ঢাবির হল ক্যান্টিনের খাবারে বড়শি, শিক্ষার্থীদের শঙ্কা প্রকাশ
নতুন সময় ডেস্ক
প্রকাশ: Thursday, 13 October, 2022, 12:56 PM
ঢাবির হল ক্যান্টিনের খাবারে বড়শি, শিক্ষার্থীদের শঙ্কা প্রকাশ
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় (ঢাবি) স্যার এ এফ রহমান হলের ক্যান্টিনের খাবারে বড়শি পাওয়া গেছে। বুধবার দুপুরে ক্যান্টিনে খাবার খেতে গেলে খাবা বড়শি পান হলের এক শিক্ষার্থী।
শিক্ষার্থীরা জানান, স্যার এ এফ রহমান হলের ক্যান্টিনের খাবার মান খুবই নিম্নমানের। কিন্তু শিক্ষার্থীরা বিষয়টি অনেকবার ক্যান্টিনের মালিক বাবুল মিয়াকে বললেও তিনি খাবারে কোন পরিবর্তন আনেননি। হলে দীর্ঘদিন ধরে অবস্থানের কারণে হলের ক্যান্টিনে তার এক ধরনের আধিপত্য তৈরি হয়েছে। যার ফলে কোন শিক্ষার্থীর অভিযোগ তিনি পাত্তা দেন না।
অন্যদিকে, এসব বিষয়ে হল প্রশাসনকে অবহিত করলেও তাদের কোন ধরনের পদক্ষেপ নিতে দেখা যায়নি বলে অভিযোগ শিক্ষার্থীদের।
প্রত্যক্ষদর্শী শিক্ষার্থী আরাফ রহমান রুদ্র বলেন, ‘দুপুরে আমরা খেতে বসলে এক ভাইয়ের খাবারে মাছের পুরা একটা বড়শি পাওয়া যায়। এর আগেও আমার এক বন্ধু ২টা বড়শি পায়। ওইটা যদি গলায় যেত তাহলে জিনিসটা অনেক খারাপের দিকে যেত পারত। পরে বিষয়টি হলের ক্যান্টিনের মালিক বাবুল মিয়াকে বললেও তিনি তেমন পাত্তা দেননি। ক্যান্টিনের খাবারের অবস্থা অনেক খারাপ। বারবার বলার পরেও খাবারের মানের কোনো উন্নতি দেখা যায়নি।’
এর আগে গত মঙ্গলবার রাতে বিশ্ববিদ্যালয়ের হাজী মুহাম্মদ মুহসীন হলের দুই শিক্ষার্থী স্যার এ এফ রহমান হলের ক্যান্টিনে খেতে আসেন। কিন্তু তাদের পচা মাছ খেতে দেওয়া হয়। পরে ক্যান্টিন থেকে বের হওয়ার পর তাদের এক ধরনের অস্বস্থি কাজ করে। তাদের বমি আসে বলেও জানান।
অভিযোগের বিষয়ে ক্যান্টিন মালিক বাবুল মিয়া বলেন, ‘বড়শি পাওয়া গেছে বিষয়টা অস্বীকার করছি না। বিদ্যুৎ না থাকার কারণে ভুলে হয়ত এমনটি হয়ে গেছে। এত মানুষের খাবার তৈরি করতে গিয়ে একটু এদিক সেদিক হয়। আর সবকিছুর দাম এখন বেড়েছে, কিন্তু ক্যান্টিনে খাবারের দাম তেমন বাড়েনি। তাই এ টাকার মধ্যে আমরা চেষ্টা করি যতটা সম্ভব ভালো মান ধরে রাখতে। আগামীতে আরো সতর্ক থাকব।’
এ বিষয়ে স্যার এ এফ রহমান হলের প্রাধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. কে এম সাইফুল ইসলাম খান বলেন, ‘শিক্ষার্থীদের মাধ্যমে বিষয়টা জেনেছি। ক্যান্টিন মালিককে ডেকে কথা বলব। ক্যান্টিনের পরিবেশ ও খাবারের মান নিয়ে কোনো আপস নয়।’