|
অপ্রতিম হত্যাকাণ্ডে আটক আনাসকে ছেড়ে দিয়েছে এসআরবি
নতুন সময় প্রতিনিধি
|
![]() অপ্রতিম হত্যাকাণ্ডে আটক আনাসকে ছেড়ে দিয়েছে এসআরবি এসআরবি-১১-এর সিপিসি-২ অধিনায়ক মেজর সাদমান ইবনে আলম রোববার (২০ সেপ্টেম্বর) রাতে বলেন, ‘আটক হওয়া অন্য অভিযুক্তদের সঙ্গে আনাসের যোগাযোগের একটা তথ্য ছিল আমাদের কাছে। সেজন্য তাকে হেফাজতে নেওয়া হয়। এখন পর্যন্ত তার বিরুদ্ধে তেমন কিছু পাওয়া যায়নি। তাই ছেড়ে দেওয়া হয়েছে। ভবিষ্যতে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য তাকে ডাকা হতে পারে। আনাস আটক হওয়ার পর তার একটি ফেসবুক পোস্ট ভাইরাল হয়। সেই পোস্টে তিনি কিশোর অপ্রতিমের জন্য শোক প্রকাশ করেন। গণমাধ্যমে এই খবর প্রকাশ করা হয়। গণমাধ্যমের খবরের লিংকে অনেকেই দাবি করতে থাকেন, এই হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে আনাসের সম্পৃক্ততা নেই। এরপর কুমিল্লার বিভিন্ন বাহিনীর সঙ্গে কথা বলেন এই প্রতিবেদক। এর আগে পুলিশের সংবাদ সম্মেলনে আনাসকে নিয়ে সাংবাদিকেরা প্রশ্ন করেন। সেখানে বলা হয়, পুলিশের পক্ষ থেকে আনাসকে আটক করা হয়নি। পরে এসআরবির সঙ্গে আলাপ করে জানা যায়, রবিবার সকালে আনাসকে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে। শনিবার দুপুর একটার দিকে কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়-সংলগ্ন সানন্দা গ্রামের লালমাই পাহাড়ের একটি জঙ্গল থেকে অপ্রতিমের মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। তার মাথায় গুরুতর আঘাতের চিহ্ন ছিল। আগের দিন শুক্রবার বেলা আড়াইটার দিকে কোটবাড়ি এলাকার ভাড়া বাসা থেকে বের হওয়ার পর নিখোঁজ হয় অপ্রতিম। সে কুমিল্লার বর্ডার গার্ড পাবলিক স্কুলের সপ্তম শ্রেণির শিক্ষার্থী। এরপর সিসিটিভি ফুটেজ দেখে অপ্রতিমের সঙ্গে ঘোরাঘুরি করা প্রথম সন্দেহভাজন তুহিনকে আটকের পর জিজ্ঞাসাবাদ করে পুলিশ। তার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে আরও কয়েকজনকে আটক করা হয়। তুহিন আটক হওয়ার পর সদর সার্কেল পুলিশের এএসপি মুস্তাইন বিল্লাহও বলেছিলেন, আনাস হেফাজতে আছেন। পুলিশের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, এ ঘটনায় দুই কিশোরসহ তিনজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। তারা হলেন- কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়-সংলগ্ন সানন্দা এলাকার সাইফুল ইসলাম ওরফে তুহিন (১৯), সালমানপুর এলাকার ১৫ বছর বয়সী এক কিশোর এবং কুমিল্লা আদর্শ সদর উপজেলার হাতিগাড়া এলাকার ১৬ বছর বয়সী আরেক কিশোর। গ্রেপ্তার তিনজনের বিরুদ্ধে আগে কোনো পুলিশ রেকর্ড (পিসিপিআর) নেই। |
| পূর্ববর্তী সংবাদ | পরবর্তী সংবাদ |
