|
বাগেরহাট জেলা হাসপাতাল চত্বরে এ্যাম্বুলেন্সের গ্যাস সিলিন্ডার বিস্ফোরণ,দগ্ধ ১জন
নতুন সময় প্রতিনিধি
|
![]() বাগেরহাট জেলা হাসপাতাল চত্বরে এ্যাম্বুলেন্সের গ্যাস সিলিন্ডার বিস্ফোরণ,দগ্ধ ১জন প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, দুপুরের দিকে হাসপাতাল চত্বরে থাকা একটি অ্যাম্বুলেন্স থেকে হঠাৎ আগুনের সূত্রপাত হয়। মুহূর্তের মধ্যে আগুনের তীব্রতা বেড়ে গিয়ে এ্যাম্বলেন্সের গ্যাস সিলিন্ডার বিস্ফোরণ হয়ে তা পাশের মোটরসাইকেলগুলোতে ছড়িয়ে পড়ে। এতে আটটি মোটরসাইকেল পুড়ে যায়। আগুনের ঘটনায় হাসপাতাল এলাকায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। রোগী ও স্বজনদের মধ্যেও দেখা দেয় উৎকণ্ঠা। খবর পেয়ে দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে বাগেরহাট ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা। বাগেরহাট ফায়ার সার্ভিসের উপপরিচালক মোহাম্মদ সাইদুরজ্জামান বলেন, “দুপুর ১২টার পর আগুন লাগার খবর পাই। খবর পাওয়ার ১৫ মিনিটের মধ্যে আমরা ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনি।” হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক অসীম কুমার সমাদ্দার বলেন, “অ্যাম্বুলেন্স থেকে আগুনের সূত্রপাত হয়ে হাসপাতালের গেটে থাকা আটটি মোটরসাইকেল পুড়ে গেছে। এর মধ্যে হাসপাতালের স্টাফদের মোটরসাইকেলও রয়েছে। ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ এখনই বলা সম্ভব হচ্ছে না। তবে এ ঘটনায় রোগীদের কোনো ক্ষয়ক্ষতি হয়নি।”ষ অগ্নিকাণ্ডের খবর পেয়ে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন বাগেরহাট-২ আসনের সংসদ সদস্য মঞ্জুরুল হক রাহাদ। তিনি হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের সঙ্গে কথা বলে অগ্নিকাণ্ডের বিষয়ে খোঁজখবর নেন এবং পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করেন। এদিকে, ঘটনার পরপরই ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন জেলা প্রশাসক গোলাম মোহাম্মদ বাতেন তিনি ক্ষতিগ্রস্তদের প্রতি সমবেদনা জানান এবং ঘটনার বিষয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিবেন বলে জানান, এসময় বাগেরহাট রেড ক্রিসেন্টের সাধারন সম্মাদ মাহাবুর রহমান টুটুল বলেন আগুন লাগার খবর পেয়ে দ্রুত ঘটনাস্থলে ছুটে আসি এবং ক্ষয়ক্ষতি পর্যবেক্ষন করি, ফায়ার সার্ভিসের দ্রুত তৎপরতায় আগুন নিয়ন্ত্রণে আসায় হাসপাতালের মূল ভবন ও রোগীরা বড় ধরনের ক্ষয়ক্ষতি থেকে রক্ষা পেয়েছেন। তবে অ্যাম্বুলেন্সে কীভাবে গ্যাস লিকেজ বা সিলিন্ডার বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটেছে এবং অগ্নিকাণ্ডে মোট কী পরিমাণ ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে, তা তদন্তের পর জানা যাবে। |
| পূর্ববর্তী সংবাদ | পরবর্তী সংবাদ |
