|
জাতীয় ঐক্যফ্রন্ট ছাড়লেন কাদের সিদ্দিকী
নতুন সময় প্রতিবেদক
|
|
জাতীয় ঐক্যফ্রন্ট ছাড়লেন কাদের সিদ্দিকী সোমবার দুপুরে জাতীয় প্রেসক্লাবের জহুর হোসেন চৌধুরী হলে অনুষ্ঠিত সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ ঘোষণা করেন। বঙ্গবীর কাদের সিদ্দিকী বলেন, কৃষক শ্রমিক জনতা লীগ ড. কামাল হোসেনের নেতৃত্বে সার্বিক জাতীয় মানসে জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের শরিক হয়েছিল, বিএনপি’র নেতৃত্বে নয়। কিন্তু ড. কামাল হোসেনের নেতৃত্ব দানে অনীহা ঐক্যফ্রন্টকে কখনো সুদৃঢ়ভাবে দাঁড়াতে দেয়নি। নির্বাচন পরবর্তী সাত মাস জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের অস্তিত্ব খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে না। আনুষ্ঠানিকভাবে মতিঝিলে প্রবীণ নেতার অফিসে ঐক্যফ্রন্টের একটি সমাপ্ত বৈঠক ছাড়া কখনো কোনো নির্দিষ্ট বিষয়বস্তু নিয়ে কোনো মিটিং হয়নি। তাতে মনে হয় কোন কালে কখনো জাতীয় ফ্রন্ট নামে বাংলাদেশী কোন রাজনৈতিক জোট বা ফ্রন্ট বা ঐক্য গঠনই হয়নি। তিনি বলেন, দেশের জনগণের প্রকৃত পাহারাদার হিসেবে গঠিত কৃষক শ্রমিক জনতা লীগ এভাবে বসে থাকতে পারে না। তাই দেশে একটি সার্বিক জাতীয় কি প্রয়োজন। সবাই মিলে ইস্পাত কঠিন সুদৃঢ় একটি জনগণের উপদেষ্টা না হলে দেশে স্বাভাবিক রাজনীতি অর্থনীতি ও সাংস্কৃতিক সুবাস বইবে না। সমমনা গণতন্ত্রকামী সকল দল মদ ও গোষ্ঠীর সাবেক ব্যাপক আলাপ-আলোচনার মাধ্যমে একটি সার্বিক জাতীয় ক্ষমতার ভিত্তিতে গণ-আন্দোলনের সূচনা করতে আমরা দৃঢ় প্রতিজ্ঞাবদ্ধ। এতএব জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের অস্তিত্ব বা ঠিকানা খোঁজার চিন্তা মাথা থেকে ঝেরে ফেলে জনগণের সকল সমস্যায় তাদের পাশে থাকার অঙ্গীকার এ জাতীয় শ্রমিক জনতা লীগ নতুন উদ্যমে পথ চলা শুরু করেছে। আমরা সব সময়ই দেশবাসীর বিশ্বস্ত থাকার চেষ্টা করেছি, ভবিষ্যতে চেষ্টা অব্যাহত থাকবে। অতীতে যেমন সব সংগ্রাম আন্দোলনে আমরা আমাদের সাধ্যমত ভূমিকা রাখার চেষ্টা করেছি ভবিষ্যতেও তা রাখবো। দেশবাসীর কাছে আমাদের আবেদন তারা সর্বোতভাবে আমাদের সহযোগিতা করবে। |
| পূর্ববর্তী সংবাদ | পরবর্তী সংবাদ |
আলফাডাঙ্গায় ২৮ জুন ভিটামিন এ প্লাস ক্যাম্পেইন: সফল করতে প্রস্তুতি সভা সম্পন্ন
সেনাবাহিনীর উদ্যোগে পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম ও বর্জ্য ব্যবস্থাপনা বিষয়ে মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত
স্মার্টফোন বিস্ফোরণে আতঙ্ক, টঙ্গীতে ভিভো ফোনে অল্পের জন্য রক্ষা পেল পরিবার
সাতক্ষীরায় রাফাতের মৃত্যুর ঘটনার সঠিক তদন্ত পূর্বক দোষীদের আইনের আওতায় আনার দাবিতে মানববন্ধন
