|
স্বামীকে অন্য নারীর কাছে পাঠানোই স্ত্রীর কাজ!
নতুন সময় ডেস্ক
|
![]() স্বামীকে অন্য নারীর কাছে পাঠানোই স্ত্রীর কাজ! চৈত্র সংক্রান্তির সন্ধ্যায় স্বামী যাবেন রক্ষিতার বাড়ি। যাওয়ার আগে স্বামীর কখন কি লাগবে তা জোগান দেওয়ার দায়িত্ব ছিল স্ত্রীর। আর এ কাজে একটু উনিশ বিশ হলেই আর রক্ষা নেই। গালাগাল তো শুনতে হবেই, এমনকি মারও জুটতে পারে। তাই স্ত্রীকে খুব যত্ন করে সাজাতে হতো স্বামীকে। স্ত্রী সব ব্যবস্থা করেই স্বামীকে রওনা করিয়ে দিতেন রক্ষিতার বাড়ির দিকে। এটাই ছিল কলকাতার ধনী স্বামীদের নিয়ম। সেজেগুজে সুগন্ধি মেখে স্বামী পৌঁছতেন রক্ষিতার বাড়ি। ফোয়ারা উড়তো বিদেশ থেকে আমদানি করা সুরার বোতলে। চলতো সারারাত ফুর্তি। আমোদে আমোদে রাত কেটে হতো ভোর। নববর্ষের প্রথম দিন স্বামী বাড়ি ফিরলে স্ত্রী তাকে ধরে বিছানায় শুইয়ে দিতেন। শোয়ার সঙ্গে সঙ্গেই স্বামী ঘুমের দেশে। বাংলা নতুন বছরের প্রথম দিনটা ঘুমিয়েই কাটাতেন স্বামী। দুপুরের পর ঘুম ভাঙলে আবার সন্ধ্যার মজলিশ। সেদিন অর্থাৎ নববর্ষের সন্ধ্যাবেলা আর রক্ষিতার বাড়ি নয়। বাড়ির জলসাঘরে বসত নাচ-গানের আসর। সেই ফুর্তিতেই কেটে যেতো স্বামীর সারাবেলা। এই দিনে স্ত্রীদের জায়গা হতো নিজের ঘরে। এভাবেই কলকাতার স্বামীরা পয়লা বৈশাখ কাটাতেন। আর স্ত্রীরা এই দিন থেকেই কাঁদতে শুরু করতেন। সারা বছর স্বামীর খেয়াল রাখতেই কেটে যেত। মেনে নিতেন অন্য মহিলার সঙ্গে অবৈধ সম্পর্কও। কিছুই বলার ক্ষমতা ছিল না তাদের। কোনো আইনও ছিল না তাদের জন্য। সব কিছু মুখ বুজে সহ্য করে নিতেন তারা। এটাই ছিল কলকাতার আগের সমাজের নিয়ম। |
| « পূর্ববর্তী সংবাদ | পরবর্তী সংবাদ » |
