গার্মেন্টসের পোশাক ছিনতাইয়ের অভিযোগে আ.লীগ নেতা গ্রেপ্তার
নতুন সময় প্রতিবেদক
প্রকাশ: Thursday, 1 October, 2020, 7:36 PM
গার্মেন্টসের পোশাক ছিনতাইয়ের অভিযোগে আ.লীগ নেতা গ্রেপ্তার
একটি কারখানার তৈরি পোশাক ছিনতাইয়ে জড়িত থাকার অভিযোগে গাজীপুরের শ্রীপুর উপজেলার তেলিহাটি ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক লিয়াকত ফকিরকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। গাজীপুর জেলা গোয়েন্দা পুলিশের একটি দল বুধবার রাতে তার বাড়ি মুলাইদ গ্রাম থেকে তাকে গ্রেপ্তার করে।
গ্রেপ্তার লিয়াকত ফকির মুলাইদ গ্রামের জাহেদ আলী ফকিরের ছেলে। তিনি সদ্য গঠিত শ্রীপুরের তেলিহাটি ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক।
শ্রীপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) খোন্দকার ইমাম হোসেন বলেন, ‘গতকাল বুধবার রাতে জেলা গোয়েন্দা পুলিশের সদস্যরা তাকে গ্রেপ্তার করার পর থানা পুলিশে হস্তান্তর করে। পরে আজ বৃহস্পতিবার সকালে তাকে আদালতে পাঠানো হয়।’
ওসি খোন্দকার ইমাম হোসেন জানান, গত ১০ আগস্ট স্থানীয় একটি কারখানার কর্মকর্তা বাদী হয়ে তৈরি পোশাক ছিনতাইয়ের মামলা করেন। ওই ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগে ইতিপূর্বে তিনজনকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। পরে তাদের কাছ থেকে লুণ্ঠিত মালামাল এবং একটি পিক-আপ ভ্যান উদ্ধার করা হয়। গ্রেপ্তারকৃতরা তেলিহাটি ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের ওই নেতার নির্দেশনায় লুটের ঘটনা ঘটিয়েছে বলে পুলিশকে জানালে তাকে সেই মামলায় অভিযুক্ত করা হয়।
ব্লু প্লানেট নিটওয়্যার লিমিটেড নামে ওই পোশাক কারখানার জ্যেষ্ঠ প্রশাসনিক কর্মকর্তা আব্দুর রহমান জানান, গত ৯ আগস্ট দুপুরে ১৫ লাখ ৩০ হাজার টাকার চার হাজার পিস পোশাক ওয়াশ করার জন্য জেএমপি পূর্ব থানাধীন রেডিয়েশন ওয়াসিং লিমিটেড’র উদ্দেশ্যে কারখানার মাইক্রোবাসযোগে চালক রুহুল আমিন রওনা হন। পরে শ্রীপুরের মাওনা চৌরাস্তা এলাকার ফ্লাইওভারের ৩০ গজ দক্ষিণে পৌঁছামাত্র ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়কে কয়েক যুবক তিনটি মোটরসাইকেলে মাইক্রোবাসটির গতিরোধ করে। পরে তারা মাইক্রোবাসে থাকা কারখানার উৎপাদিত ১৫ লাখের বেশি টাকার মালামাল লুট করে নিয়ে যায়। ওই ঘটনায় তিনি বাদী হয়ে গত ১০ আগস্ট শ্রীপুর থানায় মামলা দায়ের করেন।
তেলিহাটি ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি ও স্থানীয় ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান আব্দুল বাতেন সরকার বলেন, ‘লিয়াকত ফকির আমার কমিটির সাধারণ সম্পাদক। লিয়াকতের বিরুদ্ধে একাধিক মামলা রয়েছে বলে শুনেছি। নেতাকর্মীর কর্মকাণ্ডের ওপর দলের ভাবমূতি নির্ভর করে। তার বিরুদ্ধে কোনো পদক্ষেপ নিলে দলের থানা ও জেলা কমিটিই নিতে পারেন। এ ব্যাপারে তারাই সিদ্ধান্ত নেবেন।