ই-পেপার সোমবার ১৪ নভেম্বর ২০২২
ই-পেপার |  সদস্য হোন |  পডকাস্ট |  গুগলী |  ডিসকাউন্ট শপ
শুক্রবার ১৯ জুন ২০২৬ ৪ আষাঢ় ১৪৩৩
মুহূর্তেই পুরুষ থেকে নারী হয়ে ওঠেন তারা, টার্গেটে প্রবাসীরা
নতুন সময় প্রতিবেদক
প্রকাশ: Thursday, 23 December, 2021, 6:35 PM

মুহূর্তেই পুরুষ থেকে নারী হয়ে ওঠেন তারা, টার্গেটে প্রবাসীরা

মুহূর্তেই পুরুষ থেকে নারী হয়ে ওঠেন তারা, টার্গেটে প্রবাসীরা

দেশ শতাধিক সদস্যের প্রায় সবাই পুরুষ। কিন্তু মুহূর্তেই তারা নারী হয়ে ওঠতে পটু। পুরুষালী কণ্ঠকে নারীকণ্ঠে রূপান্তর করেই অনৈতিক কাজের প্রলোভন দেখান প্রবাসী যুবকদের। প্রবাসীদের ইমো আইডি হ্যাক শেষে চক্রটি নানাভাবে ব্ল্যাকমেল করে হাতিয়ে নেয় বিপুল পরিমাণ টাকা। সেই চক্রের পাঁচ সদস্যকে গ্রেফতার করেছে পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ সিআইডি।

বুধবার রাতে রাজধানী, আশুলিয়া ও নাটোর থেকে তাদের গ্রেফতার করা হয়। গ্রেফতাকৃতরা হলেন- হুসাইন আলী (১৯), সুমন আলী (২৩), তরিকুল ইসলাম (২১), শান্ত আলী (১৯) ও সাদ্দাম হোসেন (১৯)।

বৃহস্পতিবার দুপুরে রাজধানীর মালিবাগে সিআইডির প্রধান কার্যালয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য জানান সংস্থাটির অতিরিক্ত ডিআইজি কামরুল আহসান।

তিনি বলেন, দীর্ঘদিন ধরে নাটোর-রাজশাহীকেন্দ্রিক একদল কিশোর ও যুবক ইমো হ্যাকিংকে পেশা হিসেবে বেছে নিয়েছে। তাদের কাছে এটি স্বাভাবিক বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে। তারা প্রবাসী যুবকদের ইমোতে অনৈতিক কাজের প্রলোভন দেখিয়ে টাকা হাতিয়ে নিচ্ছে। তাদের পাঁচজনকে গ্রেফতার করেছি। বিশাল একটি নেটওয়ার্কের সন্ধান আমরা পেয়েছি। দেড় শতাধিক সদস্য এমন প্রতারণা চালিয়ে যাচ্ছে।

সিআইডি কর্মকর্তা কামরুল আহসান বলেন, চক্রটি প্রথমে আইডি সার্চ দিয়ে প্রবাসীদের খুঁজে বের করে। এরপর নারী সেজে নানা গল্প-কথায় এগোতে থাকে। এক পর্যায়ে অনৈতিক কাজের প্রস্তাব দেয়। নির্দিষ্ট পরিমাণ টাকায় রাজি হলে চক্রটি মোবাইলের রিয়ার ক্যামেরায় অন্য কোনো কিশোরী বা নারীর ভিডিও চালু করে আড়ালে নারীকণ্ঠে কথা বলতে থাকে।

এতে প্রবাসী যুবকের কাছে আসল নারী মনে হতে থাকে। এভাবে এক সময় আরো ক্লোজ হতে হতে প্রবাসীর ইমো আইডি হ্যাক করে নিয়ে ওটিপি কোড হাতিয়ে নেয় চক্রটি। এ প্রতারকরা প্রথমত পুরুষ হয়েও নারী সেজে কথা বলে টাকা নিচ্ছে। দ্বিতীয়ত, তারা ইমো হ্যাক করে ইমো মালিকের কোনো অনৈতিক ছবি বা ভিডিও পেলে সেটি দিয়ে ব্ল্যাকমেলের মাধ্যম লাখ লাখ টাকা হাতিয়ে নিচ্ছে।

কামরুল আহসান বলেন, আমরা দেখেছি নাটোরের লালপুর এলাকায় এ ধরনের প্রতারকদের আধিপত্য বেশি। তাদের সঙ্গে আরো দেড় শতাধিক সদস্য কাজ করছে। তারা সবাই একটি নেটওয়ার্কে কাজ করলেও চার-পাঁচজনের গ্রুপে বিভক্ত হয়ে প্রতারণা চালিয়ে যায়।

এক প্রশ্নের জবাবে সিআইডির এ কর্মকর্তা বলেন, তাদের প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষা তেমন নেই। কিন্তু তারা সবাই এক সঙ্গে কাজ করার কারণে একে অপরের কাছ থেকে প্রতারণার কৌশলগুলো সহজে রপ্ত করে নিচ্ছে। আমরা এ চক্রের বাকি সদস্যদেরও আটকে চেষ্টা চালাচ্ছি।

তাদের টার্গেট কেন প্রবাসীরা, এমন এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, প্রবাসীরা দীর্ঘ জীবন পরিবার বঞ্চিত থাকেন। তারা মাঝে মাঝে বিনোদনের খোঁজে ইমোতে যান। আর সেখানেই প্রতারণার শিকার হন।

পূর্ববর্তী সংবাদপরবর্তী সংবাদ







  সর্বশেষ সংবাদ  
  সর্বাধিক পঠিত  
এই ক্যাটেগরির আরো সংবাদ
সম্পাদক : নাজমুল হক শ্যামল
দৈনিক নতুন সময়, গ্রীন ট্রেড পয়েন্ট, ৭ বীর উত্তম এ কে খন্দকার রোড, মহাখালী বা/এ, ঢাকা ১২১২।
ফোন: ৫৮৩১২৮৮৮, ০১৯৯৪ ৬৬৬০৮৯, ইমেইল: info@notunshomoy.com
সম্পাদক মন্ডলীর সভাপতি: এমদাদ আহমেদ | প্রকাশক : প্রবাসী মাল্টিমিডিয়া কমিউনিকেশন লি.-এর পক্ষে কাজী তোফায়েল আহম্মদ | কপিরাইট © দৈনিক নতুন সময় সর্বসত্ত্ব সংরক্ষিত | Developed By: i2soft
DMCA.com Protection Status