরপূর্বক কুমিরাদহ বিল দখলে রেখেছে । আলফাজ উদ্দিনের মিথ্যা লিজের বিরুদ্ধে আমরা মামলা করিলে, তিনিও কোর্টে মামলা করেন, তার মামলা মিথ্যা প্রমাণিত হওয়ায়, গত জানুয়ারি মাসে চাঁপাইনবাবগঞ্জের সিনিয়র জজ আদালত থেকে, মামলাটি বাতিল ঘোষণা করেন।
সাইদুল ইসলাম রানা বলেন, গত ৩১ তারিখ তার উপর যে হামলা, ১৫ জুলাই সাবেক এমপি জারা জাবীন মাহবুব উপস্থিত থেকে আলফাজের মৎস্য খাদ্য ও বিভিন্ন সরঞ্জাম লুটপাট,১৬ জুলাই , ঘরে আগুন দেওয়ার, কথা বলছেন আলফাজ উদ্দিন , সেরকম কোন ঘটনা ঘটেনি, তিনি মোটরসাইকেল চালাতে গিয়ে দুর্ঘটনায় হালকা আঘাত পান সে হালকা আঘাতকে পুঁজি করে আমাদের নামে একের পর এক মিথ্যা মামলা করে যাচ্ছেন না আলফাজ। গত প্রায় এক বছর আগে, আলফাজ উদ্দিন সন্ত্রাসী বাহিনী নিয়ে কুমিরাদহ প্রবেশ করে চৌধুরী কাইয়ুম রেজার শ্রমিকদের উপর হাতবোমা ও ককটেল বিস্ফোরণ করে এতে শ্রমিক, আব্দুর রাজ্জাক, খলিলুর রহমান, রবু, শহিদুল ইসলাম, আকবর আলী ,ও লিটন গুরুত্বর ভাবে আহত হন। সেদিন আলফাজ উদ্দিন, বিলের রামব্যাড জাল ফেলে ৪ কোটি টাকার,বিভিন্ন প্রজাতির মাছ লুটপাট করে।
এবিষয়ে আলফাজ উদ্দিনের সাথে মুঠোফোনে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, আমরা নিয়ম অনুযায়ী চৌধুরী ইসমাইল সাজ্জাদ জোহাদ ওয়াকফ স্টেটের কুমিরাদহ বিল ইজারা নিয়েছি, আমাদের কাছে লিজের, কাগজ পত্র রয়েছে, যেগুলো নিয়ে কোর্টে মামলা চলমান রয়েছে, মামলায় যদি আমাদের বিরুদ্ধে রায় দেন, আমরা বিল ছেড়ে চলে যাব।