ই-পেপার সোমবার ১৪ নভেম্বর ২০২২
ই-পেপার |  সদস্য হোন |  পডকাস্ট |  গুগলী |  ডিসকাউন্ট শপ
শুক্রবার ২৬ জুন ২০২৬ ১২ আষাঢ় ১৪৩৩
তাহেরপুর টেলিফোন এক্সচেঞ্জের গ্রাহক দুর্ভোগ চরমে, ক্ষুব্ধ এলাকাবাসী
নতুন সময় প্রতিনিধি
প্রকাশ: Monday, 8 July, 2019, 3:08 PM

তাহেরপুর টেলিফোন এক্সচেঞ্জের গ্রাহক দুর্ভোগ চরমে, ক্ষুব্ধ এলাকাবাসী

তাহেরপুর টেলিফোন এক্সচেঞ্জের গ্রাহক দুর্ভোগ চরমে, ক্ষুব্ধ এলাকাবাসী

তাহেরপুর পৌর এলাকার টেলিফোন ব্যবহারকারি গ্রাহকদের ভোগান্তি এখানেই শেষ নয়। এক বছর পূর্বে ৮ থেকে ১০ হাজার টাকা বকেয়া দেখিয়ে টিএন্ডটি অফিস কতৃক কয়েকজন গ্রাহককে নোটিশ দেয়া হয় এবং দুজনের বিরুদ্ধে মামলা দিয়ে ব্যাপক হেনস্থা করার অভিযোগ পাওয়া গেছে। ফলে ঐ সকল গ্রাহকদের সুদ ও জরিমানাসহ রাজশাহী টিএন্ডটি অফিসে গিয়ে মোটা অংকের টাকা পরিশোধ করতে হয়েছে।






তাহেরপুরবাসীর অভিযোগ, ডিজিটাল সেবার কোন সুফলই পায়নি তাহেরপুরবাসি, বরং টেলিফোন সংযোগ বিকল থাকা শর্তেও মাসে মাসে নির্ধারিত বিল পরিশোধ করতে হচ্ছে। অনেক গ্রাহক এটিকে এখন গলার কাঁটা হিসেবে চিহ্নিত করেছেন।

ডিজিটাল টেলিফোন এক্সচেঞ্জ স্থাপনের দির্ঘদিন অতিবাহিত হলেও সেবারমান পূর্বের ন্যায় এনালগ রয়ে গেছে। নামেই শুধু ডিজিটাল বাস্তবে এর কোন সুফলই পায়নি পৌরবাসি।

ভুক্তভোগী গ্রাহকদের সাথে কথা বলে জানা যায়, বছরজুড়ে ৯৫ভাগ গ্রাহকের সংযোগ বিকল থাকে। এ বিষয়ে একাধিক অভিযোগ দেওয়া শর্তেও কোন ব্যবস্থা নেওয়া হয়না। অধিকাংশ সময়ই টেলিফোন এক্সচেঞ্জে গিয়ে দায়িত্বরত অপারেটর জামিল মিয়াকে পাওয়া যায়না। তার বিরুদ্ধে বিস্তর অভিযোগ রয়েছে।তাকে দিনের অধিকাংশ সময়ই তার পরিচিত জনদের সাথে বিভিন্ন স্থানে আড্ডা দিতে দেখা যায়।

জামিলের স্বেচ্ছাচারিতায় গ্রাহকরা উপায় অন্তহীন হয়ে পড়েছেন।অনেক গ্রাহকের সংযোগ বছরের পর বছর বিকল থাকার পরও নিয়মিত বিল পরিশোধ করতে হচ্ছে। বিল দেওয়া হয় প্রতি চার থেকে ছয় মাস পর পর তখন মোটা অংকের বিল পাওনা রয়েছে মর্মে নোটিশ প্রদান করা হয়। নোটিশে উল্লেখিত টাকা পরিশোধে বিলম্ব হলে মামলা দিয়ে হয়রানি করা হচ্ছে। ২০১৮সালে অনেক গ্রাহককে বকেয়া বিলের মামলা দিয়ে ব্যাপক হয়রানি করা হয়।

