রাশিয়ার বিরুদ্ধে লড়াইয়ে ইউক্রেনকে সহযোগীতা করতে দেশটিতে একশ’ কিলার ড্রোন পাঠাতে যাচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র।
বুধবার (১৬ মার্চ) প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনের প্রশাসনের ঘোষণা করা বড় আকারের সামরিক সহায়তার প্যাকেজের আওতায় এসব ড্রোন সরবরাহ করা হবে।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক মার্কিন সামরিক সূত্র জানিয়েছে, সুইচব্লেড-৩০০ নামে পরিচিত এই কিলার ড্রোনটি মার্কিন বাহিনী পিঠে পরা ব্যাগ থেকে নিয়ন্ত্রণ করতে পারে। এটি কামিকাজে ড্রোন নামেও পরিচিত।
মার্কিন কংগ্রেসের কর্মকর্তারা এনবিসি নিউজকে জানিয়েছেন, এই ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবস্থাটির নকশা করা হয়েছে সেনাদলের ওপর সুনির্দিষ্টভাবে আঘাত হানার জন্য। কয়েক মাইল দূর থেকে এটি লক্ষ্যবস্তুতে নির্ভুল আঘাত হানতে পারে।
বার্তা সংস্থা এএফপি বলছে, এই অস্ত্র রাশিয়ার নকশা করা। ইউরোপের কয়েকটি ন্যাটো সদস্যের কাছে এই অস্ত্র রয়েছে। ফলে এই অস্ত্র সহজেই ইউক্রেনের সামরিক বাহিনীতে যুক্ত করা সম্ভব বলে মনে করা হচ্ছে।
বুধবার ভার্চ্যুয়ালি মার্কিন কংগ্রেসে ভাষণ দেন ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি। এ সময় তিনি যুক্তরাষ্ট্রের কাছে আরও সাহায্য চান। তারপরই বাইডেনের কাছ থেকে কিয়েভকে আরও ১০০ কোটি ডলারের অস্ত্র পাঠানোর বিষয়ে ঘোষণা আসে।
ইউক্রেনে যুক্তরাষ্ট্র যেসব অস্ত্র পাঠাচ্ছে, তার মধ্যে রয়েছে—জ্যাভলিন ক্ষেপণাস্ত্র ২ হাজার, আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা স্টিংগার ৮০০টি, দুই কোটি রাউন্ড গোলাবারুদ, সাঁজোয়া যানবিধ্বংসী অস্ত্রব্যবস্থা ৯ হাজার। এ ছাড়া রয়েছে ড্রোন, রাইফেল, পিস্তল, মেশিনগান, শটগান, রকেট, গ্রেনেড লাঞ্চার।
বাইডেন বলেন, ইউক্রেনকে যুক্তরাষ্ট্র যে প্রতিরক্ষা–সহায়তা দিয়ে আসছে, তার অংশ হিসেবে এসব অস্ত্র পাঠানো হচ্ছে।
বাইডেন আরও বলেন, রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন যাতে কখনোই ইউক্রেনে বিজয়ী হতে না পারেন, তা নিশ্চিত করতেই দেশটিতে অস্ত্রসহায়তা পাঠাচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র।