ই-পেপার সোমবার ১৪ নভেম্বর ২০২২
ই-পেপার |  সদস্য হোন |  পডকাস্ট |  গুগলী |  ডিসকাউন্ট শপ
বৃহস্পতিবার ২৫ জুন ২০২৬ ১১ আষাঢ় ১৪৩৩
সিলেট-৩
আবারও হাবিবুর রহমান হাবিবকে নির্বাচিত করতে চায় সুরমা, ফেঞ্চুগঞ্জ ও বালাগঞ্জের মানুষ
নতুন সময় প্রতিবেদক
প্রকাশ: Saturday, 30 December, 2023, 12:04 PM
সর্বশেষ আপডেট: Saturday, 30 December, 2023, 3:33 PM

আবারও হাবিবুর রহমান হাবিবকে নির্বাচিত করতে চায় সুরমা, ফেঞ্চুগঞ্জ ও বালাগঞ্জের মানুষ

আবারও হাবিবুর রহমান হাবিবকে নির্বাচিত করতে চায় সুরমা, ফেঞ্চুগঞ্জ ও বালাগঞ্জের মানুষ

সিলেট-৩ আসনের (দক্ষিণ সুরমা, ফেঞ্চুগঞ্জ ও বালাগঞ্জের একাংশ) ভোটের আলাপে লোকজন এবারও বর্তমান সংসদ সদস্য হাবিবুর রহমান হাবিবকে পুনরায় নির্বাচিত করতে চায়। 

সাধারণ মানুষ বলছেন, হাবিবুর রহমান হাবিব এলাকার উন্নয়নে পরীক্ষিত নেতা। তিনি গত ১৫ বছরে যে পরিমান উন্নয়ন করেছেন তা অন্য কোনো সরকারের আমলে হয়নি। এ কারণে আমরা আবারও তাকেই নির্বাচিত করতে চাই।

জনা গেছে, আসন ভাগবাটোয়ারায় বাদ পড়ছেন সিলেট-৩ আসনের সংসদ সদস্য হাবিবুর রহমান হাবিব, এমন গুঞ্জন ছড়িয়েছিল শুরুতে। অবশেষে গুঞ্জনকে তুড়ি মেরে উড়িয়ে ফের দলীয় মনোনয়ন স্বাধীনতার প্রতীক নৌকা পেয়েছেন আগের নির্বাচিত সংসদ সদস্য হাবিবুর রহমান হাবিব।

প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করে এমপি হাবিবুর রহমান বলেন, সিলেট-৩ আসনে এমপি পদে আবারও দলের প্রার্থী হিসেবে বঙ্গবন্ধুকন্যা বাংলাদেশের সফল প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা আমার ওপর আস্থা রেখেছেন এবং আমাকে মনোনয়ন দিয়েছেন। এজন্য আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনা, মনোনয়ন বোর্ডে সদস্যবৃন্দ ও প্রিয় সিলেট-৩ নির্বাচনী এলাকার জনগণের কাছে কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছি।’

আবারও হাবিবুর রহমান হাবিবকে নির্বাচিত করতে চায় সুরমা, ফেঞ্চুগঞ্জ ও বালাগঞ্জের মানুষ

আবারও হাবিবুর রহমান হাবিবকে নির্বাচিত করতে চায় সুরমা, ফেঞ্চুগঞ্জ ও বালাগঞ্জের মানুষ

হাবিবুর রহমান নতুন সময়কে বলেন, ‘আমি স্কুলজীবন থেকেই ছাত্রলীগের রাজনীতির সঙ্গে সম্পৃক্ত ছিলাম। পরে যুক্তরাজ্যপ্রবাসী হয়েও যুবলীগ ও আওয়ামী লীগের রাজনীতিতে সক্রিয় ছিলাম। এক যুগ ধরে দেশে অবস্থান করে তৃণমূলের নেতা-কর্মীদের সুখে-দুঃখে সততা ও নিষ্ঠার সঙ্গে আছি। জনপ্রতিনিধি হওয়ার আগেও এলাকার মানুষের পাশে ছিলাম। জনপ্রতিনিধি হয়েও পুরো সময় এলাকার উন্নয়নে মনোনিবেশ করে ছিলাম। সেই ফলই আমি পেয়েছি। দলীয় সভানেত্রী শেখ হাসিনা আমার প্রতি যে আস্থা ফের দেখিয়েছেন, দলের সবাইকে নিয়ে সেটা যথাযথভাবে পালনের চেষ্টা করব।’

স্থানীয় একাধিক নেতা-কর্মী বলেন, এক যুগ ধরে তিনি এলাকায় রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডের পাশাপাশি বিভিন্ন সামাজিক-রাজনৈতিক-ক্রীড়া-সাংস্কৃতিক-ধর্মীয় অনুষ্ঠানে নিয়মিত অংশ নিতেন। করোনাভাইরাস পরিস্থিতি সৃষ্টি হওয়ার পর থেকে তিনি গরিব ও বিপাকে পড়া মানুষের পাশে দাঁড়িয়েছেন। তৃণমূলের নেতা-কর্মীরাও তাঁকে পছন্দ করেন। এটাই তাঁর মনোনয়ন পাওয়ার ক্ষেত্রে বড় ভূমিকা পালন করেছে। দুই উপজেলার মুরব্বিরা বলছেন, তিনি একদিকে যেমন পরোপকারি, অপরদিকে উন্নয়নের রূপকারও বটে। সবমিলে এবারও তার পাল্লাই ভারি বলে মন্তব্য করেছেন তারা। 

