ই-পেপার সোমবার ১৪ নভেম্বর ২০২২
ই-পেপার |  সদস্য হোন |  পডকাস্ট |  গুগলী |  ডিসকাউন্ট শপ
মঙ্গলবার ১২ মে ২০২৬ ২৯ বৈশাখ ১৪৩৩
খালেদা জিয়ার রক্ত বমি বন্ধে যে প্রযুক্তির কথা বলা হচ্ছে
নতুন সময় প্রতিবেদক
প্রকাশ: Wednesday, 1 December, 2021, 7:44 PM

খালেদা জিয়ার রক্ত বমি বন্ধে যে প্রযুক্তির কথা বলা হচ্ছে

খালেদা জিয়ার রক্ত বমি বন্ধে যে প্রযুক্তির কথা বলা হচ্ছে

রাজধানীর এভারকেয়ার হাসপাতালের সিসিইউতে চিকিৎসাধীন লিভার সিরোসিসে আক্রান্ত সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার রক্তক্ষরণ (রক্ত বমি) বন্ধ করতে হলে টিআইপিএস প্রযুক্তিতে চিকিৎসা প্রয়োজন, এ জন্য যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য ও জার্মানীর কোনো হাসপাতালে নিতে হবে। আজ বুধবার দুপুরে জাতীয় প্রেসক্লাবে এক সংবাদ সম্মেলনে ডক্টরস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের (ড্যাব) এ কথা জানান।


ড্যাবের মহাসচিব ডা. আব্দুস সালাম বলেন, ‘দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার রক্তক্ষরণ বন্ধের জন্য আমাদের দেশে যে প্রযুক্তি আছে তা ইতিমধ্যে বেগম খালেদা জিয়ার ব্যাপারে প্রয়োগ করা হয়েছে (Band Ligation), এছাড়া যে সমস্ত আধুনিক পদ্ধতি যেমন TIPS প্রযুক্তি আমাদের দেশে নেই, এমনকি উপমহাদেশের বা এশিয়ার অন্য কোন দেশেও নেই। এই প্রযুক্তিটি শুধুমাত্র মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য ও জার্মানীর সুনির্দিষ্ট কয়েকটি হাসপাতালে রয়েছে।’


ডা. সালাম বলেন, খালেদা জিয়াকে লিভারের সমস্যার কথা বিবেচনা নিয়েই ১৩ নভেম্বর হাসপাতালে ভর্তি করনো হয়। ওইদিন রাতে খুবই রক্ত বমি হয়। তার খাদ্যনালীতে ব্যাপক রক্তক্ষরণ হয়েছে। তাকে জীবন রক্ষার উদ্দেশ্যে দ্রুত রক্ত ও প্লাজমা ফ্লুইড দেওয়া হয়। অধ্যাপক ডাঃ শাহাবুদ্দিন তালুকদারের নেতৃত্বে দ্রুত এন্ডোসকোপির মাধ্যমে খালেদা জিয়ার চিকিৎসা শুরু হয় এবং ৬ টি জায়গায় ব্যান্ড লাইগেশনের মাধ্যমে তাৎক্ষণিক রক্তক্ষরণ বন্ধ করার ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়। সেই মুহূর্তে তিনি শক এ চলে গিয়েছিলেন এবং তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা নেওয়ার ফলে সেই যাত্রায় জীবন রক্ষা পায়। খালেদা জিয়া ডায়াবেটিস ও হার্ট ফেইলিউরের রোগী। উনার হার্ট ফেইলিউর এমন পর্যায়ে থাকে যে কোনো ডিকম্পেসেশন হলে হার্ট ফেইলিউর হয়। তবুও দীর্ঘ সময় প্রচেষ্টার ফলে পরিপাকতন্ত্রের রক্তক্ষরণ বন্ধ করা সম্ভব হয়।


তিনি বলেন, তবে এ সকল রোগীর পুনরায় রক্তক্ষরণ খুবই স্বাভাবিক (প্রথম সপ্তাহে শতকরা ৫০ ভাগ এবং ৬ সপ্তাহের মধ্যে যা শতকরা ৭০ ভাগ)। পরবর্তীতে ফের রক্তক্ষরণে খালেদা জিয়ার মৃত্যুঝুঁকি বেড়ে যেতে পারে। কারণ রক্তক্ষরণ বন্ধের জন্য আমাদের দেশে যে প্রযুক্তি আছে তা ইতিমধ্যে বেগম খালেদা জিয়ার ব্যাপারে প্রয়োগ করা হয়েছে। এ ছাড়া যে সমস্ত আধুনিক পদ্ধতি যেমন TIPS প্রযুক্তি আমাদের দেশে নেই, এমনকি উপমহাদেশের বা এশিয়ার অন্য কোনো দেশেও নেই। এই প্রযুক্তিটি শুধু মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য ও জার্মানির সুনির্দিষ্ট কয়েকটি হাসপাতালে রয়েছে। তাই যত দ্রুত সম্ভব তাকে উল্লিখিত দেশের উন্নত হাসপাতালে নেয়ার ব্যবস্থা করতে হবে নতুবা পরবর্তীতে স্থানান্তর করাও মুশকিল হয়ে যাবে। এমতাবস্থায় চিকিৎসক হিসেবে আমরা জরুরি ভিত্তিতে খালেদা জিয়ার মুক্তির ব্যবস্থা গ্রহণপূর্বক বিদেশে সুচিকিৎসা নিশ্চিত করার দাবি জানাচ্ছি। আশা করি মানবিক বিবেচনায় স্বল্পতম সময়ের মধ্যে বর্তমান সরকার তাকে বিদেশে চিকিৎসার সুযোগ দিবেন।

পূর্ববর্তী সংবাদপরবর্তী সংবাদ







  সর্বশেষ সংবাদ  
  সর্বাধিক পঠিত  
এই ক্যাটেগরির আরো সংবাদ
সম্পাদক : নাজমুল হক শ্যামল
দৈনিক নতুন সময়, গ্রীন ট্রেড পয়েন্ট, ৭ বীর উত্তম এ কে খন্দকার রোড, মহাখালী বা/এ, ঢাকা ১২১২।
ফোন: ৫৮৩১২৮৮৮, ০১৯৯৪ ৬৬৬০৮৯, ইমেইল: info@notunshomoy.com
সম্পাদক মন্ডলীর সভাপতি: এমদাদ আহমেদ | প্রকাশক : প্রবাসী মাল্টিমিডিয়া কমিউনিকেশন লি.-এর পক্ষে কাজী তোফায়েল আহম্মদ | কপিরাইট © দৈনিক নতুন সময় সর্বসত্ত্ব সংরক্ষিত | Developed By: i2soft
DMCA.com Protection Status