|
দক্ষিণের লঞ্চযাত্রীরা বিপাকে
কাউন্টারে টিকিট নেই মিলছে কালোবাজারে
নতুন সময় প্রতিবেদক
|
|
কাউন্টারে টিকিট নেই মিলছে কালোবাজারে এসব লঞ্চে সিঙ্গেল, ডাবল, ভিভিআইপি, ভিআইপি, সেমি ভিআইপি, শৌখিন ও ফ্যামিলি ক্যাটাগরিতে দুই হাজার ৫৩৩টি কেবিন রয়েছে। পাশাপাশি এসব লঞ্চে ধারণক্ষমতা রয়েছে ৪১ হাজার ৩৪৮ যাত্রীর। কিন্তু এই ঈদে প্রতিদিনই ৫ হাজারের বেশি কেবিনের চাহিদা রয়েছে। একই ভাবে গড়ে প্রায় ১ লাখ করে যাত্রী বরিশালে আসবে। এসব কারণে লঞ্চর টিকিট সোনার হরিণে রূপ নিয়েছে। রমজান শুরুর পর থেকেই সাধারণ যাত্রী ও তাদের স্বজনরা কেবিনের টিকিট পেতে লঞ্চের অফিস ও কাউন্টারগুলোতে দৌড়ঝাঁপ শুরু করেন। ওই সময় তাদের কাছ থেকে স্লিপ জমা রাখা হয়। তবে নির্ধারিত সময়ে তাদের নামে কোনো কেবিন থাকে না বলে অভিযোগ রয়েছে। কেবিনের খাতায় নাম থাকে প্রভাবশালী ব্যক্তির ও মালিকপক্ষের লোকজনের। এ কারণে প্রতিবছর ঈদ মৌসুমে প্রভাবশালী ব্যক্তি অথবা লঞ্চ মালিক পক্ষের লোকজনের মাধ্যমে কেবিন নিতে হয় সাধারণ যাত্রীদের। বাড়ি ফেরার নানা ঝক্কির সঙ্গে যোগ হয় টিকিট পাওয়ার জন্য লবিংয়ের ঝক্কি। আর যাদের প্রভাবশালীদের সঙ্গে পরিচয় নেই, তাদের ভরসা কালোবাজারের দালাল চক্র। যাত্রীরা বলছেন, কাউন্টারগুলোয় টিকিট না পাওয়া গেলেও বরিশাল নদীবন্দরে অতিরিক্ত ৫০০ থেকে ২ হাজার টাকা দিলেই দালালদের কাছে পাওয়া যায় কেবিনের টিকিট। অভিযোগের বিষয়ে সুন্দরবন নেভিগেশনের বরিশাল অফিস ম্যানেজার মো. জাকির হোসেন বলেন, প্রয়োজনের তুলনায় কেবিন কম হওয়ায় কেউ কেউ কেবিনের টিকিট না পেয়ে বিভ্রান্তি ছড়াচ্ছেন। আমরা প্রকৃত যাত্রীদের হাতে টিকিট দিতে আগে থেকেই নানা ব্যবস্থা নিয়েছি। এমভি কীর্তনখোলা লঞ্চ কোম্পানির ম্যানেজার মো. বেল্লাল হেসেন জানান, আগে এলে আগে পাবেন ভিত্তিতে কেবিনের টিকিট ছাড়া হয়। পরে এসে টিকিট না পেয়ে অনেকে ক্ষুব্ধ হয়ে নানা অভিযোগ করেন। দালালদের বিষয়ে বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌ চলাচল (যাত্রী পরিবহন) সংস্থার সহসভাপতি সাইদুর রহমান রিন্টু বলেন, এ বিষয়ে প্রশাসন, লঞ্চ মালিক ও বিআইডব্লিউটিএ কঠোর অবস্থান নিয়েছে। বরিশাল বিআইডব্লিউটিএ’র নৌ নিরাপত্তা ও ট্রাফিক ব্যবস্থাপনা বিভাগের উপপরিচালক আজমল হুদা মিঠু সরকার বলেন, কালোবাজারি রোধে আমরা বরাবরের মতো কঠোর অবস্থানে রয়েছি। সম্প্রতি দুই দালালকে ধরে আমরা ভ্রামমাণ আদালতের মাধ্যমে সাজা দিয়েছি। |
| পূর্ববর্তী সংবাদ | পরবর্তী সংবাদ |
