|
এশিয়ান ইউনিভার্সিটিতে দুই দিনব্যাপী ৪র্থ আন্তর্জাতিক সম্মেলন অনুষ্ঠিত
নতুন সময় প্রতিবেদক
|
|
সুশাসন, ন্যায়বিচার ও নৈতিক নেতৃত্ব প্রতিষ্ঠা ![]() এশিয়ান ইউনিভার্সিটিতে দুই দিনব্যাপী ৪র্থ আন্তর্জাতিক সম্মেলন অনুষ্ঠিত সম্মেলনের উদ্বোধনী সেশনে প্রধান অতিথি হিসেবে শিক্ষা মন্ত্রী ড. আ ন ম এহসানুল হক মিলন প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকার কথা থাকলেও অনিবার্য কারন বশতঃ তিনি অনুষ্ঠানে উপস্থিত থাকতে পারেন নি বলে জানা যায়। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ অ্যাক্রিডিটেশন কাউন্সিলের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. মেসবাহউদ্দিন আহমেদ এবং বাংলাদেশ বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরী কমিশনের সদস্য অধ্যাপক ড. আনোয়ার হোসেন, দারু সালাম ইউনিভার্সিটি সোমালিয়র ভিসি প্রফেসর ড. শেখ আসিফ এস মিজানসহ প্রমুখ।অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন বিশ্ববিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত উপাচার্য প্রফেসর ড. মোশাররফ হোসেন ভূঁইয়া। অনুষ্ঠানে বক্তাগন বলেন, "সুশাসনের কোনো বিকল্প নেই। স্বচ্ছতা, জবাবদিহিতা এবং আইনের শাসন নিশ্চিত করার মাধ্যমে একটি আদর্শ শাসনব্যবস্থা গড়ে তোলা সম্ভব। বিশ্বজুড়ে নৈতিক নেতৃত্ব ও সামাজিক ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠায় বিশ্ববিদ্যালয় পর্যায় থেকেই তরুণদের প্রস্তুত করতে হবে।" আজকের এই আয়োজনের জন্য আয়োজকদের ধন্যবাদ জানানো হয়। সম্মেলনের মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন এইউবি-র প্রতিষ্ঠাতা ও বোর্ড অব ট্রাস্টিজের চেয়ারম্যান প্রফেসর ড. আবুল হাসান মুহাম্মদ সাদেক। তিনি তার বক্তব্যে জাতীয় ও আন্তর্জাতিক পর্যায়ে নৈতিক নেতৃত্বের গুরুত্ব তুলে ধরেন। উদ্বোধনী সেশনের পর একটি বিশেষ বিজনেস সেশন অনুষ্ঠিত হয়, যেখানে আলোচক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন: প্রফেসর ড. মুহাম্মদ জাফর সাদেক, ডীন, স্কুল অব সায়েন্স এন্ড ইঞ্জিনিয়ারিং, এইউবি। প্রফেসর ড. খান মুহাম্মদ মঈনুল হক, ডীন, স্কুল অব সোশ্যাল সায়েন্স, এইউবি। প্রফেসর মুহাম্মদ এমদাদ হুসাইন, আইআইইউসি। দেশি-বিদেশি অংশগ্রহণ এবারের সম্মেলনে বাংলাদেশসহ বিশ্বের ১১টি দেশের (মিশর, ইন্দোনেশিয়া, মালয়েশিয়া, নেপাল, পাকিস্তান, ফিলিপাইন, সৌদি আরব, থাইল্যান্ড, যুক্তরাজ্য ও যুক্তরাষ্ট্র) শিক্ষাবিদ, গবেষক ও পেশাজীবীরা অংশগ্রহণ করছেন। দেশের ও বিদেশের ৩৫টি বিশ্ববিদ্যালয় এবং ১৬টি গবেষণা কেন্দ্রের প্রতিনিধিরা তাদের গবেষণাপত্র উপস্থাপন করছেন। সম্মেলনটির সার্বিক আহ্বায়কের দায়িত্ব পালন করছেন এইউবি-র ইসলামিক স্টাডিজ বিভাগের লেকচারার ড. রাশেদুল আলম। আয়োজকদের প্রত্যাশা, এই সম্মেলনের মাধ্যমে অর্জিত জ্ঞান ও অভিজ্ঞতা আন্তর্জাতিক পর্যায়ে সুশাসন ও নৈতিক নেতৃত্ব প্রতিষ্ঠায় নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে।
|
| পূর্ববর্তী সংবাদ | পরবর্তী সংবাদ |
