ই-পেপার সোমবার ১৪ নভেম্বর ২০২২
ই-পেপার |  সদস্য হোন |  পডকাস্ট |  গুগলী |  ডিসকাউন্ট শপ
শনিবার ৬ জুন ২০২৬ ২৩ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
হাইকোর্ট থেকে মামলার নথি গায়েব, বিপাকে দুদক
সতুন সময় ডেস্ক
প্রকাশ: Sunday, 5 May, 2019, 9:54 AM

হাইকোর্ট

হাইকোর্ট

উচ্চ আদালতে করা একটি রিটসহ একাধিক গুরুত্বপূর্ণ দুর্নীতি মামলার নথি খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে না। এর মধ্যে সাবেক এক মন্ত্রী ও এমপিসহ অনেক হাইপ্রোফাইল ব্যক্তির ফাইলও আছে। মালয়েশিয়ায় লোক পাঠাতে কারসাজির মাধ্যমে ১০ ব্যবসায়ীকে লাইসেন্স প্রদান সংক্রান্ত রিটের কাগজপত্র খুঁজতে গিয়ে অন্য মামলার নথি হারানোর বিষয়টি সামনে এসেছে।

সংশ্লিষ্ট সেকশন থেকে ফাইল গায়েবের বিষয়টি দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) পক্ষ থেকে লিখিতভাবে আদালতের নজরে আনা হয়েছে। তবে এখনও এগুলোর সন্ধান না মেলায় মামলার কূলকিনারা করতে পারছে না দুদক। এছাড়া মালয়েশিয়ায় লোক প্রেরণ সংক্রান্ত রিটে দুদককে পক্ষভুক্ত করায় সংস্থাটি নথির অভাবে মামলার দায় থেকে নিষ্কৃতি চেয়ে এফিডেভিটও করতে পারছে না।



দুদকের আইন শাখার মহাপরিচালক মো. মঈদুল ইসলাম বলেন, আদালতের সেকশন থেকে এভাবে আরও অসংখ্য মামলার নথি গায়েব করা হয়েছে। দুদকের বেশকিছু মামলার নথিও খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে না।

দুদকের প্রধান কৌঁসলি খুরশিদ আলম খান বলেন, সাবেক এক মন্ত্রীর দুর্নীতি মামলার ফাইল দীর্ঘদিন ধরেই সন্ধান পাওয়া যাচ্ছে না। মন্ত্রীর নাম প্রকাশ না করে দুদক কর্মকর্তা বলেন, আমরা সুপ্রিমকোর্টের রেষ্ট্রিার জেনারেল বরাবর অভিযোগ করি। তাতেও না পাওয়ায় নথি পুনর্গঠনের জন্য আবেদন করি। এরপর তা পুনর্গঠন করা হয়। এসব করতেও এক বছরের বেশি সময় চলে যায়। এছাড়া এক এমপির দুর্নীতির নথিও গায়েব।

দুদকের সংশ্লিষ্ট আইনজীবী বলেন, এ মামলার ফাইল হাইকোর্টের শাখায় নেই। আদালতের কাছেও আবেদন করে মেনশন করেছি। কুতুবুর রহমান নামের এক ব্যক্তির বিরুদ্ধে দুদকের দায়ের করা মামলার নথিও পাওয়া যাচ্ছে না। দুদকের এক কর্মকর্তা বলেন, যাদের বিরুদ্ধে মামলা হয়, তাদের মধ্য থেকে কোনো একটি চক্র এভাবে একের পর এক আদালতের গুরুত্বপূর্ণ নথি গায়েব করছে।

মো. ইকবাল খান চৌধুরী বলেন, লোকবলের অভাবে প্রতিষ্ঠানটি অসমর্থ্য হয়ে আছে। বিধি অনুযায়ী ৭৩ জন লোক দরকার কমিশনের জন্য। কিন্তু কোনো লোকবল নেই। এ কারণে কাজ বাধাগ্রস্ত হচ্ছে।

তিনি বলেন, লোকবল নিয়োগ হলেও বছরে ৪-৫টির বেশি মামলা করা যাবে না। আমি তিন বছরে মাত্র ২টা ফাইল ইনকোয়ারি করতে পেরেছি। আর ২টি ইনকোয়ারি চলমান রয়েছে। তিনি আরো বলেন, মালয়েশিয়ায় লোক পাঠানোয় রিট মামলার বিষয়টি জানি। হাইকোর্ট ওই দশ ব্যবসায়ীর করা আবেদনের বিষয়ে তদন্ত করে রিপোর্ট দিতে বলেছেন।

পূর্ববর্তী সংবাদপরবর্তী সংবাদ







  সর্বশেষ সংবাদ  
  সর্বাধিক পঠিত  
এই ক্যাটেগরির আরো সংবাদ
সম্পাদক : নাজমুল হক শ্যামল
দৈনিক নতুন সময়, গ্রীন ট্রেড পয়েন্ট, ৭ বীর উত্তম এ কে খন্দকার রোড, মহাখালী বা/এ, ঢাকা ১২১২।
ফোন: ৫৮৩১২৮৮৮, ০১৯৯৪ ৬৬৬০৮৯, ইমেইল: info@notunshomoy.com
সম্পাদক মন্ডলীর সভাপতি: এমদাদ আহমেদ | প্রকাশক : প্রবাসী মাল্টিমিডিয়া কমিউনিকেশন লি.-এর পক্ষে কাজী তোফায়েল আহম্মদ | কপিরাইট © দৈনিক নতুন সময় সর্বসত্ত্ব সংরক্ষিত | Developed By: i2soft
DMCA.com Protection Status