ই-পেপার সোমবার ১৪ নভেম্বর ২০২২
ই-পেপার |  সদস্য হোন |  পডকাস্ট |  গুগলী |  ডিসকাউন্ট শপ
বৃহস্পতিবার ২৫ জুন ২০২৬ ১১ আষাঢ় ১৪৩৩
নায়িকার শ্লীলতাহানির অভিযোগ, রাতভর অদ্ভুত কাণ্ড
নতুন সময় ডেস্ক
প্রকাশ: Wednesday, 4 November, 2020, 10:28 PM

নায়িকার শ্লীলতাহানির অভিযোগ, রাতভর অদ্ভুত কাণ্ড

নায়িকার শ্লীলতাহানির অভিযোগ, রাতভর অদ্ভুত কাণ্ড

নাট্যনির্মাতার বিরুদ্ধে শ্লীলতাহানির অভিযোগ তুলেছেন মডেল-অভিনেত্রী শান্তা পাল। সম্প্রতি রাজধানীর রমনা থানায় অভিযোগ করেন তিনি। পরে পুলিশ অভিযুক্ত ফয়সাল ফারহাদকে আটক করে। গত ১ নভেম্বর রাতে রমনা থানার সামনে এ নিয়ে লঙ্কাকাণ্ড বাধান শান্তা!

শান্তার অভিযোগের সূত্রে জানা যায়, নানা প্রলোভনে শান্তাকে ২০১২ সাল থেকে শ্লীলতাহানি করে আসছে নির্মাতা ফয়সাল। এ বছরও একবার শ্লীলতাহানি করেছে ওই নির্মাতা।

ফয়সালকে আটকের পর শান্তা দাবি করেন, ফয়সালের কাছে টাকা পান তিনি। পাওনা টাকা তুলে দিতে চাপ প্রয়োগ করেন পুলিশকে। কিন্তু পুলিশ এ প্রস্তাবে সাড়া না দেওয়ায় বেঁকে বসেন শান্তা। থানাতেই কখনো অজ্ঞান হওয়ার ভান, কখনো গড়াগড়ি, কখনো চিৎকার-চেঁচামেচি ও কান্নার অভিনয় করতে থাকেন। রোববার (১ নভেম্বর) বিকাল থেকে মধ্যরাত পর্যন্ত চলতে থাকে তার এমন কর্মকাণ্ড! একপর্যায়ে থানা থেকে তাকে বের করে দেওয়া হলে থানার বাইরে রাস্তায় শুয়ে পড়েন শান্তা।

বড় ধরনের কোনো দুর্ঘটনা ঘটতে পারে—এমন আশঙ্কায় থানায় আসেন পুলিশের রমনা বিভাগের বড় কর্মকর্তারা। পরিস্থিতি স্বাভাবিক করতে দিবাগত রাত ১টার দিকে অনেকটা বাধ্য হয়েই শান্তার জিম্মায় ছেড়ে দেওয়া হয় ফয়সালকে। শান্তার এমন অদ্ভুত কাণ্ডে মুহূর্তের মধ্যে ভিড় জমান উৎসুক জনতা। অবস্থা বেগতিক দেখে ওই তরুণীর নিরাপত্তায় নিয়োগ করা হয় চারজন মহিলা পুলিশ সদস্য। পরে অবশ্য শান্তা নিজেই অভিযোগ তুলে নিয়ে অভিযুক্ত যুবককে ছাড়িয়ে নিয়ে যান।

এ প্রসঙ্গে রমনা বিভাগের অতিরিক্ত উপকমিশনার হারুন-অর-রশীদ সংবাদমাধ্যমে বলেন—ওই তরুণী ক্রমাগত সিনক্রিয়েট করছিলেন। পাঁচ-ছয় ঘণ্টা যে অদ্ভুত কাণ্ড ঘটিয়েছেন তিনি, তা আমাদের কাছে একদমই নতুন অভিজ্ঞতা! সত্যি বলতে আমরা সবাই বিস্মিত! একপর্যায়ে তার জিম্মাতেই রাত ১টার দিকে আটক ব্যক্তিকে ছেড়ে দেওয়া হয়।

এই বিষয়ে জানতে চাইলে শান্তা বলেন—এসব কিছু হয়নি। আমি আসলে মামলা করতে গিয়েছিলাম। কিন্তু পুলিশ মীমাংসার কথা বলায় আমি নমনীয় হই। একপর্যায়ে আসামীকে হাজতে ঢুকানোর কথা বললে আমি সিনক্রিয়েট করি। এরপর আসামীকে ছেড়ে দেন। আমরা বাসায় চলে আসি। আমাদের মধ্যে এখন আর কোনো দ্বন্দ্ব নেই।

সম্পাদনা: রেদুয়ান আহম্মেদ রাহাত

পূর্ববর্তী সংবাদপরবর্তী সংবাদ







  সর্বশেষ সংবাদ  
  সর্বাধিক পঠিত  
এই ক্যাটেগরির আরো সংবাদ
সম্পাদক : নাজমুল হক শ্যামল
দৈনিক নতুন সময়, গ্রীন ট্রেড পয়েন্ট, ৭ বীর উত্তম এ কে খন্দকার রোড, মহাখালী বা/এ, ঢাকা ১২১২।
ফোন: ৫৮৩১২৮৮৮, ০১৯৯৪ ৬৬৬০৮৯, ইমেইল: info@notunshomoy.com
সম্পাদক মন্ডলীর সভাপতি: এমদাদ আহমেদ | প্রকাশক : প্রবাসী মাল্টিমিডিয়া কমিউনিকেশন লি.-এর পক্ষে কাজী তোফায়েল আহম্মদ | কপিরাইট © দৈনিক নতুন সময় সর্বসত্ত্ব সংরক্ষিত | Developed By: i2soft
DMCA.com Protection Status