|
কেমোথেরাপি নেওয়ার পর কেমন আছেন তানিয়া বৃষ্টি
নতুন সময় ডেস্ক
|
![]() কেমোথেরাপি নেওয়ার পর কেমন আছেন তানিয়া বৃষ্টি গত ফেব্রুয়ারিতে হঠাৎ অসুস্থ হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হন। পরীক্ষা-নিরীক্ষার পর মস্তিষ্কে টিউমার ধরা পড়ে। ফেব্রুয়ারিতেই অস্ত্রোপচার করে টিউমার অপসারণও করা হয়। পরে চেন্নাইয়ে গিয়ে আবার সার্জারি করাতে হয়। চিকিৎসার এই সময়টায় স্বাভাবিকভাবে কথাও বলতে পারতেন না। সেই মানুষটাই হঠাৎ লাইভে এসে ভক্ত ও সহকর্মীদের চমকে দিলেন। কেমন আছেন তানিয়া লাইভে বেশির ভাগ প্রশ্নই ছিল, আপনার শারীরিক অবস্থা কেমন আমরাও তাই–ই জানতে চেয়েছিলাম, তানিয়া বৃষ্টি বলেন, আমার শারীরিক অবস্থা আল্লাহর রহমতে অনেকটাই ভালো। ছয় মাসের কেমোথেরাপির মধ্যে চার মাস কয়েক দিন আগে শেষ করেছি। কেমো শেষ হলে আবার এমআরআইসহ সবকিছু পরীক্ষা করতে হবে, টিউমারের অবস্থা কী—দেখতে হবে। দোয়া করবেন। জানালেন, চিকিৎসার কারণে তাঁর শারীরিক গঠনেও পরিবর্তন এসেছে। এ প্রসঙ্গে তানিয়া বলেন, অনেকেই বলছেন, আগের চেয়ে আমার ওজন বেড়েছে। এটা মূলত দুটি সার্জারির কারণে। আর আমাকে এমন কিছু ওষুধ খেতে হয়, যে কারণে আমার ওজন বেড়ে যাওয়াটা খুবই স্বাভাবিক। দীর্ঘ সময় শুধু মিস করে গেছি একসময় রাত–দিন বেশির ভাগ সময় শুটিংয়ে কাটত। সেই শুটিং থেকেই হঠাৎ আট মাস দূরে। একটা সময় ভেবেছিলেন, আর কি শুটিংয়ে ফেরা হবে? কিন্তু একটা সময় বুঝতে পারেন, হয়তো আবার পছন্দের জায়গায় ফেরা হবে। শুটিং কতটা মিস করেছেন? ‘মিডিয়ার শিল্পী, সহশিল্পী, কলাকুশলীরা আমার একটা পরিবার, আমার জীবনের একটা অংশ। পুরো সময়ই আমার এই পরিবারকে মিস করি। অনেকেই আমার সম্পর্কে জানতেন, আমাকে দেখতে আসতেন। তাঁরা বলতেন, আমার ফেরার অপেক্ষায় রয়েছেন। তাঁদের কথাগুলো সাহস জোগাত, মানসিক শক্তি দিত। শুটিংয়ে ফিরছেন কবে লাইভে তাঁকে কিছুটা ধীরে ধীরে কথা বলতে দেখা যায়। তানিয়া জানালেন, এখনো ফোন কানের কাছে নিয়ে খুব বেশি কথা বলেন না। ফোনটাই দূরে রাখেন। তানিয়ার সঙ্গে কথা বলেও মনে হলো অসুস্থতার সেই কঠিন সময়টা পেছনে ফেলে এখন তিনি কাজে ফেরার জন্য মানসিকভাবে প্রস্তুত। অভিনয়ে ফেরার প্রসঙ্গে তানিয়া বলেন, আমি অভিনয়ের মানুষ। আমি তো অবশ্যই অভিনয়ে ফিরতে চাই। জানালেন, ওটিটিসহ বেশ কিছু কাজের ব্যাপারে কথা হয়েছে। সব ঠিক থাকলে এ মাসেই নাটক দিয়ে ক্যামেরার সামনে দাঁড়াবেন। বললেন, আসলে ভেবেছিলাম, ফেসবুক পেজে একটা স্ট্যাটাস দেব, ভক্তরা কী চান। বেশির ভাগ যদি বলতেন, আমার ফেরা উচিত নয়, তাহলে হয়তো দ্বিতীয়বার ভাবতে হতো। কিন্তু আমার মন বলছিল, দর্শকেরা আমাকে দেখতে চান। ভক্তদের সঙ্গে আমার চাওয়াটি মিলে গেছে। কীভাবে সময় কাটে চিকিৎসকের পরামর্শে এখনো বাসাতেই থাকতে হচ্ছে। এই সময় তাঁর সবচেয়ে বড় সঙ্গী ছয়টি পোষা বিড়াল। তানিয়া বলেন, কোথাও বাইরে গেলেও অনেক সময় তাদের সঙ্গে নিয়ে যাই। তাদের সঙ্গে সময় কাটালে অনেক সুস্থ অনুভব করি। কেন যেন ওরা আমাকে খুব বোঝে। সবশেষে বললেন, টানা আট মাস মানুষ আমার সুস্থতার জন্য দোয়া করেছেন। আমার ফেরার অপেক্ষায় রয়েছেন। তাঁরা আমার শুভাকাঙ্ক্ষী। তাঁদের সবার কাছে আবারও কৃতজ্ঞতা। |
| « পূর্ববর্তী সংবাদ | পরবর্তী সংবাদ » |
