ই-পেপার সোমবার ১৪ নভেম্বর ২০২২
ই-পেপার |  সদস্য হোন |  পডকাস্ট |  গুগলী |  ডিসকাউন্ট শপ
শুক্রবার ২৬ জুন ২০২৬ ১১ আষাঢ় ১৪৩৩
অস্ট্রেলিয়ায় পুলিশ কেলেঙ্কারি, প্রতিদিন অফিসেই চলত ‘সেক্স সেশন’
নতুন সময় ডেস্ক
প্রকাশ: Thursday, 21 May, 2020, 12:06 PM

অস্ট্রেলিয়ায় পুলিশ কেলেঙ্কারি, প্রতিদিন অফিসেই চলত ‘সেক্স সেশন’

অস্ট্রেলিয়ায় পুলিশ কেলেঙ্কারি, প্রতিদিন অফিসেই চলত ‘সেক্স সেশন’

করোনার এই দুঃসময়ের মধ্যেও ওয়েস্টার্ন অস্ট্রেলিয়ার এক পুলিশি কেলেঙ্কারি ফাঁস হয়েছে। এক তরুণী এবং তার মধ্য বয়সী বসের সঙ্গে যৌন কেলেঙ্কারি ঘটনা নিয়ে তোলপাড় শুরু হয়েছে দেশটিতে। তারা দু’জনে নাকি অফিসেই ‘সেক্স সেশন’ চালাতেন। ওই তরুণী এবং তার মধ্যবয়সী পুলিশ ডিরেক্টর বস নগ্ন ছবিসহ হাজার হাজার ব্যক্তিগত বার্তা আদান-প্রদান করেছিলেন।

তাদের এই কর্মকাণ্ড শুরু হয় সারা কাজল নামের এক তরুণীর পুলিশে যোগদান করার পর। তখন ওই তরুণী সদ্য বিশ্ববিদ্যালয় ডিগ্রি শেষ করে স্থানীয় পুলিশের এক প্রশাসনিক পদে যোগদান করেন।

সারা জন পুরসেলের উইংয়ের অধীনে একটি প্রশাসনিক পদে চাকরি নেন। জন পুরসেল তখন ওয়েস্টার্ন অস্ট্রেলিয়া পুলিশের তথ্য পরিচালনা অফিসের সহকারী পরিচালক ছিলেন। তারা দু’জনেই অফিসের ইমেল ব্যবহার করে গোপন দেখা-সাক্ষাতের ব্যবস্থা করেন। বিবাহ বহির্ভূত সম্পর্কও গড়ে তুলেন।

তাদের মধ্যে সম্পর্ক চলাকালে জন সারার সঙ্গে ২৩ হাজার সাতশ ৩৬টি ছবি আদান-প্রদান করেন। যার মধ্যে ১২টি নগ্ন ছবি রয়েছে। ২০১৪ সালের ১১ জুলাই এক ইমেইলে একটি নগ্ন ছবি পান জন। এর আগে তিনিই সারাকে ছবি পাঠাতে বলেন। সাতটি মেইলে অবৈধ যৌন মিলনের আলাপ করতে দেখা যায়।

ডেইলি মেইলের সঙ্গে কথা বলার সময় সারা জানান, তাকে জন নিজের অফিসে প্রবেশাধিকার দিয়েছিলেন। এর উদ্দেশ্য ছিল তারা যাতে অফিসেই যৌন মিলন করতে পারেন। প্রতিদিনই তাদের যৌন মিলন চলত অফিসে। তারা যখন যৌন মিলন করতেন তখন পাশের কক্ষে সহকর্মীরা কাজ করতেন। তাদের এই সম্পর্কটি চলছিল ২০১৩ সাল থেকে ২০১৬ সাল পর্যন্ত।

সারা জানান, তিনি জনকে ভালোবাসতেন। কিন্তু একটা সময়ে গিয়ে অনুভব করলেন জনের তার প্রতি একই অনুভূতি নেই। এরপর তিনি যখন গর্ভবতী হয়ে পড়েন তখন তাদের সম্পর্কের মধ্যে তিক্ততা বেড়ে যায়।

তিনি বলেন, আমি নিজের জন্য ক্যারিয়ার তৈরির চেষ্টা করার সময় জন আমার সঙ্গে বাজে আচরণ করেছে। আমার এই সম্পর্কের ব্যাপারে অনেক লোকেই জানতেন। বিশেষ করে তার বন্ধুরা। আমি কর্মক্ষেত্রে ‘লাজ-লজ্জাহীন’ নারী হিসেবে পরিচিত ছিলাম।

এই ঘটনার পর জন ধরা পড়ে এক অভ্যন্তরীণ অডিটে। এরপর তাকে নিচের পদে ডিমোশন দেওয়া হয়। শাস্তি পাওয়ার পর তিনি ক্ষমা চেয়ে একটি আবেদন করেন। সেখানে তিনি জানান, তার এ কাজটি ছিল অন্যায়। পরে তাকে আর কোনো ধরনের ফৌজদারি অভিযোগের মুখোমুখি হতে হয়নি। তাকে সংবেদনশীল বা গোপনীয় কাজ করা থেকে বিরত রাখা হয়।

সূত্র: এনজেড হেরাল্ড।

পূর্ববর্তী সংবাদপরবর্তী সংবাদ







  সর্বশেষ সংবাদ  
  সর্বাধিক পঠিত  
এই ক্যাটেগরির আরো সংবাদ
সম্পাদক : নাজমুল হক শ্যামল
দৈনিক নতুন সময়, গ্রীন ট্রেড পয়েন্ট, ৭ বীর উত্তম এ কে খন্দকার রোড, মহাখালী বা/এ, ঢাকা ১২১২।
ফোন: ৫৮৩১২৮৮৮, ০১৯৯৪ ৬৬৬০৮৯, ইমেইল: info@notunshomoy.com
সম্পাদক মন্ডলীর সভাপতি: এমদাদ আহমেদ | প্রকাশক : প্রবাসী মাল্টিমিডিয়া কমিউনিকেশন লি.-এর পক্ষে কাজী তোফায়েল আহম্মদ | কপিরাইট © দৈনিক নতুন সময় সর্বসত্ত্ব সংরক্ষিত | Developed By: i2soft
DMCA.com Protection Status