ই-পেপার সোমবার ১৪ নভেম্বর ২০২২
ই-পেপার |  সদস্য হোন |  পডকাস্ট |  গুগলী |  ডিসকাউন্ট শপ
শনিবার ৯ মে ২০২৬ ২৬ বৈশাখ ১৪৩৩
প্যারাবন ধ্বংসকারীদের বিরুদ্ধেও অভিযানের দাবি মহেশখালীবাসীর
সোনাদিয়ায় অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদে যৌথ অভিযান
নতুন সময় প্রতিনিধি
প্রকাশ: Saturday, 9 May, 2026, 9:39 PM

সোনাদিয়ায় অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদে যৌথ অভিযান

সোনাদিয়ায় অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদে যৌথ অভিযান

মহেশখালী উপজেলার কুতুবজোম ইউনিয়নের সোনাদিয়া এলাকায় সরকারি খাস জমি ও পরিবেশগত সংকটাপন্ন এলাকায় অবৈধভাবে গড়ে ওঠা কটেজ ও রিসোর্ট উচ্ছেদে পরিচালিত যৌথ অভিযানকে স্বাগত জানিয়েছে মহেশখালীর সর্বস্তরের মানুষ।

একই সঙ্গে দীর্ঘদিন ধরে প্যারাবন ধ্বংস করে গড়ে ওঠা চিংড়ি মাছের প্রজেক্ট ও লবণ মাঠের বিরুদ্ধেও দ্রুত আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি তুলেছেন স্থানীয় সচেতন মহল ও সাধারণ জনগণ।

উপজেলা প্রশাসনের উদ্যোগে আজ শনিবার (০৯ মে ২০২৬) পরিচালিত অভিযানে নেতৃত্ব দেন মহেশখালী উপজেলা প্রশাসনের সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও বিজ্ঞ এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট জনাব আবু জাফর মজুমদার।

 অভিযানে সরকারি খাস জমিতে অবৈধভাবে নির্মিত আনুমানিক ২০ থেকে ২৫টি বড়, ছোট ও মাঝারি আকারের স্থাপনা উচ্ছেদ করা হয় এবং সরকারি জমি পুনরুদ্ধারের কার্যক্রম পরিচালিত হয়।

অভিযানে বাংলাদেশ নৌবাহিনী, মহেশখালী থানা পুলিশ, বাংলাদেশ কোস্ট গার্ড, বাংলাদেশ আনসার ও গ্রাম প্রতিরক্ষা বাহিনী, ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স, বন বিভাগ এবং পরিবেশ অধিদপ্তর, কক্সবাজারের প্রতিনিধিরা অংশ নেন এবং সার্বিক সহযোগিতা প্রদান করেন।

স্থানীয়রা জানান, দীর্ঘদিন ধরে সোনাদিয়া ও আশপাশের এলাকায় পরিবেশবিধি উপেক্ষা করে সরকারি জমি দখল, প্যারাবন উজাড় এবং অবৈধ স্থাপনা নির্মাণের ঘটনা ঘটলেও কার্যকর ব্যবস্থা ছিল না।

 অবশেষে প্রশাসনের এমন উদ্যোগে সাধারণ মানুষের মধ্যে স্বস্তি ফিরে এসেছে।

তবে জনগণের প্রশ্ন—শুধু কটেজ ও রিসোর্ট উচ্ছেদেই কি অভিযান সীমাবদ্ধ থাকবে, নাকি প্যারাবন ধ্বংস করে গড়ে ওঠা মাছের প্রজেক্ট ও লবণ মাঠের বিরুদ্ধেও একই ধরনের কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে?

সচেতন মহলের অভিযোগ, সোনাদিয়ার বিস্তীর্ণ এলাকায় প্যারাবন কেটে পরিবেশ ধ্বংস করে অবৈধভাবে চিংড়ি মাছের প্রজেক্ট ও লবণ চাষ পরিচালনা করা হচ্ছে।

 এতে জীববৈচিত্র্য হুমকির মুখে পড়েছে এবং পরিবেশের ভারসাম্য নষ্ট হচ্ছে। অথচ এসব কর্মকাণ্ডের সঙ্গে জড়িতদের বিরুদ্ধে এখনো দৃশ্যমান কোনো আইনগত পদক্ষেপ নেওয়া হয়নি।

স্থানীয় বাসিন্দারা বলেন, “সোনাদিয়ায় কটেজ উচ্ছেদে প্রশাসনের এমন সাহসী পদক্ষেপকে আমরা স্বাগত জানাই।

 কিন্তু যারা বছরের পর বছর প্যারাবন ধ্বংস করে মাছের ঘের ও লবণের মাঠ তৈরি করেছে, তাদের বিরুদ্ধেও একইভাবে অভিযান পরিচালনা করা প্রয়োজন।
 তাহলেই প্রকৃত অর্থে পরিবেশ রক্ষা সম্ভব হবে।

মহেশখালীর সাধারণ জনগণ আশা করছেন, পরিবেশ সংরক্ষণ, সরকারি খাস জমি রক্ষা এবং জনস্বার্থ নিশ্চিত করতে প্রশাসনের চলমান এ অভিযান ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে এবং প্যারাবন ধ্বংসকারীদের বিরুদ্ধেও দ্রুত কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে। 

এখন পুরো মহেশখালীবাসী তাকিয়ে আছে প্রশাসনের পরবর্তী পদক্ষেপের দিকে।

পূর্ববর্তী সংবাদপরবর্তী সংবাদ







  সর্বশেষ সংবাদ  
  সর্বাধিক পঠিত  
এই ক্যাটেগরির আরো সংবাদ
সম্পাদক : নাজমুল হক শ্যামল
দৈনিক নতুন সময়, গ্রীন ট্রেড পয়েন্ট, ৭ বীর উত্তম এ কে খন্দকার রোড, মহাখালী বা/এ, ঢাকা ১২১২।
ফোন: ৫৮৩১২৮৮৮, ০১৯৯৪ ৬৬৬০৮৯, ইমেইল: info@notunshomoy.com
সম্পাদক মন্ডলীর সভাপতি: এমদাদ আহমেদ | প্রকাশক : প্রবাসী মাল্টিমিডিয়া কমিউনিকেশন লি.-এর পক্ষে কাজী তোফায়েল আহম্মদ | কপিরাইট © দৈনিক নতুন সময় সর্বসত্ত্ব সংরক্ষিত | Developed By: i2soft
DMCA.com Protection Status