ই-পেপার সোমবার ১৪ নভেম্বর ২০২২
ই-পেপার |  সদস্য হোন |  পডকাস্ট |  গুগলী |  ডিসকাউন্ট শপ
সোমবার ১১ মে ২০২৬ ২৮ বৈশাখ ১৪৩৩
ড্যাফোডিলে ‘ছাত্রজীবন গঠনে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ভূমিকা’ শীর্ষক ই-টক অনুষ্ঠিত
নতুন সময় প্রতিবেদক
প্রকাশ: Wednesday, 23 September, 2020, 7:57 PM

ড্যাফোডিলে ‘ছাত্রজীবন গঠনে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ভূমিকা’ শীর্ষক ই-টক অনুষ্ঠিত

ড্যাফোডিলে ‘ছাত্রজীবন গঠনে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ভূমিকা’ শীর্ষক ই-টক অনুষ্ঠিত

ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির আয়োজনে ও ওয়ার্ল্ড  একাডেমী অব আর্ট এন্ড সাইন্স এবং এসোসিয়েশন অব ইউনিভার্সিটিজ অব এশিয়া এন্ড দি প্যাসিফিক (এইউএপি) ‘ছাত্রজীবন গঠনে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ভূমিকা’ শীর্ষক এক ভার্চুয়াল আলোচনা সভা  ২২ সেপ্টেম্বর, বিশ্ববিদ্যালয়ের ফেসবুক পেজ ও ক্যাম্পাস টিভিতে একযোগে অনুষ্ঠিত হয়।

এতে আলোচক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ওয়ার্ল্ড একাডেমি অব আর্ট অ্যান্ড সায়েন্সের চেয়ারম্যান অধ্যাপক আলবার্তো জুকোনি, থাইল্যান্ডের সিয়াম ইউনিভার্সিটির প্রেসিডেন্ট ড. প্রনচাই মংখনভান্তি, রোমানিয়ার দানুবিয়াস ইউনিভার্সিটি অব গালাতির রেক্টর ড. অ্যান্ডি পুসকা, ভারতের দ্য মাদার সার্ভিস সোসাইটির সিনিয়র প্রজেক্ট ম্যানেজার এম চন্দ্রশেখরন এবং ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির ট্রাস্টি বোর্ডের চেয়ারম্যান ড. মোঃ সবুর খান। অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটর ইংরেজি বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক তাহসিনা ইয়াসমিন।

অনুষ্ঠানে ড. মোঃ সবুর খান বলেন, শিক্ষার্থীদেরকে যোগ্য নাগরিক হিসেবে গড়ে তোলার পাশাপাশি তাদেরকে শিল্প প্রতিষ্ঠানের চাকরির উপযোগী হিসেবে গড়ে তুলতে হবে। এ জন্য বিশ্ববিদ্যালয়গুলোকে জানতে হবে যে, শিল্প প্রতিষ্ঠানগুলো কী চায়। তাদের চাহিদার উপর ভিত্তি করে শিক্ষার্থীদেরকে প্রস্তুত করতে হবে। এ জন্য কোর্স কারিকুলাম পরিবর্তন করতে হবে বলে মন্তব্য করেন তিনি। শিক্ষা ব্যবস্থা পরিবর্তনের এখনই উপযুক্ত সময় উল্লেখ করে ড. মো. সবুর খান আরও বলেন, কোভিড পরিস্থিতি আমাদেরকে অনেক কিছু শিখিয়েছে। বিশেষ করে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে টেকনোলজির ব্যবহারে বৈপ্লবিক পরিবর্তন হয়েছে। এই পরিবর্তনকে কাজে লাগিয়ে শিক্ষার্থীদেরকে ভবিষ্যৎ পৃথিবীর জন্য প্রস্তুত করার আহ্বান জানান ড. মো. সবুর খান।

অধ্যাপক আলবার্তো জুকোনি বলেন, বিশ্ববিদ্যালয় হচ্ছে এমন একটি উন্মুক্ত জায়গা যেখানে শিক্ষার্থীরা তাদের দক্ষতাকে খুঁজে বের করতে পারে এবং বিকশিত করতে পারে। তাদের এই কাজে সহযোগীতা করেন শিক্ষকরা। ফলে ছাত্র-শিক্ষকের সমন্বয়েই একজন শিক্ষার্থীর ভবিষ্যৎ জীবন গড়ে ওঠে।

তিনি আরও বলেন, বিশ্ববিদ্যালয়ের কাজই হচ্ছে শিক্ষার্থীদেরকে ভবিষ্যৎ জীবনের জন্য প্রস্তুত করা। এটা খুবই গুরুত্বপূর্ণ যে, শিক্ষার্থীরা নিজেদের দক্ষতা বিকাশের মাধ্যমে তাদের জীবনকে তৈরি করতে পারছে কিনা তা লক্ষ্য রাখাই বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধান দায়িত্ব।

ড. প্রনচাই মংখনভান্তি বলেন, একুশ শতকের এই পৃথিবী সম্পূর্ণরূপে বদলে গেছে। এই বদলে যাওয়া পৃথিবীর সঙ্গে খাপ খাইয়ে চলার জন্য আমাদের শিক্ষার্থীদেরকে তৈরি করতে হবে। বিশ্ববিদ্যালয়ের কাজ শুধু বই পড়ানো নয়, বরং বাস্তবজীবনে কাজে লাগে এমন জ্ঞান তাদের মধ্যে স ার করাই বিশ্ববিদ্যালয়ের কাজ।

নিজের প্রতিষ্ঠানের অভিজ্ঞতা উল্লেখ করে ড. অ্যান্ডি পুসকা বলেন, আমরা আমাদের প্রতিষ্ঠানে প্রায় দশ বছর আগে থেকে অনলাইনে শিক্ষা দিয়ে আসছি। সুতরাং এই মহামারি পরিস্থিতিতে আমাদের শিক্ষার্থীদের কোনো সমস্যাই হয়নি অনলাইনে ক্লাস করতে। এভাবেই আমরা আমাদের শিক্ষার্থীদেরকে ভবিষ্যৎ জীবনের জন্য প্রস্তুত করে থাকি। আমরা মনে করি ভবিষ্যৎ জীবনের জন্য উপযুক্ত হিসেবে শিক্ষার্থীদেরকে তৈরি করাই বিশ্ববিদ্যালয়ের কাজ।

পূর্ববর্তী সংবাদপরবর্তী সংবাদ







  সর্বশেষ সংবাদ  
  সর্বাধিক পঠিত  
এই ক্যাটেগরির আরো সংবাদ
সম্পাদক : নাজমুল হক শ্যামল
দৈনিক নতুন সময়, গ্রীন ট্রেড পয়েন্ট, ৭ বীর উত্তম এ কে খন্দকার রোড, মহাখালী বা/এ, ঢাকা ১২১২।
ফোন: ৫৮৩১২৮৮৮, ০১৯৯৪ ৬৬৬০৮৯, ইমেইল: info@notunshomoy.com
সম্পাদক মন্ডলীর সভাপতি: এমদাদ আহমেদ | প্রকাশক : প্রবাসী মাল্টিমিডিয়া কমিউনিকেশন লি.-এর পক্ষে কাজী তোফায়েল আহম্মদ | কপিরাইট © দৈনিক নতুন সময় সর্বসত্ত্ব সংরক্ষিত | Developed By: i2soft
DMCA.com Protection Status