|
টাইগারদের ভাস্কর্য মেরামতের দাবি ক্রীড়াপ্রেমীদের
নতুন সময় প্রতিবেদক
|
![]() টাইগারদের ভাস্কর্য মেরামতের দাবি ক্রীড়াপ্রেমীদের ৩০ মে পর্দা উঠছে আইসিসি ক্রিকেট বিশ্বাকাপের। বিশ্বকাপকে সামনে রেখে ক্রিকেটপ্রেমী নগরবাসীর পক্ষ থেকে ভাস্কর্যগুলো মেরামতসহ ও রঙ করার দাবি ওঠলেও চসিক বলছে, সম্ভব না! আখতারুজ্জামান ফ্লাইওভারের কারণে নগরীন লালখান বাজার মোড়ের ক্রেকেটারদের ভাস্কর্যটি উঠিয়ে নেয়া হয়েছে বেশ কয়েকমাস আগে। এছাড়া নগরীর নীমতলা এলাকার ভাস্কর্যগুলোতে মাশরাফির পা নেই তো সাকিবের নেই হাত। ঝাঝরা হয়ে গেছে ক্রিকেটারদের বুক ও মুখ! এছাড়া ওঠে গেছে শরীরের রঙও। কোনো ক্রিকেটারের ভেঙেছে হাত আবার কোনো ক্রিকেটারের পা। মাশরাফির বুক ঝাঝরা তো সাকিবের মুখে ক্ষত। এছাড়া ওঠে গেছে শরীরের রঙও। এ বিষয়ে দৃষ্টি আকর্ষণ করতে চসিকের প্রধান স্থপতি রেজাউল করিমের কাছে ফোন করা হলে তিনি বলেন, ক্রিকেটারদের ভাস্কর্যগুলোর অঙ্গপ্রত্যঙ্গ ঠিক করে রঙ লাগানোর বাজেট চসিকের নেই। তাই এসব কাজ করা আপাতত সম্ভব না। নগরীর বিভিন্ন মোড়সহ এসব ভাস্কর্যগুলো ব্যক্তি মালিকানাধীন প্রতিষ্ঠানকে দেয়া হচ্ছে। সেই সব কোম্পানিই স্পন্সর হয়ে সৌন্দর্যবর্ধনে যা করণীয় তা করবেন। ব্যক্তি মালিকানাধীন কোম্পানি কখন করতে পারেন এই কাজ এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, সময় লাগবে। এ বিষয়ে কথা বলতে চসিক মেয়র আ.জ.ম নাছির উদ্দিনকে মোবাইলে ফোন দেয়া হলেও তিনি কল রিসিভ করেননি। ২০১১ সালে চট্টগ্রাম ভেন্যুতে বিশ্বকাপ অনুষ্ঠানের আগে স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয় বিদেশিদের কাছে বাণিজ্যিক রাজধানী চট্টগ্রামের ঐতিহ্যগত সৌন্দর্য তুলে ধরতে ৫৬ কোটি ৫৫ লাখ টাকা বরাদ্দ করে। ২০১৪ সালে মন্ত্রণালয় একই কাজে আরও ৫ কোটি টাকা বরাদ্দ দেয়। ওই প্রকল্পের অধীনে নগরের গুরুত্বপূর্ণ সড়ক-মোড়গুলোয় বসানো হয় রয়েল বেঙ্গল টাইগার, বিমানের ভাস্কর্য, ঘোড়সওয়ার, ক্রিকেটারের ভাস্কর্য, ম্যুরালসহ রোপণ করা হয় সবুজ গাছপালা। এসব বর্ণিল স্থাপনা রক্ষণাবেক্ষণ ও পরিচর্যায় কেনা হয় রাস্তার ধুলা সুইপিং গাড়ি। ভাস্কর্য ও সবুজ সৌন্দর্য ধরে রাখতে প্রতি সপ্তাহে অন্তত একবার পরিচর্যা ও ডিভাইডারের গাছ পানি দিয়ে পরিচর্যা করার কথা থাকলেও তা যথাযথ বাস্তবায়ন করা হয়নি। |
| পূর্ববর্তী সংবাদ | পরবর্তী সংবাদ |