ভুক্তভোগী তাহেরপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক এসএম হাফিজুর রহমান জনান, আমার টলিফোন সংযোগ দির্ঘদিন যাবত বিকল থাকা শর্তেও প্রতি মাসে তাদের নির্ধারিত হারে বিল পরিশোধ করতে হচ্ছে। টেলিফোনে কথা না বলেই বিল দিতে হয়।

নাম প্রকাশ না করার শর্তে একজন ভুক্তভোগী গ্রাহক জানান, টেলিফোন সংযোগ বিকল, বকেয়া নোটিশ প্রদান, কাউকে আবার মামলা দিয়ে হেনস্থা করা, এসব কিছুর পিছনে তাহেরপুর ডিজিটাল টেলিফোন এক্সচেঞ্জের অপারেটর জামিল মিয়ার কারসাজি রয়েছে।

বাগমারা মাদক ও সন্ত্রাস প্রতিরোধ কমিটির আহবায়ক এসএম সামসুজ্জোহা মামুন বলেন, 'আমার বড়ীতে দির্ঘদিন যাবত টেলিফোন সংযোগ বিকল অবস্থায় রয়েছে। স্থানীয় অপারেটরকে অভিযোগ দিয়েও কোন লাভ হয়নি। উপরন্ত আমাকে ৬হাজার টাকার ভুতুড়ে বকেয়া বিলের নোটিশ দেয়া হয় এবং নোটিশে উল্লিখিত টাকা পরিশোধ করতে বলা হয়। এরপর আমি কিছু টাকা পরিশোধ করি। মাস তিনেক পর আবারও ৭হাজার টাকা বিল বকেয়া রয়েছে মর্মে চুড়ান্ত নোটিশ দেয়। এসব বিড়ম্বনার কারনে পৌর এলাকার অধিকাংশ গ্রাহকই টেলিফোন সংযোগকে গলার কাঁটা মনে করছেন'।

গ্রাহকরা অভিযোগ করে বলেন, টেলিফোন সংক্রান্ত যে কোন কাজে তাহেরপুর টেলিফোন এক্সচেঞ্জ অফিসে গিয়ে কাউকে পাওয়া যায়না। অধিকাংশ সময় তালা ঝুলতে দেখা যায়। অপারেটর জামিল মিয়ার সীমাহীন গাফিলতি ও স্বেচ্ছাচারিতার কারনে অধিকাংশ গ্রাহক সংযোগ বিচ্ছিন্ন করছেন বলে জানা গেছে। ভুক্তভোগী গ্রাহকরা বিটিসিএল উর্দ্ধতন কতৃপক্ষের আশু পদক্ষেপ কামনা করেছেন।

এ ব্যাপারে তাহেরপুর ডিজিটাল টেলিফোন এক্সচেঞ্জের অপারেটর জামিল এর বক্তব্য নেওয়ার জন্যে তার অফিসে গেলে তালা ঝুলতে দেখা যায়, এরপর তার মোবাইলে একাধিকবার ফোন করা হলেও তার সাড়া পাওয়া যায়নি।

পূর্ববর্তী সংবাদপরবর্তী সংবাদ







  সর্বশেষ সংবাদ  
  সর্বাধিক পঠিত  
এই ক্যাটেগরির আরো সংবাদ
সম্পাদক : নাজমুল হক শ্যামল
দৈনিক নতুন সময়, গ্রীন ট্রেড পয়েন্ট, ৭ বীর উত্তম এ কে খন্দকার রোড, মহাখালী বা/এ, ঢাকা ১২১২।
ফোন: ৫৮৩১২৮৮৮, ০১৯৯৪ ৬৬৬০৮৯, ইমেইল: info@notunshomoy.com
সম্পাদক মন্ডলীর সভাপতি: এমদাদ আহমেদ | প্রকাশক : প্রবাসী মাল্টিমিডিয়া কমিউনিকেশন লি.-এর পক্ষে কাজী তোফায়েল আহম্মদ | কপিরাইট © দৈনিক নতুন সময় সর্বসত্ত্ব সংরক্ষিত | Developed By: i2soft
DMCA.com Protection Status