ই-পেপার সোমবার ● ১৪ নভেম্বর ২০২২
ই-পেপার |  সদস্য হোন |  পডকাস্ট |  গুগলী |  ডিসকাউন্ট শপ
বুধবার ● ২১ অক্টোবর ২০২৬ ● ৫ কার্তিক ১৪৩৩
তিতাসে দুর্নীতি ২২ খাতে, জড়িতদের ছাড় নয়: দুদক
নতুন সময় প্রতিবেদক
প্রকাশ: Wednesday, 17 April, 2019, 5:00 PM

তিতাসে দুর্নীতি ২২ খাতে, জড়িতদের ছাড় নয়: দুদক

তিতাসে দুর্নীতি ২২ খাতে, জড়িতদের ছাড় নয়: দুদক

তিতাসের স্বচ্ছতা, দুর্নীতি বিষয়ে অনুসন্ধান প্রতিবেদন জমা দিয়েছেন দুর্নীতি দমন কমিশনের-দুদক কমিশনার ড. মোজাম্মেল হক খান। এতে সংস্থাটির ২২টি খাতে দুর্নীতির প্রমাণ পাওয়া গেছে বলে জানিয়েছে দুদক।

বুধবার (১৭ এপ্রিল) সচিবালয়ে বিদ্যুৎ প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ বিপুর হাতে এ প্রতিবেদন তুলে দেন তিনি। অবৈধ সংযোগ, মিটার টেম্পারিংসহ এসব খাতের অভিযোগগুলো মন্ত্রণালয় তদন্ত করবে বলে জানানো হয়।

এসময় মন্ত্রী বলেন, অভিযোগগুলো আরও তদন্ত করবে মন্ত্রণালয়। জড়িতদের ছাড় পাওয়ার কোনো সুযোগ নেই।

তিতাসের বিভিন্ন কাজে বেশ কিছু অনিয়মের অভিযোগ ওঠে। আর সেসব অভিযোগ খতিয়ে দেখতে কয়েক মাস ধরে কাজ করছিলো দুদকের একটি তদন্ত টিম।

এরইমধ্যে দশটি মন্ত্রণালয়ে অনুসন্ধান চালিয়েছে দুদক।

তিতাসের স্বচ্ছতা ও দুর্নীতি বিষয়ে চালানো এ অনুসন্ধানী প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, অবৈধ গ্যাস সংযোগে বড় ধরণের দুর্নীতি হয়। বিশেষ করে শিল্প কারখানায় অবৈধ সংযোগ দিয়ে বেশ লাভবান তিতাসের কতিপয় দুর্নীতিবাজ কর্মকর্তা। এক্ষেত্রে বড় ধরনের অর্থ লেনদেন হয়। শক্তিশালী এই চক্রটির বিরুদ্ধে কখনো কখনো

অবৈধ সংযোগ বন্ধ করতে আদালতেরও শরণাপন্ন হতে হয় কর্তৃপক্ষকে। প্রতিবেদনে আরো জানানো হয়, এ পর্যন্ত ১ লাখ ১৮ হাজার অবৈধ সংযোগের সন্ধ্যান পাওয়া গেছে।

তারমধ্যে: অবৈধ সংযোগ বড় দুর্নীতির জায়গা,বিশেষ করে শিল্প কারখানায় গ্যাস সংযোগ দিয়ে বেশি লাভবান হয় তারা। কখনো কখনো অবৈধ সংযোগ বন্ধ করতে আদালতেও নেয়া হয়— যা এখানে বড় ধরনের অর্থ লেনদেন হয় বলে জানানো হয় প্রতিবেদনে। এতে কোটি টাকার আর্থিক ক্ষতি হয়।

দুদকের অনুসন্ধানে ১ লাখ ১৮ হাজার অবৈধ সংযোগের সন্ধ্যান পাওয়া গেছে। আর গত ১৫-১৬ অর্থবছরে কৃত্রিম সংকট তৈরি করেন অসাধু কর্মকর্তা-কর্মচারিরা।

বিদ্যুতে কৃত্রিম সংকট তৈরি করে অসাধু কর্মকর্তা কর্মচারীরা—লাইন বাইপাস করা থেকে শুরু করে লোড বাড়ানো কমানো কাজ করে অর্থের বিনিময়ে করে তারা।

একটা নীতিমালা থাকা উচিত বলে মনে দুদকের কর্মকর্তা।

ইভিসি - ইলেক্ট্রনিক ভলিউম সিস্টেম—এটা কোনো কর্মকর্তা ব্যবহার করেন না, ভূয়া সংকেত দিয়ে বিল আদায়ের প্রমাণ পাওয়া গেছে বলে জানান দুদক কর্মকর্তা।

এশিয়ান টেক্সটাইল, বেক্সিমকোসহ অনেক প্রতিষ্ঠান নিয়মিত বিল দেয় না বলেও জানান তিনি।

দুদকের সুপারিশ: নীতি নির্ধারণে শক্ত পদক্ষেপ নিতে হবে।

সিস্টেম লস ৬ % বলা হচ্ছে তা কমিয়ে ২% নিয়ে আসা উচিত। একটি আইনি বিভাগ থাকা উচিত। অডিট ব্যবস্থাকে শক্তভাবে নিয়ন্ত্রণ করা। ঘুষ খাওয়া কর্মকর্তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া।

« পূর্ববর্তী সংবাদপরবর্তী সংবাদ »







  সর্বশেষ সংবাদ  
  সর্বাধিক পঠিত  
এই ক্যাটেগরির আরো সংবাদ
সম্পাদক : নাজমুল হক শ্যামল
দৈনিক নতুন সময়, গ্রীন ট্রেড পয়েন্ট, ৭ বীর উত্তম এ কে খন্দকার রোড, মহাখালী বা/এ, ঢাকা ১২১২।
ফোন: ৫৮৩১২৮৮৮, ০১৯৯৪ ৬৬৬০৮৯, ইমেইল: info@notunshomoy.com
সম্পাদক মন্ডলীর সভাপতি: এমদাদ আহমেদ | প্রকাশক : প্রবাসী মাল্টিমিডিয়া কমিউনিকেশন লি.-এর পক্ষে কাজী তোফায়েল আহম্মদ | কপিরাইট © দৈনিক নতুন সময় সর্বসত্ত্ব সংরক্ষিত | Developed By: i2soft
DMCA.com Protection Status