মুক্তা রানী পটুয়াখালী সদর উপজেলার লোহালিয়া ইউনিয়নের কাকড়াবুনিয়া গ্রামের সুভাষ হালদারের মেয়ে। অসীম কুমার দুমকি উপজেলার মুরাদিয়া ইউনিয়নের অনিল সরকারের ছেলে।
জানা গেছে, দুই বছরেরও বেশি সময় ধরে অসীম কুমারের সঙ্গে মুক্তা রানীর প্রেম চলছিল। একপর্যায়ে তারা শারীরিক সম্পর্কেও জড়িয়ে পড়েন। এরপর প্রায় দুই বছর ধরে বিয়ের জন্য চাপ দিতে থাকেন প্রেমিকা। কিন্তু নানা টালবাহানার পর গা ঢাকা দেন অসীম সরকার। বন্ধ করে দেন যোগাযোগও। নিরুপায় হয়ে বিয়ের দাবিতে প্রেমিক অসীম কুমারের মুরাদিয়া গ্রামের বাড়িতে অনশনে বসেন প্রেমিকা মুক্তা রানী।
দুমকি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবদুস সালাম বলেন, বিভিন্ন গণমাধ্যমে সংবাদ প্রকাশের পর বিষয়টি ভাইরাল হয়েছে। এরই মধ্যে মুক্তা রানীকে মেনে নিয়েছে ছেলের পরিবার। তাদের বিয়েও হয়েছে বলেও জানান তিনি।