ই-পেপার সোমবার ১৪ নভেম্বর ২০২২
ই-পেপার |  সদস্য হোন |  পডকাস্ট |  গুগলী |  ডিসকাউন্ট শপ
মঙ্গলবার ২৩ জুন ২০২৬ ৯ আষাঢ় ১৪৩৩
হজের মাসের প্রথম দশকের ফজিলত
নতুন সময় ডেস্ক
প্রকাশ: Thursday, 16 July, 2020, 2:49 PM

হজের মাসের প্রথম দশকের ফজিলত

হজের মাসের প্রথম দশকের ফজিলত

জিলকদ মাস ২৯ দিন হলে ২২ জুলাই থেকে শুরু হবে জিলহজ মাস। আর জিলকদ পূর্ণ হলে ২৩ জুলাই হবে জিলহজের প্রথম দিন। হাদিসে পাকে এ দিন থেকে কুরবানি পর্যন্ত প্রথম দশ দিনের অনেক ফজিলত বর্ণিত হয়েছে। সময়ের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট ইবাদতের মর্যাদা ও ফজিলত অনেক বেশি।

বিশেষ কিছু দিন এবং রাত এমন রয়েছে, যেসব দিন ও রাতের ইবাদত-বন্দেগিতে মহান আল্লাহ তাআলা অপরাধীর অপরাধ ক্ষমা করেন। তন্মধ্যে কদরের রাত, বরাতের রাত, দুই ঈদের রাত, রমজানের আমল, আশুরার আমল, জিলহজ মাসের প্রথম দশ দিনের আমল ইত্যাদি।

এ দিনগুলোর আমল-ইবাদত ইখলাসের সঙ্গে করলে আল্লাহ তাআলা বান্দার গোনাহসমূহ ক্ষমা করে দেন। এসব দিন ও রাতে বান্দার অশ্রুসিক্ত তাওবায় আল্লাহর রহমতের দরজা খুলে যায়।
হাদিসে পাকে হজের মাসের প্রথম দশকের অনেক ফজিলত বর্ণিত হয়েছে। আর তাহলো-
- হজরত আবু হুরায়রা (রা.) বর্ণনা করেন রাসুলুল্লাহ (সা.) ইরশাদ করেন, আল্লাহ তাআলার কাছে জিলহজ মাসের প্রথম ১০ দিনের ইবাদত অপেক্ষা অধিক পছন্দনীয় আর কোনো ইবাদত নেই। উহার প্রতিদিনের রোজা (৯ তারিখ পর্যন্ত) পূর্ণ এক বছরের রোজার সওয়াব। আর প্রতিটি রাতের ইবাদত লাইলাতুল কদরের ইবাদতের সমতুল্য।' সুবহানাল্লাহ! (তিরমিজি)

- হজরত ইবনে আব্বাস (রা.) বর্ণনা করেন, রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন, 'জিলহজ মাসের দশ দিনের নেক আমল আল্লাহ তাআলার কাছে সবচেয়ে প্রিয়। সাহাবায়ে কেরাম জিজ্ঞাসা করলেন জেহাদও কি অধিক প্রিয় নয়? রাসুলুল্লাহ (সা.) বললেন, 'না', জেহাদও নয়। তবে যারা জেহাদের ময়দানে নিজের জান-মাল দিয়ে লড়ছে এখনো ফিরে আসেনি তাদের বিষয়টি ভিন্ন।' (বুখারি)

তবে জিলহজ মাসের ৯ তারিখ তথা ইয়াওমে আরাফা বা আরাফার দিনের ফজিলত ও মর্যাদার কথা ভিন্ন। এ দিনের কথা প্রিয় নবি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম স্বতন্ত্রভাবে উল্লেখ করেছেন। হাদিসে এসেছে-
- হজরত কাতাদা (রা.) সূত্রে বর্ণিত, রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেন, আমি আল্লাহ পাকের দরবারে আশা রাখি যে, আরাফাতের দিনের রোজার দ্বারা তিনি এক বছরের আগের ও পরের সব গোনাহ ক্ষমা করে দেবেন।' (মুসলিম)

- রাসুলুল্লাহ (সা.) ইরশাদ করেছেন, ঈদের আগের রাতে আল্লাহর ইবাদতকারীর দিল (অন্তর মৃত হবে না, যেদিন সব দিল মরে যাবে। অর্থাৎ ঈদের রাত জাগরণকারী কেয়ামতের মহা ভয়ঙ্কর অবস্থা থেকে নিষ্কৃতি লাভ করবে, যখন মানুষ ভীষণ হতাশাগ্রস্ত হবে।' (মিশকাত)

আল্লাহ তাআলা মুসলিম উম্মাহকে হজের মাসের প্রথম দশক রোজা পালনসহ যে কোনো ইবাদত-বন্দেগিতে অতিবাহিত করার তাওফিক দান করুন। রোজা ও ইবাদতের মাধ্যমে নিজেদের বিগত জীবনের গোনাহ থেমে মুক্তির তাওফিক দান করুন। আল্লাহর রহমতের চাদরে নিজেদের আবৃত করার তাওফিক দান করুন। আমিন।

সম্পাদনা: মোঃ রাসেল আহমেদ

পূর্ববর্তী সংবাদপরবর্তী সংবাদ







  সর্বশেষ সংবাদ  
  সর্বাধিক পঠিত  
এই ক্যাটেগরির আরো সংবাদ
সম্পাদক : নাজমুল হক শ্যামল
দৈনিক নতুন সময়, গ্রীন ট্রেড পয়েন্ট, ৭ বীর উত্তম এ কে খন্দকার রোড, মহাখালী বা/এ, ঢাকা ১২১২।
ফোন: ৫৮৩১২৮৮৮, ০১৯৯৪ ৬৬৬০৮৯, ইমেইল: info@notunshomoy.com
সম্পাদক মন্ডলীর সভাপতি: এমদাদ আহমেদ | প্রকাশক : প্রবাসী মাল্টিমিডিয়া কমিউনিকেশন লি.-এর পক্ষে কাজী তোফায়েল আহম্মদ | কপিরাইট © দৈনিক নতুন সময় সর্বসত্ত্ব সংরক্ষিত | Developed By: i2soft
DMCA.com Protection Status