ই-পেপার সোমবার ১৪ নভেম্বর ২০২২
ই-পেপার |  সদস্য হোন |  পডকাস্ট |  গুগলী |  ডিসকাউন্ট শপ
বৃহস্পতিবার ২৫ জুন ২০২৬ ১১ আষাঢ় ১৪৩৩
মসজিদ প্রেমীরা আল্লাহর প্রিয়
নতুন সময় ডেস্ক
প্রকাশ: Saturday, 4 July, 2020, 3:48 PM

মসজিদ প্রেমীরা আল্লাহর প্রিয়

মসজিদ প্রেমীরা আল্লাহর প্রিয়

দুনিয়াতে মহান আল্লাহর সবচেয়ে প্রিয় জায়গা মসজিদ। মুমিনের জন্য এটি আত্মিক প্রশান্তি লাভ, আল্লাহর নৈকট্য অর্জন ও ঈমান-আমল উন্নত করার সর্বোত্তম জায়গা। মসজিদে জামাতের সহিত নামাজ পড়ার রয়েছে বিশেষ ফজিলত। নিম্নে সেই ফজিলতগুলো তুলে ধরা হলো :

মসজিদের মুসল্লিরা জান্নাতের মেহমান: বিখ্যাত সাহাবি আবু হুরায়রা (রা.) থেকে বর্ণিত, আল্লাহর রাসুল (সা.) বলেছেন, ‘যে ব্যক্তি সকাল এবং সন্ধ্যায় নামাজ আদায় করতে মসজিদে যায় এবং যতবার যায় আল্লাহ তাআলা ততবারই তার জন্য জান্নাতের মধ্যে মেহমানদারির উপকরণ প্রস্তুত করেন।’ (মুসলিম,  হাদিস : ১৪১০)

আল্লাহর পক্ষ থেকে ক্ষমার ঘোষণা: মসজিদে নামাজ আদায়ের ফজিলত প্রসঙ্গে নবীজির প্রিয় সাহাবি উসমান বিন আফফান (রা.) বলেন, আমি রাসুল (সা.)-কে বলতে শুনেছি, তিনি বলেছেন, ‘যে ব্যক্তি নামাজ আদায়ের জন্য পরিপূর্ণভাবে অজু করে ফরজ নামাজ আদায়ের উদ্দেশ্যে (মাসজিদে) যায় এবং লোকদের সঙ্গে, অথবা তিনি বলেছেন, জামাআতের সহিত, অথবা বলেছেন, মাসজিদের মধ্যে নামাজ আদায় করে, আল্লাহ তার গুনাহগুলোকে মাফ করে দিবেন।’ (মুসলিম, হাদিস : ৪৩৭)

গুনাহ মাফ ও মর্যাদা বৃদ্ধি: এক হাদিসে আল্লাহর রাসুল (সা.) বলেছেন, যে ব্যক্তি বাড়ি থেকে পাক-পবিত্র হয়ে (অজু করে) তারপর কোনো ফরজ নামাজ আদায় করার জন্য হেঁটে আল্লাহর কোনো ঘরে (মাসজিদে) যায়। তার প্রতিটি পদক্ষেপে একটি পাপ ঝরে পড়ে এবং অপরটিতে মর্যাদা বৃদ্ধি হয়। (মুসলিম, হাদিস : ১৪০৭)

আল্লাহর দায়িত্বে: আল্লাহর রাসুল (সা.) বলেছেন, ‘তিন প্রকার লোকের প্রত্যেকেই মহান আল্লাহর দায়িত্বে থাকে। যে ব্যক্তি মহান আল্লাহর পথে জিহাদের জন্য বের হয়, তার মৃত্যু পর্যন্ত আল্লাহ তার দায়িত্বশীল। অতঃপর আল্লাহ তাকে জান্নাতে প্রবেশ করাবেন কিংবা তাকে নিরাপদে তার নেকি ও গনিমতসহ তার বাড়িতে ফিরিয়ে আনবেন। দ্বিতীয়ত, যে ব্যক্তি আগ্রহ সহকারে মসজিদে যায়, আল্লাহ তার দায়িত্বশীল। এমনকি তার মৃত্যুর পর আল্লাহ তাকে জান্নাতে প্রবেশ করাবেন কিংবা তাকে নিরাপদে তার নেকি ও গনিমতসহ তার বাড়িতে ফিরিয়ে আনবেন। তৃতীয়ত, যে ব্যক্তি নিজ পরিবার-পরিজনের সঙ্গে মিলিত হয়ে সালাম বিনিময় করে, আল্লাহ তার জিম্মাদার।’ (আবু দাউদ, হাদিস : ২৪৯৪)

