ই-পেপার সোমবার ১৪ নভেম্বর ২০২২
ই-পেপার |  সদস্য হোন |  পডকাস্ট |  গুগলী |  ডিসকাউন্ট শপ
রোববার ৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ২২ ভাদ্র ১৪৩৩
শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে র‍্যানসমওয়্যার হামলার ৮৫ শতাংশই আইডেন্টিটি-ভিত্তিক: সফোস
নতুন সময় ডেস্ক
প্রকাশ: Sunday, 6 September, 2026, 3:16 PM

শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে র‍্যানসমওয়্যার হামলার ৮৫ শতাংশই আইডেন্টিটি-ভিত্তিক: সফোস

শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে র‍্যানসমওয়্যার হামলার ৮৫ শতাংশই আইডেন্টিটি-ভিত্তিক: সফোস

সম্প্রতি সাইবার নিরাপত্তা প্রতিষ্ঠান সফোস, তাদের বার্ষিক ‘স্টেট অব র‍্যানসমওয়্যার ইন এডুকেশন ২০২৬’ প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে। এই প্রতিবেদনে জানা গেছে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোতে হওয়া র‍্যানসমওয়্যার হামলার ৮৫ শতাংশ আইডেন্টিটি-ভিত্তিক অর্থাৎ অ্যাকাউন্টের তথ্য ব্যবহার করে এখানে হামলা করা হয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে ক্ষতিকর ই-মেইল, ফিশিং, চুরি করা লগইন তথ্য ও ব্রুট-ফোর্স হামলা। বিভিন্ন খাত মিলিয়ে এই হার ৭৯ শতাংশ।

র‍্যানসমওয়্যার হামলার প্রধান মাধ্যম ছিল ক্ষতিকর ই-মেইল। প্রাথমিক ও মাধ্যমিক পর্যায়ের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ৩১ শতাংশ এবং উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ২৯ শতাংশ হামলার পেছনে এটি ছিল প্রধান কারণ। এছাড়া ৭৭ শতাংশ উচ্চশিক্ষা এবং ৭১ শতাংশ প্রাথমিক ও মাধ্যমিক প্রতিষ্ঠান জানিয়েছে, তাদের সবচেয়ে গুরুতর আইডেন্টিটি নিয়ে করা হামলার সাথে র‍্যানসমওয়্যার জড়িত ছিল। হামলার পর স্বাভাবিক অবস্থায় ফিরতেও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোর বেশি সময় লাগছে। ২৬ শতাংশ প্রতিষ্ঠানকে এক থেকে তিন মাস সময় লেগেছে। আর প্রাথমিক ও মাধ্যমিক পর্যায়ের ৩১ শতাংশ প্রতিষ্ঠানের সময় লেগেছে এক মাস বা তার বেশি।

সফোসের চিফ ইনফরমেশন সিকিউরিটি অফিসার রস ম্যাককারচার বলেন, বিপুল পরিমাণ ব্যক্তিগত তথ্য থাকায় শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলো সাইবার হামলার বড় লক্ষ্য। অন্যদিকে অনেক প্রতিষ্ঠানের প্রয়োজনীয় রিসোর্স সীমিত। সাইবার হামলাকে আইডেন্টিটি চুরি ও এআই আরও দ্রুত ও জটিল করে তুলছে। তাই হামলা দ্রুত শনাক্ত ও মোকাবিলার সক্ষমতা বাড়ানো জরুরি।

প্রতিবেদনে দেখা গেছে, শিক্ষা খাতে সাইবার নিরাপত্তা এখনও বড় চ্যালেঞ্জ। উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ৫৩% প্রয়োজনীয় দক্ষতা ও বিশেষজ্ঞের ঘাটতির কথা জানিয়েছে। প্রাথমিক ও মাধ্যমিক পর্যায়ে মানবিক ভুল, পর্যাপ্ত সুরক্ষার অভাব এবং সিকিউরিটি গ্যাপ বড় সমস্যা। তবে ডেটা সুরক্ষায় কিছু অগ্রগতিও হয়েছে; এনক্রিপশনের হার ২০২৫ সালের ২৯% থেকে ২০২৬ সালে ৬১% এ বেড়েছে। হামলার পর ৭৭% প্রাথমিক-মাধ্যমিক ও ৬৯% উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠান ব্যাকআপ থেকে ডেটা পুনরুদ্ধার করেছে। অন্যদিকে আর্থিক ক্ষতিও দেখা গেছে যেখানে মুক্তিপণের দাবি ছিল ৭ লাখ ৭৫ হাজার ২০০ ডলার এবং গড় পুনরুদ্ধার খরচ ২২.৬ লাখ ডলার।  আইটি ও নিরাপত্তা দলের ওপর মানসিক চাপ আরও বেড়েছে। উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ৫৩% টিমের পক্ষ থেকে বাড়তি চাপের কথা জানিয়েছে। এছাড়া ৩৯% প্রতিষ্ঠান জানিয়েছে, মানসিক চাপ বা মানসিক স্বাস্থ্যের সমস্যার কারণে কর্মীরা অনুপস্থিত থাকে।

এই তথ্যগুলো ১৭টি দেশের ২২৬ জন আইটি ও সাইবার নিরাপত্তা বিশেষজ্ঞের ওপর একটি জরিপের ভিত্তিতে তৈরি করা হয়েছে। জরিপটি করা হয়  ২০২৬ সালের জানুয়ারি থেকে মার্চ মাস পর্যন্ত। শিক্ষা খাতে র‍্যানসমওয়্যার প্রবণতা পর্যবেক্ষণের ক্ষেত্রে এটি সফোসের ষষ্ঠ বছরের গবেষণা। 

পূর্ববর্তী সংবাদপরবর্তী সংবাদ







  সর্বশেষ সংবাদ  
  সর্বাধিক পঠিত  
এই ক্যাটেগরির আরো সংবাদ
সম্পাদক : নাজমুল হক শ্যামল
দৈনিক নতুন সময়, গ্রীন ট্রেড পয়েন্ট, ৭ বীর উত্তম এ কে খন্দকার রোড, মহাখালী বা/এ, ঢাকা ১২১২।
ফোন: ৫৮৩১২৮৮৮, ০১৯৯৪ ৬৬৬০৮৯, ইমেইল: info@notunshomoy.com
সম্পাদক মন্ডলীর সভাপতি: এমদাদ আহমেদ | প্রকাশক : প্রবাসী মাল্টিমিডিয়া কমিউনিকেশন লি.-এর পক্ষে কাজী তোফায়েল আহম্মদ | কপিরাইট © দৈনিক নতুন সময় সর্বসত্ত্ব সংরক্ষিত | Developed By: i2soft
DMCA.com Protection Status