ভারতীয় পার্লামেন্টের উচ্চকক্ষ রাজ্যসভায় বিরোধীদের চেয়ে নিজেদের আসন সংখ্যা বাড়ালো বিজেপি নেতৃত্বাধীন ক্ষমতাসীন জোট এনডিএ। গত শুক্রবার একপ্রস্থ নির্বাচনের ফল ঘোষণা করেছে কমিশন। তাতে দেখা গেছে, সংসদের উচ্চকক্ষে বিজেপির সাংসদ ৮৬ আর কংগ্রেসের ৪১।
সূত্রের বরাতে এনডিটিভি জানিয়েছে, বিজেপি পরিচালিত এনডিএ জোটের আসন সংখ্যা শতাধিক। এদিকে, বিজেপি ঘনিষ্ঠ দল হিসেবে জাতীয় রাজনীতিতে পরিচিত এআইএডিএমকে, বিজেডি, ওয়াইএসআর কংগ্রেসের সাংসদ সংখ্যা যথাক্রমে ৯, ৯ ও ৬ জন।
এই সাংসদদের সমর্থন গেরুয়া শিবিরের দিকে গেলে রাজ্যসভায় আরও বাড়বে এনডিএ জোট সরকারের শক্তি। ফলে, গুরুত্বপূর্ণ বিল পাশের ক্ষেত্রে আর গাণিতিক হিসেবনিকেশ করতে হবে না বিজেপিকে। ভারতীয় পার্লামেন্টের উচ্চকক্ষের ৬১টি আসনের জন্য তফসীল ঘোষণা করেছিল নির্বাচন কমিশন।
তবে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় ৪২ জন জয়লাভ করেছেন। বাকি ১৯টি আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা হয়েছে। বিজেপি ৮টি, কংগ্রেস ও ওয়াইএসআর কংগ্রেস চারটি করে আসনে জিতেছে। বাকিরা তিনটি আসনে জয়লাভ করেছে। রাজ্যসভার মোট আসন সংখ্যা ২৫০ জন (২৩৮ নির্বাচিত + ১২ জন মনোনীত)।
ভোটের আগে মধ্যপ্রদেশ আর গুজরাটে বিরোধী শিবির কংগ্রেসের কিছু বিধায়ককে টাকার বিনিময়ে পদত্যাগ করিয়েছিল বিজেপি বলে অভিযোগ আছে। সেই চালেই শুক্রবারের ভোট পেয়েছে বিজেপি। ৬১ টি আসনের বিজেপি ১৭টি আর কংগ্রেস ৯টি আসন ও বাকিগুলো আঞ্চলিক দলগুলোর খাতায় জমা পড়েছে।
রাজ্যসভায় বিজেপি বিরোধী দল কংগ্রেস, তৃণমূল কংগ্রেস, সিপিএম-সিপিআই ও ডিএমকে। বাকি দলগুলো কয়েক বছর ধরে বিজেপি বিরোধিতা করলেও ভোটাভুটির সময় সরকারপক্ষকে সুবিধা করে দিয়েছে। তালিকায় আছ সমাজবাদী পার্টি, বহুজন সমাজ পার্টি, টিআরএস আর ওয়াইএসআর কংগ্রেস ও টিডিপি।
যে ৬১টি আসনে ভোট হয়েছে, এরমধ্যে ৪২ আসনে জয়ী প্রার্থীরা হলেন নবাগত। তালিকায় আছেন জ্যোতিরাদিত্য সিন্ধিয়া, মল্লিকার্জুন খাড়গের মতো মুখ। যারা গত লোকসভা ভোটে হেরেছেন। এছাড়া জয় পেয়েছেন নাবেক প্রধানমন্ত্রী এইচডি দেবগৌড়া ও লোকসভার সাবেক ডেপুটি স্পিকার থাম্বিদুরাই।