আল্লাহর সন্তুষ্টি: বান্দা মহান আল্লাহর ঘরে গেলে মহান আল্লাহ ভীষণ আনন্দিত হন। এক হাদিসে রাসুলুল্লাহ (সা.) বিষয়টি এভাবে বর্ণনা করেছেন, ‘কোনো মুসলিম ব্যক্তি যতক্ষণ মসজিদে নামাজ ও জিকিরে রত থাকে ততক্ষণ আল্লাহ তার প্রতি এতটা আনন্দিত হন,  প্রবাসী ব্যক্তি তার পরিবারে ফিরে এলে তারা তাকে পেয়ে যেরূপ আনন্দিত হয়।’ (ইবনে মাজাহ, হাদিস : ৮০০)

আরশের ছায়ায় আশ্রয়: কঠিন কিয়ামতের দিন মহান আল্লাহ তাঁর বিশেষ কিছু বান্দাকে আরশের ছায়ায় আশ্রয় দান করবেন। তাদের মধ্যে অন্যতম ব্যক্তিরা হবেন মসজিদে গমনকারী। রাসুল (সা.) বলেছেন, ‘যেদিন আল্লাহর (রহমতের) ছায়া ছাড়া আর কোনো ছায়া থাকবে না, সেদিন সাত ব্যক্তিকে আল্লাহ তাআলা তাঁর নিজের (আরশের) ছায়ায় আশ্রয় দেবেন। ৩. সে ব্যক্তি যার অন্তর মসজিদের সঙ্গে সম্পৃক্ত রয়েছে। (বুখারি, হাদিস : ৬৬০)

আল্লাহর প্রতিবেশী হওয়ার সৌভাগ্য: রাসুল (সা.) বলেন, ‘কিয়ামতের দিন আল্লাহ তাআলা বান্দাদেরকে ডেকে ডেকে বলবেন, আমার প্রতিবেশীরা কোথায়? আমার প্রতিবেশীরা কোথায়? তখন ফেরেশতারা জিজ্ঞেস করবেন, আপনার প্রতিবেশী কারা? তখন আল্লাহ তাআলা বলবেন, যারা দুনিয়াতে আমার ঘরের সঙ্গে (মসজিদের সঙ্গে) সম্পর্ক রেখেছে এবং মসজিদ নির্মাণে ভূমিকা রেখেছে। (হিলয়াতুল আউলিয়া : ১০/২১৩)

আল্লাহ তাআলা আমাদের মসজিদের সঙ্গে সম্পর্ক রেখে নিয়মিত জামাতে নামাজ পড়া ও মসজিদের খিদমত করার তৌফিক দান করুন।

পূর্ববর্তী সংবাদপরবর্তী সংবাদ







  সর্বশেষ সংবাদ  
  সর্বাধিক পঠিত  
এই ক্যাটেগরির আরো সংবাদ
সম্পাদক : নাজমুল হক শ্যামল
দৈনিক নতুন সময়, গ্রীন ট্রেড পয়েন্ট, ৭ বীর উত্তম এ কে খন্দকার রোড, মহাখালী বা/এ, ঢাকা ১২১২।
ফোন: ৫৮৩১২৮৮৮, ০১৯৯৪ ৬৬৬০৮৯, ইমেইল: info@notunshomoy.com
সম্পাদক মন্ডলীর সভাপতি: এমদাদ আহমেদ | প্রকাশক : প্রবাসী মাল্টিমিডিয়া কমিউনিকেশন লি.-এর পক্ষে কাজী তোফায়েল আহম্মদ | কপিরাইট © দৈনিক নতুন সময় সর্বসত্ত্ব সংরক্ষিত | Developed By: i2soft
DMCA.com Protection Status