শজনে দেখতে সবুজ রঙের লম্বা আকৃতির। আর ফুলগুলো হয় হলুদ রঙের । শজনের কচিপাতা, ফুল, ও শজনে স্বাস্থ্যের জন্য উপকারী। শজনের তরকারি খেতে খুবই সুস্বাদু।
রোগপ্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে শজনে ফুল ও ডাঁটা অত্যন্ত উপকারী। তাই প্রতিদিন ভাতের সঙ্গে খেতে পারেন শজনে।
শজনে ডাঁটা গ্রীষ্মকালীন সবজি। শজনে দিয়ে অনেক ধরনের তরকারি রান্না করা যায়। শজনে ডাঁটা দিয়ে রান্না করা মজাদার তরকারি শুধুমাত্র স্বাদেই ভরপুর না, এতে রয়েছে প্রচুর পুষ্টিগুণ।
গরমের সময় অনেকে পেটের সমস্যায় ভোগেন। পেটে গ্যাস্ট্রিকের সমস্যা, বদহজম ও পেটে ব্যথা হলে শজনের তৈরি তরকারি খুব উপকারী। কারণ শজনের তরকারি হজমে সহায়তা করে। এটি পেটের সমস্যা নিরসনে সহায়তা করে।
এছাড়া শজনে ডাঁটা উচ্চ রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণ করে ও যাদের কোলেস্টোরেলের সমস্যা আছে তাদের জন্য এটি খুব উপকারী। শজনে ডাঁটা কোলেস্টোরেল কমাতে সহায়তা করে।
শজনে ডাঁটা কিনতে হবে দেখেশুনে।মসুর ডাল ভালো করে ধুয়ে ভিজিয়ে রাখুন, এতে রান্নায় সময় বাঁচবে।
তেল গরম করে পেঁয়াজ কুচি, রসুন বাটা ভেজে তাতে মরিচ হলুদ গুঁড়া এবং লবণ দিয়ে ভালো করে কষাতে থাকুন। তেল আলাদা হলে এক কাপ পানি দিয়ে দিন। কয়েকটা কাঁচা মরিচ দিয়ে দিন।
এবার ডাল দিন এবং ভালো করে নেড়ে কষিয়ে নিন। আরো এক কাপ পানি দিয়ে করে সিদ্ব করুন। প্রয়োজনে আরো কিছু পানি দিতে পারেন এবং রঙ আপনার মনের মত হলে তাতে টমেটো ফালি করে দিয়ে দিন।
ডাল না গললে ঘুটা দিতে পারেন। ব্যস হয়ে গেল মসুর ডাল রান্না!
ডাল হয়ে গেলে তাতে শজনে ডাঁটা দিয়ে দিন। শজনে ডাঁটা সিদ্ব হতে মিনিট বিশেক সময় নিতে পারে। প্রয়োজনে ডাকনা দিয়ে হালকা আঁচে রাখুন।ঘরে ধনিয়া পাতা থাকলে দিন। ঘ্রান ও স্বাদ আরো বেড়ে যাবে।
অন্য একটা কড়াইয়ে সামান্য তেল নিয়ে ভাল করে গরম করুন এবং রসুন ভাঁজুন। হালকা হলুদ হলে তাতে সাজনের ডাল দিয়ে দিন। এটা হচ্ছে বাগার। স্বাদ কয়েকগুণ বেড়ে যাবে।
প্রয়োজনে আরো কিছু সময় হালকা আঁচে রাখুন ও লবণ দেখুন। হয়ে গেল ডাল দিয়ে শজনে ডাঁটা।