ই-পেপার সোমবার ১৪ নভেম্বর ২০২২
ই-পেপার |  সদস্য হোন |  পডকাস্ট |  গুগলী |  ডিসকাউন্ট শপ
শনিবার ৯ মে ২০২৬ ২৬ বৈশাখ ১৪৩৩
চিলমারী-মিনাবাজার সড়ক যখন মৃত্যুকূপ, ভোগান্তিতে প্রায় অর্ধলক্ষ মানুষ
মোঃ মাহবুবুল হাসান, চিলমারী
প্রকাশ: Saturday, 9 May, 2026, 9:41 PM

চিলমারী-মিনাবাজার সড়ক যখন মৃত্যুকূপ, ভোগান্তিতে প্রায় অর্ধলক্ষ মানুষ

চিলমারী-মিনাবাজার সড়ক যখন মৃত্যুকূপ, ভোগান্তিতে প্রায় অর্ধলক্ষ মানুষ

হাজারো মানুষের চলাচলের একমাত্র চিলমারী-মিনাবাজার সড়ক পরিণত হয়েছে মৃত্যুকূপে। জীবনের ঝুঁকি নিয়ে চলাচল করছে শত শত শিক্ষার্থীসহ হাজারো মানুষ। প্রায় ৫০ হাজার মানুষের চলাচলের এই সড়কের বিভিন্ন স্থানে ধস নামায় বন্ধ হওয়ার উপক্রম হয়েছে যানবাহন চলাচল। ঝুঁকি নিয়ে চলছে অটো ও রিকশা। দিন দিন বাড়ছেই ভোগান্তি। দ্রুত সংস্কারের দাবি জানিয়েছেন স্থানীয়রা।

জানা গেছে, কুড়িগ্রামের চিলমারী উপজেলা সদর থেকে পাত্রখাতা মিনাবাজার সড়কের আকালুরঘাট এলাকায় সড়ক ধসে মৃত্যুকূপে পরিণত হয়েছে। সড়ক ধসে বড় বড় গর্ত সৃষ্টি হওয়ায় জীবনের ঝুঁকি নিয়েই চলাচল করছে হাজারো মানুষ। প্রতিনিয়ত ঝুঁকি নিয়ে মানুষ চলাচল করলেও সংস্কারের উদ্যোগ না নেওয়ায় ভোগান্তিতে পড়েছেন প্রায় ৫০ হাজার মানুষ।

সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, এই সড়কের যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নয়নের জন্য পাত্রখাতা মিনাবাজারের সঙ্গে জোড়গাছ ও উপজেলা হেডকোয়ার্টারের যোগাযোগ বৃদ্ধি করতে তিস্তার খালের ওপর আরও একটি ব্রিজ নির্মাণ করে এলজিইডি। গত ২০২১-২০২২ অর্থবছরে ৪ কোটি ৮২ লাখ টাকা ব্যয়ে এলজিইডি বিভাগের তত্ত্বাবধানে মেসার্স লুফা-জেড এইচডি (জেভি) যৌথভাবে কাজটি সম্পন্ন করে। ৬৪ মিটার ব্রিজের সঙ্গে সংযোগ সড়ক (অ্যাপ্রোচ রোড) এইচবিবি করা হয়।

সড়ক নির্মাণে অনিয়মের অভিযোগ তুলে স্থানীয়রা বলেন, এই স্থানে গাইডওয়াল এবং পানি নিষ্কাশনের জন্য ড্রেন নির্মাণ করা হলে সড়কে ধস দেখা দিত না এবং জনদুর্ভোগ সৃষ্টি হতো না। ত্রিমুখী এই সড়কের দুটি স্থানে ধসের কারণে বড় বড় গর্তের সৃষ্টি হয়েছে। জীবনের ঝুঁকি নিয়ে মানুষ চলাচল করলেও অটো ও রিকশা চলাচল প্রায় বন্ধ হওয়ার উপক্রম হয়েছে।

স্থানীয় আশরাফুল, রবিউলসহ অনেকে বলেন, এই সড়ক দিয়ে পাত্রখাতা, মিনাবাজার, মণ্ডলেরহাট, কাশিমবাজারসহ বিভিন্ন এলাকার প্রায় ৫০ হাজার মানুষ উপজেলা সদরসহ জোড়গাছ ও থানাহাট বাজারে চলাচল করে। তারা আরও জানান, সড়ক ধসে গিয়ে বড় গর্ত সৃষ্টি হওয়ায় এটি এখন মৃত্যুকূপে পরিণত হয়েছে। দিন দিন ঝুঁকি বাড়ছে। আমরা দ্রুত এর সমাধান চাই।

অটোচালকরা জানান, জীবিকার তাগিদে এই সড়কে আমাদের অটো চালাতে হয়। কিন্তু দীর্ঘদিন ধরে জীবনের ঝুঁকি নিয়েই অটো চালাচ্ছি। ভাঙনের স্থানে এলে যাত্রীদের নামিয়ে দিয়ে অটো পার করতে হয়।

উপজেলা প্রকৌশলী মোঃ জুলফিকার আলী বলেন, টানা বৃষ্টির কারণে এই সমস্যার সৃষ্টি হয়েছে। দ্রুত এর সমাধান করা হবে।

পূর্ববর্তী সংবাদপরবর্তী সংবাদ







  সর্বশেষ সংবাদ  
  সর্বাধিক পঠিত  
এই ক্যাটেগরির আরো সংবাদ
সম্পাদক : নাজমুল হক শ্যামল
দৈনিক নতুন সময়, গ্রীন ট্রেড পয়েন্ট, ৭ বীর উত্তম এ কে খন্দকার রোড, মহাখালী বা/এ, ঢাকা ১২১২।
ফোন: ৫৮৩১২৮৮৮, ০১৯৯৪ ৬৬৬০৮৯, ইমেইল: info@notunshomoy.com
সম্পাদক মন্ডলীর সভাপতি: এমদাদ আহমেদ | প্রকাশক : প্রবাসী মাল্টিমিডিয়া কমিউনিকেশন লি.-এর পক্ষে কাজী তোফায়েল আহম্মদ | কপিরাইট © দৈনিক নতুন সময় সর্বসত্ত্ব সংরক্ষিত | Developed By: i2soft
DMCA.com Protection Status