ই-পেপার সোমবার ১৪ নভেম্বর ২০২২
ই-পেপার |  সদস্য হোন |  পডকাস্ট |  গুগলী |  ডিসকাউন্ট শপ
শুক্রবার ১৫ মে ২০২৬ ১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
করোনায় কোরবানির মাংস ২৭৫-৩০০ টাকা কেজি!
নতুন সময় প্রতিবেদক
প্রকাশ: Saturday, 1 August, 2020, 6:30 PM

করোনায় কোরবানির মাংস ২৭৫-৩০০ টাকা কেজি!

করোনায় কোরবানির মাংস ২৭৫-৩০০ টাকা কেজি!

গরু কেনা থেকে শুরু করে হাসিল পরিশোধ এবং কসাইয়ের মজুরি দেয়ার পর কোরবানির মাংসের মূল্য দাঁড়ায় কেজি প্রতি প্রায় ৮০০ টাকা।  এবছর মহামারী করোনাভাইরাস পরিস্থিতির কারণে হাটে গরু কম এনেছিলেন পাইকাররা।  শেষ মুহূর্তে গরুর দামও ছিল চড়া।  তাই কোনো কোনো গরু কোরবানি দেওয়ার পর কোরবানির মাংসের মূল্য দাঁড়িয়েছে কেজি প্রতি প্রায় ১০০০ থেকে ১২০০ টাকা।  করোনার কারণে সৃষ্ট আর্থিক মন্দার কারণে এবার ঈদুল আজহায় কোরবানিও কম হয়েছে। তারপরও যে যার সামর্থ্য মতো কোরবানি দিয়েছেন।

কোরবানি শেষে বিকেলের দিকে রাজধানীর বেশ কয়েকটি স্থানে চোখে পড়ছে মাংসের হাট। শহরের অলিতে-গলিতে অস্থায়ী এসব বাজারে খুব কম দামে মাংস বিক্রি হচ্ছে। মূলত সকাল থেকে ভিক্ষুক এবং গরিব-অসহায় মানুষেরা বিভিন্ন বাসাবাড়ি থেকে যে মাংস সংগ্রহ করেছেন সেটাই তারা এসব স্থানে বিক্রি করছেন। করোনার কারণে গত বছরগুলোর তুলনায় এবার মাংস কম পেয়েছেন তারা। সেটিই অস্থায়ী বাজারে বিক্রি করে দিচ্ছেন। এসব বাজার থেকে নিম্নবিত্ত শ্রেণির মানুষদের এ মাংস ক্রয় করতে দেখা গেছে।
অথচ সেই মাংসই এখন হাত ঘুরে রাজধানীর সূত্রাপুর, ধোলাই খাল, খিলগাঁও, রামপুরা, লিংক রোড, মালিবাগসহ বিভিন্ন স্থানে বিক্রি হচ্ছে ৩০০ টাকা দরে। কোনো কোনো ক্ষেত্রে এসব মাংসের দাম উঠানামা করছে।  অর্থাৎ হাড়ের পরিমাণের ওপর নির্ভর করছে এসব মাংসের মূল্য। তাই কোথাও ২৭৫ টাকা আবার কোথাও ৩০০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে এসব মাংস। শিশুদেরও কোরবানির মাংস বিক্রি করতে দেখা গেছে।  

পুরান ঢাকার এক মাংস বিক্রেতা বলেন, এসব মাংস রান্না করে খাওয়ার ক্ষমতা তাদের নেই। তার চেয়ে বরং ২/৩ কেজি মাংস বিক্রি করে যে টাকা পাওয়া যায় সেটা দিয়ে ৪ দিন সংসার চালানো যায়।

এদিকে, এসব মাংস মৌসুমী ব্যবসায়ীদের কাছে চলে যাওয়ায় মাংসের মান নিয়ে প্রশ্ন থেকেই যায়। কারণ বিভিন্ন বাসাবাড়ি থেকে বিভিন্ন রকমের মাংস একত্রিত করে বিক্রি করা হচ্ছে কেজি দরে। অথচ ঠিকমতো সংরক্ষণ করা হয়নি এসব মাংস। খুব সকাল থেকে ঘুরে ঘুরে এসব মাংস বিভিন্ন বাসা থেকে সংগ্রহ করে একত্র করেন তারা। দীর্ঘ সময় পার হয়ে গেলেও এগুলো সংরক্ষণে কোনো ব্যবস্থা নেয়ার সামর্থ্য তাদের নেই। তাই এসব মাংস খাওয়ার ক্ষেত্রে স্বাস্থ্যঝুঁকি থাকে। পুষ্টিবিদদের বক্তব্য, এসব মাংসে বিভিন্ন ধরনের জীবাণু ও ব্যাকটেরিয়া আক্রমণ করে। তাই এসব মাংস কেনা পরিহার করা উচিত।

পূর্ববর্তী সংবাদপরবর্তী সংবাদ







  সর্বশেষ সংবাদ  
  সর্বাধিক পঠিত  
এই ক্যাটেগরির আরো সংবাদ
সম্পাদক : নাজমুল হক শ্যামল
দৈনিক নতুন সময়, গ্রীন ট্রেড পয়েন্ট, ৭ বীর উত্তম এ কে খন্দকার রোড, মহাখালী বা/এ, ঢাকা ১২১২।
ফোন: ৫৮৩১২৮৮৮, ০১৯৯৪ ৬৬৬০৮৯, ইমেইল: info@notunshomoy.com
সম্পাদক মন্ডলীর সভাপতি: এমদাদ আহমেদ | প্রকাশক : প্রবাসী মাল্টিমিডিয়া কমিউনিকেশন লি.-এর পক্ষে কাজী তোফায়েল আহম্মদ | কপিরাইট © দৈনিক নতুন সময় সর্বসত্ত্ব সংরক্ষিত | Developed By: i2soft
DMCA.com Protection Status