ই-পেপার সোমবার ১৪ নভেম্বর ২০২২
ই-পেপার |  সদস্য হোন |  পডকাস্ট |  গুগলী |  ডিসকাউন্ট শপ
রোববার ৭ জুন ২০২৬ ২৪ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
হাত-পা বেঁধে নদীতে ফেলা হয় তুহিনকে, তিন দিন পর ভেসে ওঠে লাশ
নতুন সময প্রতিনিধি
প্রকাশ: Saturday, 20 June, 2020, 7:24 PM

হাত-পা বেঁধে নদীতে ফেলা হয় তুহিনকে, তিন দিন পর ভেসে ওঠে লাশ

হাত-পা বেঁধে নদীতে ফেলা হয় তুহিনকে, তিন দিন পর ভেসে ওঠে লাশ

মুন্সীগঞ্জের ব্যাটারি চালিত মিশুক চালক মো. তুহিনকে (১৪) হাত পা বেধে নদীতে ফেলে হত্যা করে বন্ধু মেহেদি (১৭)। শনিবার মুন্সীগঞ্জের জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালত-১ এর বিচারক মুক্তা মন্ডলের খাস কামরায় ১৬৪ ধারায় জবানবন্দিতে হত্যার কথা স্বীকার করেছে মেহেদি।

স্বীকারোক্তির তথ্য দিয়ে মুন্সীগঞ্জ সদর থানার ওসি আনিচুর রহমান জানান, মিশুকটির প্রকৃত ভাড়াটিয়া ও চালক মেহেদি। গত ১৬ জুন তুহিন বন্ধু মেহেদির মিশুকটি চালাতে নেয়। কিন্তু ওই দিন মেহেদি মিশুকটি চালাতে চাইলে তুহিন তাকে মিশুকটি দিতে অপরাগতা প্রকাশ করে বলে আজ আমিই চালাবো। পরে বিকালে তুহিনের সাথে পুরোনো বাস স্ট্যান্ড এলাকায় দেখা হয় মেহেদির। সেখানে মেহেদিও মিশুকে তুহিনের সাথে যাত্রী নিয়ে প্রথমে যায় শহরের কাচারি মোড়, তারপর খাসকান্দি-বাংলাবাজার এলাকায় আরেক যাত্রী নিয়ে যায় দুই বন্ধু। সেখানে যাত্রী নামিয়ে দিয়ে তারা রাত্র ১১টার দিকে চলে যায় মেঘনার শাখা নদীর পারে। তুহিন মেহেদির একটু আগেই মিশুক থেকে নেমে হাটতে থাকে। এই ফাঁকে পূর্ব পরিকল্পনা মতে মেহেদি মিশুক থেকে রশি ও কাপড় (নেকড়া) নিয়ে তুহিনের উদ্দেশ্যে যায়। দুজনের মধ্যে কথা কাটাকাটির এক পর্যায়ে তুহিন মেহিদিকে ঘুষি মারে। এ সময় মেহেদি তুহিনকে বেশ কয়েকটি কিল ঘুষি দিয়ে মাটিতে ফেলে দিয়ে তুহিনের হাত-পা ও মুখ বেঁধে ফেলে। পরে তাকে আহত অবস্থায় মেঘনার শাখা নদীতে ফেলে দেয়। জীবন্ত ডুবেই তুহিন মারা যায়।

শনিবার মুন্সীগঞ্জের জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেটের কাছে ১৬৪ ধারায় এ রকম জবানবন্দি দিয়েছে মেহেদি। এর পূর্বে নিখোঁজ হওয়ার তিনদিন পর মুন্সীগঞ্জের মেঘনার শাখা নদী থেকে ব্যাটারি চালিত মিশুকচালক মো. তুহিনের (১৪) ভাসমান মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। শুক্রবার (১৯ জুন) দুপুরের দিকে জেলা সদর উপজেলার বাংলাবাজার ইউনিয়নের ভোতারচর এলাকা থেকে মরদেহ উদ্ধার করা হয়।

তুহিন একই উপজেলার হাটলক্ষীগঞ্জ এলাকার মো. মামুন বেপারির ছেলে। সে গত ১৬ জুন একই এলাকার বন্ধু মেহেদির (১৫) ভাড়ায়চালিত মিশুক চালাতে গিয়ে নিখোঁজ হয়েছিল। এ ঘটনায় জিজ্ঞাসাবাদের জন্য চারজনকে আটক করে পুলিশ।

মুন্সীগঞ্জ সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আনিচুর রহমান আরও জানান, নিখোঁজের তিনদিন পর মেঘনার শাখা নদী থেকে ভাসমান অবস্থায় তুহিনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়। এ ঘটনায় মিশুকটির মালিক, প্রকৃত চালকসহ চার জনকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আটক করে থানায় নিয়ে আসা হয়। বৃহস্পতিবার সদর থানায় নিখোঁজের স্বজনরা সাধারণ ডাইরি (জিডি) করে। পুলিশের জিঞ্জাসাবাদে মেহেদি তুহিনকে হত্যার কথা পুলিশের কাছে স্বীকার করে। আজ বিজ্ঞ ম্যাজিস্ট্রের সামনে ১৬৪ ধারায় হত্যার স্বীকারোক্তি মূলক জবানবান্দি দেয় মেহেদি।

পূর্ববর্তী সংবাদপরবর্তী সংবাদ







  সর্বশেষ সংবাদ  
  সর্বাধিক পঠিত  
এই ক্যাটেগরির আরো সংবাদ
সম্পাদক : নাজমুল হক শ্যামল
দৈনিক নতুন সময়, গ্রীন ট্রেড পয়েন্ট, ৭ বীর উত্তম এ কে খন্দকার রোড, মহাখালী বা/এ, ঢাকা ১২১২।
ফোন: ৫৮৩১২৮৮৮, ০১৯৯৪ ৬৬৬০৮৯, ইমেইল: info@notunshomoy.com
সম্পাদক মন্ডলীর সভাপতি: এমদাদ আহমেদ | প্রকাশক : প্রবাসী মাল্টিমিডিয়া কমিউনিকেশন লি.-এর পক্ষে কাজী তোফায়েল আহম্মদ | কপিরাইট © দৈনিক নতুন সময় সর্বসত্ত্ব সংরক্ষিত | Developed By: i2soft
DMCA.com Protection Status