|
আগামী ২০ জুলাই প্রকাশ করা হচ্ছে এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষার ফল
নতুন সময় প্রতিবেদক
|
![]() ছবি: সংগৃহীত বৃহস্পতিবার (১৮ জুন) দুপুরে সচিবালয়ের সভাকক্ষে প্রাথমিক বিদ্যালয় গোল্ডকাপ ফুটবল টুর্নামেন্টের চূড়ান্ত পর্ব এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের বিভিন্ন সমসাময়িক এজেন্ডা নিয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এই ঘোষণা দেন। শিক্ষামন্ত্রী তার বক্তব্যে উল্লেখ করেন, সকলের সম্মিলিত প্রচেষ্টায় এবারের মাধ্যমিক ও সমমানের (এসএসসি) পরীক্ষা অত্যন্ত সুষ্ঠু ও সুন্দর পরিবেশে সম্পন্ন হয়েছে এবং কোথাও কোনো প্রশ্ন ফাঁসের ঘটনা ঘটেনি। পরীক্ষা শেষ হওয়ার দুই মাসের মাথায় আগামী ২০শে জুলাই আনুষ্ঠানিকভাবে এই ফল প্রকাশ করা হবে। সেশন জটের অভিশাপ থেকে শিক্ষার্থীদের মুক্ত রাখতে পাঠ্যসূচি শেষ হওয়ার পরপরই এসএসসি ও এইচএসসি পরীক্ষা আয়োজনের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে বলে জানান তিনি। একই সাথে এক বছর পূর্বেই এই দুই পাবলিক পরীক্ষার সময়সূচি প্রকাশ করার পাশাপাশি শিক্ষার সার্বিক মান বাড়াতে চলমান প্রকল্পগুলোর কাজ দ্রুত এগিয়ে নেওয়া হচ্ছে বলেও উল্লেখ করেন মন্ত্রী। মন্ত্রী আরও জানান, শিক্ষার্থীদের মেধা বিকাশের লক্ষ্যে সারা দেশে ইনোভেশন, আইডিয়া শোকেসিং এবং স্টার্ট-আপ কর্মসূচির ব্যাপক আয়োজন চলছে, যা আগামী ২৮ ও ২৯শে জুনের মধ্যে সমাপ্ত হবে। এর মধ্যে ২৯শে জুন ঢাকার চীন মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্রে আয়োজিত স্টার্ট-আপ, সায়েন্স প্রজেক্ট ও ইনোভেশন শোকেসিং প্রতিযোগিতার চূড়ান্ত পর্বে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন। উক্ত সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ জানান, আগামী ২০শে জুন প্রাথমিক বিদ্যালয় গোল্ডকাপ ফুটবল টুর্নামেন্টের ফাইনাল ম্যাচ অনুষ্ঠিত হবে। এই সমাপনী অনুষ্ঠানেও প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। এক সাংবাদিকের প্রশ্নের উত্তরে প্রতিমন্ত্রী বলেন, বর্তমান সরকারের মূল লক্ষ্য এমন একটি শিক্ষাব্যবস্থা তৈরি করা যা শিক্ষার্থীদের সুনাগরিক হিসেবে গড়ে তুলবে। সুস্থ সমাজ গঠনে ক্রীড়াচর্চার গুরুত্ব অপরিসীম উল্লেখ করে তিনি বলেন, নতুন প্রজন্ম যেন কেবল মোবাইল বা ট্যাবের স্ক্রিনে বন্দি হয়ে না পড়ে, সরকার সেই চেষ্টাই করছে। সংবাদ সম্মেলনে প্রধানমন্ত্রীর শিক্ষা উপদেষ্টা ড. মাহদী আমিন তার বক্তব্যে বলেন, শুধু সার্টিফিকেট অর্জনের শিক্ষা নয়, বরং আগামী দিনের বাংলাদেশকে নেতৃত্ব দেওয়ার মতো দক্ষ মানবসম্পদ তৈরি করাই বর্তমান সরকারের প্রধান উদ্দেশ্য। বাস্তব ও কর্মমুখী জীবনভিত্তিক শিক্ষাব্যবস্থা চালুর ওপর জোর দিয়ে তিনি জানান, শিক্ষার্থীদের সৃজনশীলতা ও সুপ্ত প্রতিভা বিকাশে নানামুখী কাজ শুরু হয়েছে, যার অংশ হিসেবে ষষ্ঠ শ্রেণী থেকে পরীক্ষামূলকভাবে ‘লার্নিং উইথ হ্যাপিনেস’ কার্যক্রম চালু হচ্ছে এবং পরবর্তীতে তা অন্যান্য শ্রেণীতেও সম্প্রসারণ করা হবে। |
| পূর্ববর্তী সংবাদ | পরবর্তী সংবাদ |
