নরসিংদীর সদর উপজেলার শীলমান্দিতে টেক্সাইল মিলের এক শ্রমিককে সংঘবদ্ধ ধর্ষণের ঘটনা ঘটেছে। ওই শ্রমিককে ধর্ষণের ঘটনায় অভিযুক্ত দুইজনকে গ্রেপ্তারের পর মঙ্গলবার বিকেলে দুইজনকে আদালতের মাধ্যমে জেলহাজতে পাঠিয়েছে পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই)।
গ্রেপ্তার দুইজন হলেন- সদর উপজেলার শীলমান্দির দক্ষিণ শীলমান্দি এলাকার মো. আমীর হোসেনের ছেলে মো. জামান মিয়া (৩০) এবং আব্দুল মান্নান ভূইয়ার ছেলে উসমান ভূইয়া (৩২)। ওই নির্যাতিতা নারী স্থানীয় একটি টেক্সটাইল মিলে শ্রমিকের কাজ করেন।
মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, গত ১৭ অক্টোবর শনিবার রাত ১০টার দিকে রাতের শিফটে কাজ করতে টেক্সটাইল মিলে যাওয়ার জন্য রওনা হন ওই নারী। পাঁচ মিনিট হাঁটার পর জামান মিয়া ও উসমান ভূইয়া ওই নারীকে রাস্তা থেকে তুলে নিয়ে অন্য একটি টেক্সটাইল মিলের ফাঁকা জায়গায় বাঁশবাগানের ভেতর পালাক্রমে ধর্ষণ করে। এ সময় অজ্ঞাতনামা আরো একজন আসামি তাদের পাহারা দিচ্ছিলো।
ধর্ষণের পর আসামিরা চলে যাওয়ার সময় এই বলে হুমকি দেয়, ঘটনা জানাজানি হলে তাকে হত্যা এবং তার বড় বোনকেও ধর্ষণ করা হবে। পরে পরিবারের সদস্যরা তার পরণের কাপড় ছেড়া কেন জানতে চাইলে সে ভয়ে আরো কান্নাকাটি করে কিন্তু আসামিদের নাম প্রকাশ করেনি। তবে পরদিন তার ফুপু ও এক বান্ধবীর কাছে ধর্ষণের ঘটনাটি জানায় এবং আসামিদের নাম প্রকাশ করে। এই ঘটনায় গতকাল সোমবার রাতে ওই শ্রমিকের বাবা বাদী হয়ে দুইজনের নাম উল্লেখসহ তিনজনকে আসামি করে নরসিংদী সদর মডেল থানায় মামলা করেছেন।
নরসিংদীর পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশনের পরিদর্শক (প্রশাসন) মো. মনিরুজ্জামান বাংলাদেশ জার্নালকে বলেন, ধর্ষণের ঘটনাটি জানার সাথে সাথে আমরা অভিযান চালিয়ে অভিযুক্ত জামান মিয়া ও উসমান ভূইয়াকে গ্রেপ্তার করি। তারা প্রাথমিক জিঞ্জাসাবাদে ঘটনার সাথে সংশ্লিষ্টতা স্বীকার করেছে। মঙ্গলবার বিকেলে তাদের আদালতের মাধ্যমে জেল হাজতে প্রেরণ করা হয়েছে অপর আসামিকে গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে।