ই-পেপার সোমবার ১৪ নভেম্বর ২০২২
ই-পেপার |  সদস্য হোন |  পডকাস্ট |  গুগলী |  ডিসকাউন্ট শপ
রোববার ১০ মে ২০২৬ ২৭ বৈশাখ ১৪৩৩
করোনা আতঙ্কে বিক্রি কমেছে খাবারের দোকানে
নতুন সময় প্রতিবেদক
প্রকাশ: Tuesday, 10 March, 2020, 10:24 PM

করোনা আতঙ্কে বিক্রি কমেছে খাবারের দোকানে

করোনা আতঙ্কে বিক্রি কমেছে খাবারের দোকানে

প্রাণঘাতী করোনা ভাইরাস বিশ্বের বিভিন্ন দেশে ছড়িয়ে পড়েছে। বাংলাদেশেও তিন জন করোনা ভাইরাস রোগী শনাক্ত হয়েছে। ছোঁয়াচে এই ভাইরাসটি থেকে বাঁচতে জীবাণু ধ্বংসকারী পণ্যের চাহিদা বেড়েছে। মানুষ প্রয়োজন ছাড়া ঘর থেকেও খুব একটা বের হচ্ছে না। ফলে ফুটপাতের খাবার বা রেস্তোরাঁর খাবার বিক্রিও কমে গেছে।

দেশে করোনা ভাইরাসের রোগী শনাক্ত হওয়ার সংবাদে অনেকেই আতঙ্কিত হয়ে পড়েছেন। রোগটি ছোঁয়াচে হওয়ায় কারো ব্যবহৃত জিনিস এড়িয়ে চলছেন। মঙ্গলবার সকালে ধানমন্ডির সুনামি হোটেলের ম্যনেজার রফিকের সাথে কথা হয়। তিনি জানান, অন্যান্য দিনের তুলনায় আজ লোকজন কম। অন্যান্য দিন যেখানে লাইন ধরে খাবার নিয়ে যেত, সেখানে আজ ক্রেতার উপস্থিতি অনেক কম।

ধানমন্ডি, কলাবাগান ও গ্রিন রোডের একাধিক খাবারে হোটেলে ঘুরে দেখা গেছে, আগের চেয়ে বিক্রি অনেক কমেছে। তবে বিভিন্ন অনলাইনের প্লাটফর্মে খাবার বিক্রি স্বাভাবিক রয়েছে। হোটেলে বসে খাবার খাচ্ছে এমন বিক্রির পরিমাণ আগের চেয়ে বেশ কমেছে। তবে খাবার কিনে বাসায় নিয়ে খাওয়ার পরিমাণ আগের চেয়ে বেড়েছে।

ধানমন্ডির স্টার হোটেলের ব্যবস্থাপক কামাল জানান, অন্যান্য দিনের চেয়ে বিক্রি অনেক কম। গতকালও ভালো বিক্রি ছিল। আজ সকাল থেকেই অন্যান্য দিনের চেয়ে লোকজন কম আসছে। তিনি জানান, এটা আবাসিক এলাকা হওয়ায় সকালে এবং রাতে বিক্রি ভালো হয়। তবে সকালে টার্গেটের চেয়ে বিক্রি কম হয়েছে।

একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের কর্মী আফতাব কাদের বলেন, প্রতিদিন দুপুরের খাবারে জন্য বাইরের কোনো রেস্তোরার উপর নির্ভর করতাম। তবে গত কয়েক দিনে সেই অবস্থান থেকে সরে এসেছি। আজ দুপুরে বাসার খাবারের উপরেই ভরসা করছি।

তবে ভিন্ন চিত্র দেখা গেছে সুপারশপগুলোতে। গ্রিন রোডে একটি সুপারশপে কথা হয় একটি স্কুলের শিক্ষকের সাথে। তিনি বলেন, ডেঙ্গুর সময় মশা মারার ওষধের দাম দ্রুত বাড়তে থাকে। একসময় অভিযানের কারণে বিক্রিই বন্ধ হয়ে যায়। পরে আমি পাইনি। সেই শিক্ষা হয়েছে। এবার আগেই বেশি করে কিনে রাখছি।

এর বাইরেও দৈনন্দিন জিনিস কিনে রাখছেন অনেকেই। যে যার মত পারছেন কাঁচামাল কিনে রাখছেন। পরিস্থিতি খারাপ হলে যেন কোনো পণ্যের অভাব না পড়ে তাই যে যার মত পারছে মজুদ করে রাখছে। চাল ডাল তেল নুন বেশি করে কিনে রাখছেন। এমনকি অনেকে আগামী তিন মাসের প্রস্তুতি নিয়ে রাখছেন।

পুষ্টিবিদ আনসিয়া পারভীন সুরভী বলেছেন, এই সময় যতটা সম্ভব বাইরে চলাচল করা থেকে দূরে থাকা দরকার। খাবারের ক্ষেত্রে আরো সতর্ক থাকতে হবে। আরেক জনের পাত্রে খাওয়ারে আগে অবশ্যই সেটা ভালো করে ধুয়ে নিতে হবে। 

পূর্ববর্তী সংবাদপরবর্তী সংবাদ







  সর্বশেষ সংবাদ  
  সর্বাধিক পঠিত  
এই ক্যাটেগরির আরো সংবাদ
সম্পাদক : নাজমুল হক শ্যামল
দৈনিক নতুন সময়, গ্রীন ট্রেড পয়েন্ট, ৭ বীর উত্তম এ কে খন্দকার রোড, মহাখালী বা/এ, ঢাকা ১২১২।
ফোন: ৫৮৩১২৮৮৮, ০১৯৯৪ ৬৬৬০৮৯, ইমেইল: info@notunshomoy.com
সম্পাদক মন্ডলীর সভাপতি: এমদাদ আহমেদ | প্রকাশক : প্রবাসী মাল্টিমিডিয়া কমিউনিকেশন লি.-এর পক্ষে কাজী তোফায়েল আহম্মদ | কপিরাইট © দৈনিক নতুন সময় সর্বসত্ত্ব সংরক্ষিত | Developed By: i2soft
DMCA.com Protection Status