তৃণমূল আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মীরা জানান, হাবিবুর রহমান হাবিব এলাকার উন্নয়নে একজন পরীক্ষিত নেতা। তিনি এ দেশের একজন সফল ব্যবসায়ী পরিবারের সন্তান হওয়ার সুবাদে সরকারিভাবে অসংখ্য উন্নয়নের পাশাপাশি ব্যক্তিগতভাবে বহু মানুষকে আর্থিক সহায়তা করেছেন। 

আবারও হাবিবুর রহমান হাবিবকে নির্বাচিত করতে চায় সুরমা, ফেঞ্চুগঞ্জ ও বালাগঞ্জের মানুষ

আবারও হাবিবুর রহমান হাবিবকে নির্বাচিত করতে চায় সুরমা, ফেঞ্চুগঞ্জ ও বালাগঞ্জের মানুষ

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, ১৯৭২ সালের ২৭ নভেম্বর দক্ষিণ সুরমা উপজেলার কামালবাজার গ্রামে হাবিবুর রহমান জন্ম নেন। ১৯৮৬ সালে অষ্টম শ্রেণিতে পড়ার সময় ছাত্রলীগের রাজনীতি শুরু করেন। এরপর দক্ষিণ সুরমা উপজেলা ও এমসি কলেজ ছাত্রলীগের কার্যকরী কমিটির সদস্যও হন। এমসি কলেজ থেকে বিএ পাস করেন।

খোঁজ নিয়ে আরও জানা গেছে, ১৯৯৫ সালে তিনি যুক্তরাজ্যে চলে যান। সেখানে লন্ডন যুবলীগের ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক ও যুক্তরাজ্য যুবলীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্ব পালন করেন। যুক্তরাজ্য আওয়ামী লীগের সদস্য হওয়ার পাশাপাশি ত্রাণ ও সমাজকল্যাণ সম্পাদকও নির্বাচিত হয়েছিলেন। এক যুগ আগে দেশে ফিরে তৃণমূলের নেতা-কর্মীদের সঙ্গে স্থানীয় রাজনীতিতে কাজ করতে থাকেন।

বালাগঞ্জ উপজেলা আওয়ামী লীগের একাধিক নেতা বলেন, ‘তৃণমূলের একজন সৎ ও গ্রহণযোগ্য মানুষ দলীয় মনোনয়ন পেয়েছেন। দলীয় নেতা-কর্মীরা তো বটেই, এলাকার মানুষও এতে খুশি হয়েছেন। কারণ, যিনি দলীয় মনোনয়ন পেয়েছেন, তিনি সব সময়ই সুখে-দুঃখে আমাদের সঙ্গে আছেন। আমরা তাঁর মনোনয়ন পাওয়ার বিষয়টি ইতিবাচকভাবেই দেখছি। তাঁর মতো গ্রহণযোগ্য জনপ্রতিনিধিই এলাকার মানুষ চায়।’

নানা কারণে তার জনপ্রিয়তা সবার শীর্ষে। এ অঞ্চলের মানুষ এলাকার উন্নয়নের কথা চিন্তা করে আবারও তাকেই বিজয়ী করবেন।

উল্লেখ্য যে, সিলেট জেলা আওয়ামী লীগের সদস্য হাবিব গত উপ-নির্বাচনে প্রথমবারের মতো নৌকা প্রতীক নিয়ে নির্বাচন করে ভোটের মাঠে বিপুল ভোটে বিজয়ী হয়ে বাজিমাত করেছিলেন। জাতীয় পার্টির প্রেসিডিয়াম সদস্য আতিকুর রহমান আতিক একাধিকবার এ আসনে নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করলেও জয়লাভ করতে পারেননি। 

এক সময় জাতীয় পার্টির ‘দুর্গ’ হিসেবে পরিচিত সিলেট-৩ আসন। ১৯৮৮, ১৯৯১ ও ১৯৯৬ সালে লাঙ্গল প্রতীক নিয়ে এই আসনে তিনবার সংসদ-সদস্য নির্বাচিত হন আবদুল মুকিত খান। ২০০৮ সালে নবম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে আওয়ামী লীগের মহাজোট থেকে এই আসনটি উন্মুক্ত রাখা হয়। আওয়ামী লীগ প্রার্থী মাহমুদ উস সামাদ চৌধুরী, বিএনপির শফি আহমদ চৌধুরী ও জাতীয় পার্টির আতিকুর রহমান আতিক দলীয় প্রতীক নিয়ে নির্বাচন করেন। এতে বিপুল ভোটে জয়লাভ করেন সামাদ চৌধুরী। এরপর থেকে এ আসনটি আওয়ামী লীগের দখলে চলে যায়।

পূর্ববর্তী সংবাদপরবর্তী সংবাদ







  সর্বশেষ সংবাদ  
  সর্বাধিক পঠিত  
এই ক্যাটেগরির আরো সংবাদ
সম্পাদক : নাজমুল হক শ্যামল
দৈনিক নতুন সময়, গ্রীন ট্রেড পয়েন্ট, ৭ বীর উত্তম এ কে খন্দকার রোড, মহাখালী বা/এ, ঢাকা ১২১২।
ফোন: ৫৮৩১২৮৮৮, ০১৯৯৪ ৬৬৬০৮৯, ইমেইল: info@notunshomoy.com
সম্পাদক মন্ডলীর সভাপতি: এমদাদ আহমেদ | প্রকাশক : প্রবাসী মাল্টিমিডিয়া কমিউনিকেশন লি.-এর পক্ষে কাজী তোফায়েল আহম্মদ | কপিরাইট © দৈনিক নতুন সময় সর্বসত্ত্ব সংরক্ষিত | Developed By: i2soft
DMCA.com Protection Status