ই-পেপার সোমবার ১৪ নভেম্বর ২০২২
ই-পেপার |  সদস্য হোন |  পডকাস্ট |  গুগলী |  ডিসকাউন্ট শপ
বুধবার ১৫ জুলাই ২০২৬ ৩১ আষাঢ় ১৪৩৩
ভাসানচরে আশ্রয়ণ রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসন প্রক্রিয়ায় প্রভাব ফেলবে না
নতুন সময় প্রতিনিধি
প্রকাশ: Saturday, 5 December, 2020, 11:18 AM

ভাসানচরে আশ্রয়ণ রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসন প্রক্রিয়ায় প্রভাব ফেলবে না

ভাসানচরে আশ্রয়ণ রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসন প্রক্রিয়ায় প্রভাব ফেলবে না

অনেকটা হাসি মুখেই দল বেঁধে ভাসানচরে সরকারের নির্ধারিত আশ্রয়ণ প্রকল্পের আবাসকে গ্রহণ করলো প্রথম বহরে যাওয়া রোহিঙ্গারা। তাদের এই মনোভাবকে জাতিসংঘসহ আন্তর্জাতিক সংস্থাগুলোর জুড়ে দেয়া শর্তের বিপরীতে বাংলাদেশ সরকারের প্রাথমিক বিজয় হিসাবেই দেখা হচ্ছে। তবে এতে প্রত্যাবসন প্রক্রিয়া পিছিয়ে যাওয়ার শংকা থাকলেও ভাসানচর আশ্রয়ণ প্রকল্প সংশ্লিষ্টরা তাকে সমস্যা মনে করেন না।

ভাসানচর আশ্রয়ণ প্রকল্পের প্রকল্প পরিচালক কমডোর আবদুল্লা আল মামুন জানান, এই আশ্রয়ন প্রকল্প স্থায়ী কোনো আবাসন ব্যবস্থা নয়। এখানে যাদের আশ্রয় দেওয়া হচ্ছে তা একটা নির্দিষ্ট সময়ের জন্য। এমনটা ভাবার কিছু নেই যে যখন তাদের ফেরত পাঠানো হবে তখন শুধুমাত্র কক্সবাজার বা অন্যান্য জায়গার রোহিঙ্গাদের ফেরত পাঠানো হবে, আর ভাসানচরের এরা থেকে যাবে। যখন তাদের ফেরত পাঠানো হবে তখন সবাইকেই পাঠানো হবে।

এক লাখেরও বেশি মানুষের বসবাসের জন্য করা ভাসানচরের আশ্রয়ন প্রকল্পে এসেছে মাত্র এক হাজার ৬৪২ জন রোহিঙ্গা। প্রকল্প সংশ্লিষ্ট মনে করছেন, ধীরে ধীরে সবাইকেই এখানে আনা সম্ভব হবে।

তবে ভাসানচরে আসা রোহিঙ্গারা মনে করছেন, বাকি রোহিঙ্গাদের এখানে আনতে গেলে আগে তাদের মন জয় করতে হবে। নিশ্চিত করতে হবে ভাসানচরে আসা রোহিঙ্গাদের উন্নত জীবন।

ভাসানচরের যোগাযোগ ব্যবস্থার কারণে খাদ্যসহ প্রয়োজনীয় উপরকরণ সরবরাহ কিছুটা কষ্টসাধ্য হবে এমন শঙ্কার কথা বলা হলেও প্রকল্প সংশ্লিষ্টরা বলছেন সব ধরনের আগাম প্রস্তুতিই নেয়া হয়ে আশ্রয়ন প্রকল্পটিতে। পর্যাপ্ত খাদ্য মজুদ থাকার বিষয়টিও নিশ্চিত করেছে শরণার্থী ত্রাণ ও প্রত্যাবসন কমিশন।

ভাসানচর শরণার্থী ত্রাণ ও প্রত্যাবসন কমিশনের অতিরিক্ত কমিশনার মোহাম্মদ সামছুদ্দৌজা সময় সংবাদকে জানান, প্রত্যাবসনের পর প্রথম তিন থেকে পাঁচ দিন শরণার্থীদের মধ্যে রান্না করা খাবার বিতরণ করা হবে। সেই সঙ্গে নিজের খাবার নিজেরাই যাতে প্রস্তুত করতে পারে সেজন্য তাদের মধ্যে বিতরণ করা হবে এলপিজি গ্যাস ও চুলা।

এদিকে বহুল পরিচিত এনজিও সংস্থাগুলো নানা জটিলতায় এখনো ভাসানচরমুখি না হলেও ইতোমধ্যে ২২টি এনজিও তাদের দায়িত্ব বুঝে নিয়েছে। সেই সাথে চরের নিরাপত্তা নিশ্চিতে কাজ শুরু করেছে কোস্টগার্ড।

দায়িত্ব বুঝে নেওয়া এনজিও কর্মীরা জানান, যেকোনো জরুরি মুহুর্তের চিকিৎসা সেবা প্রদানের জন্য প্রয়োজনী ওষুধ, চিকিৎসা সামগ্রীসহ ২০ জনের একটি মেডিকেল টিম থাকছে ভাসানচরের এই আশ্রয়ন এলাকায়। আর সে দলে কয়েকজন চিকিৎসকও রয়েছেন বলে নিশ্চিত করেন তারা।

নিরাপত্তার দায়িত্বে থাকা কোস্টকার্ডের কর্মকর্তা লে. কমান্ডার সাইফুল ইসলাম সময় সংবাদকে জানান, আশ্রয়ন এলাকার চারপাশে নৌবাহিনী ও কোস্টগার্ড বেজের সঙ্গে সমন্বয় করে নিয়মিত পেট্রোল বোটের মাধ্যমে চলবে পাহারার ব্যবস্থা। আর প্রকল্প এলাকার ভেতরের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সেখানে ২৪ ঘণ্টা দায়িত্ব পালন করবে কোস্টগার্ড সদস্যরা।

তবে দ্রুততম সময়ে আন্তর্জাতিক সংস্থাগুলোর পাশাপাশি বিদেশি এনজিওগুলো ভাসানচরে কার্যক্রম শুরু করবে বলে আশা প্রশাসন ও রোহিঙ্গাদের।

পূর্ববর্তী সংবাদপরবর্তী সংবাদ







  সর্বশেষ সংবাদ  
  সর্বাধিক পঠিত  
এই ক্যাটেগরির আরো সংবাদ
সম্পাদক : নাজমুল হক শ্যামল
দৈনিক নতুন সময়, গ্রীন ট্রেড পয়েন্ট, ৭ বীর উত্তম এ কে খন্দকার রোড, মহাখালী বা/এ, ঢাকা ১২১২।
ফোন: ৫৮৩১২৮৮৮, ০১৯৯৪ ৬৬৬০৮৯, ইমেইল: info@notunshomoy.com
সম্পাদক মন্ডলীর সভাপতি: এমদাদ আহমেদ | প্রকাশক : প্রবাসী মাল্টিমিডিয়া কমিউনিকেশন লি.-এর পক্ষে কাজী তোফায়েল আহম্মদ | কপিরাইট © দৈনিক নতুন সময় সর্বসত্ত্ব সংরক্ষিত | Developed By: i2soft
DMCA.com Protection Status