মুগ্ধতা থেকে বিশাল মানব যন্ত্র বানালেন এই ব্যক্তি!
নতুন সময় ডেস্ক
প্রকাশ: Thursday, 30 January, 2020, 7:25 PM
মুগ্ধতা থেকে বিশাল মানব যন্ত্র বানালেন এই ব্যক্তি!
মানুষ ও যন্ত্রের গতিশীলতায় সব সময় মুগ্ধ হতেন কানাডার ভ্যানকুভারের জোনাথন টিপপেট। সেই মুগ্ধতা থেকেই প্রোথেসিস নামের বিশাল টেট্রাপড এক্সো-কঙ্কাল পরিকল্পনা করে বানিয়ে ফেলেছেন তিনি। প্রোথেসিসটি ১২ ফুট ১১ ইঞ্চি উচ্চতা, ১৬ ফুট ৮ ইঞ্চি দৈর্ঘ ও ১৮ ফুট ১ ইঞ্চি প্রশস্ত।
মহাকাশ ও রেসিং প্রাইভেট শিল্পে ব্যবহৃত এক হাজার ৬০০ কেজি উপাদান দিয়ে এক্সো-কঙ্কালের দেহ ও পা বানানো হয়েছে। জোনাথনের ভাষ্য, শারীরিক ও মানব দক্ষতার সমন্বয়ে একটি যন্ত্র বানাতে চেয়েছিলাম। আমি যন্ত্রটিকে আধুনিক প্রযুক্তি ও নতুন মাত্রা যোগ করেছি।
জোনাথন টিপপেট যন্ত্রটি চালানো সম্পর্কে বলেন, যন্ত্রের কেন্দ্রটি ৯৬ ভল্টের ৩৬ কিলোওয়াট ঘন্টা লিথিয়ামের আয়ন ব্যাটারি প্যাক, যা প্রচলিত ইঞ্জিনের মতো।
জোনাথন টিপপেট বলেন, যন্ত্রটির কেন্দ্রটি দুটি এসি বৈদ্যুতিক মোটর চালায়, যা দুটি হাইড্রোলিক পাম্প ও হাইড্রোলিক সিলিন্ডারে তরল প্রবাহ করে। যেটি ১২ হাজার পাউন্ডের মতো শক্তি প্রয়োগ করতে পারে। যন্ত্রটি পাইলট, শক্তিশালী তেল ছাড়া চলতে পারে না। কারণ এক্সও-ফ্রেম অত্যন্ত সংবেদনশীল।
তিনি আরো বলেন, যন্ত্রটি বানাতে অনেক বেগ পেতে হয়েছে। এক বছরের ভেতরে যন্ত্রটি বানালেও তিন বছর এটিকে পরীক্ষা করেছি।
তিনি বলেন, জীবনের ১৩ বছর বিশাল আকৃতির রাইডেবল অফ-রোড রেসিং এক্সো-কঙ্কাল তৈরিতে ব্যয় করেছি। অন্যান্য প্রকল্পে অনেক সময় ব্যয়ের মধ্যে প্রোথেসিসি হলো প্রথম রূপ। আমি এটির ছোট, হালকা সংস্করণ বানাতে চাই।
জোনাথন আরো বলেন, যন্ত্রটি গিনেস বুক ওয়ার্ল্ডে উঠলে সেটি হবে উত্তেজনাপূর্ণ। কারণ আমি ছোটবেলায় রেকর্ডধারীদের দেখতাম। রেকর্ড বুকের পৃষ্ঠা উল্টে বিস্মিত হতাম। নিজেকে সেখানে দেখতাম। তবে সেই রেকর্ডের জন্য আমি প্রস্তুত নই। যদিও সেটি হয়, আমার জন্য নয়, সেটি পুরো দলের জন্য হবে। >>ভিডিও দেখতে ক্লিক করুন<<